উদ্দীপকে উল্লিখিত দুধ সংরক্ষণ পদ্ধতির গুরুত্ব মূল্যায়ন কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত দুধ সংরক্ষণ পদ্ধতি হলো পাস্তুরিকরণ। নিচে এর গুরুত্ব মূল্যায়ন করা হলো- দুধকে নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত খাদ্য হিসেবে উপযোগী রাখতে পচনমুক্ত রাখার প্রক্রিয়াকে দুধ সংরক্ষণ বলে। দুধের সংরক্ষণ ব্যবস্থা তেমন সহজ নয় কারণ, এর রাসায়নিক পরিবর্তন অনেক সহজে ঘটে। দুধ অধিক সময় কাঁচা অবস্থায় থাকলে গুণগত মান নষ্ট হয়। বিভিন্ন ধরনের জীবাণু সাধারণ তাপমাত্রায় দুধে ল্যাকটিক এসিড তৈরি করে দুধকে টক স্বাদযুক্ত করে তোলে। পাস্তুরাইজেশনের ফলে দুধে উপস্থিত জীবাণু ধ্বংস ও এনজাইম নষ্ট হয়ে যায় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। এটি দুধে ল্যাকটিক এসিড প্রস্তুতকারী জীবাণুর সংখ্যা কমায়। এ প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিমান ঠিক থাকে এবং কোনো বিষাদের সৃষ্টি হয় না। তবে সঠিকভাবে এ প্রক্রিয়া না করলে দুধের চর্বিকণা পৃথক হতে পারে। তাপ সংবেদনশীল ভিটামিন নষ্ট হতে পারে এবং অতি উচ্চতাপজনিত কারণে কিছুটা বিস্বাদের সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু এ প্রক্রিয়ার সুবিধার কাছে এ অসুবিধা অতি নগণ্য যদি সঠিক প্রক্রিয়ায় পাস্তুরাইজেশন করা হয়।
HSC Agriculture 2nd Paper Chapter 3 : পশু পালন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Agriculture 2nd Paper · Chapter 3 : পশু পালন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত দুধ সংরক্ষণ পদ্ধতির গুরুত্ব মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর