উদ্দীপকের Q জাতীয় উদ্ভিদ হলো মরুজ উদ্ভিদ। মরুজ উদ্ভিদ যেভাবে তার পরিবেশের সাথে অভিযোজন করে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
বাহ্যিক অভিযোজন:
১. মরুজ, উদ্ভিদসমূহ সাধারণত আকারে ছোটো ও ঝোপযুক্ত হয়। এ ধরনের উদ্ভিদ বালির ঝাপটা ও বায়ুর ঝাপটা সহ্য করতে পারে। তাই ভেঙে যায় না।
২. মূল মাটির উপরিতলের কাছাকাছি অথবা খুবই গভীরে প্রলম্বিত। তাই ওপর থেকে সামান্য বৃষ্টির প্রাণী যেমন শোষণ করতে পারে, দ্রুত মাটির গভীরে চলে যাওয়া পানিও শোষণ করতে পারে। অর্থাৎ এদের মূল সুগঠিত।
অন্তর্গঠনগত অভিযোজন:
১. পাতার কিউটিকল পুরু, কাণ্ড ও পাতায় মোমের আবরণ থাকে। তাই প্রস্বেদন হ্রাস পায়।
২. পাতার প্যালিসেড প্যারেনকাইমা ঘন ও সুদৃঢ়, স্টোমাটা, ত্বকের ভেতর অবস্থিত, অনেক সময় লম্বা রোম দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে। তাই পানি বাষ্পায়ন ও নির্গমন কম হয়।
৩. প্যারেনকাইমা কোষ স্ফীতিশীল ও রসালো। তাই প্রয়োজনীয় পানি ধরে রাখতে পারে।
শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন :
১. মরু উদ্ভিদের অভিস্রবণিক চাপ বেশি। তাই পানি শোষণ মাত্রা বৃদ্ধি পায়। পানি শোষণ সহজ হয়, পানি খরচ কম হয় এবং অপচয় রোধ হয়।
২. প্রস্বেদনের হার খুবই কম। তাই শোষিত পানির পরিমাণ কম হলেও তা দেহাভ্যন্তরে ধরে রাখতে পারে।
৩. বৃষ্টির সাথে সাথে পানি শোষণ করে নিতে সক্ষম।