শেয়ারFacebookWhatsApp

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য এক্স-সিটু সংরক্ষণ থেকে উদ্দীপকের বনের সংরক্ষণ বেশি ভালো- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত বনটি হলো সুন্দরবন যা একটি ম্যানগ্রোভ বন। উক্ত বনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে Ex-situ-এর চেয়ে এ বনের সংরক্ষণ অর্থাৎ In-situ সংরক্ষণই উত্তম। নিচে এর স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতিসমূহ : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রধানত দু'প্রকার, যথা- (ক) ইন-সিটু সংরক্ষণ এবং (খ) এক্স-সিটু সংরক্ষণ । (ক) প্রাকৃতিক বাসস্থানে সংরক্ষণ বা ইন-সিটু সংরক্ষণ (In situ conservation) : মূল বাসস্থানে তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবর্তনীয় গতিশীল ইকোসিস্টেমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করাকে বলা হয় ইন-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সুন্দরবনের কর্দমাক্ত, লবণাক্ত ও সিক্ত পরিবেশে সুন্দরী গাছ জন্মে থাকে। কাজেই সুন্দরী গাছকে সুন্দরবনের মূল বাসস্থান তথা ঐ পরিবেশতন্ত্রে সংরক্ষণ করাই হলো ইন-সিটু সংরক্ষণ বা স্বস্থানে সংরক্ষণ । এক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুবিধা সমূহ (i) কোনো প্রজাতি সংরক্ষণের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো যে বাসস্থানে ইহা প্রাকৃতিকভাবে জন্মে সেই বাসস্থানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে উক্ত প্রজাতির সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রাণিকূলও সংরক্ষিত হয়। (ii) অনেক উদ্ভিদ তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে তাদের মাইকোরাইজাল ছত্রাকের উপর নির্ভরশীল। ইন- সিটু সংরক্ষণের ফলে মাইকোরাইজাল ছত্রাকও সংরক্ষিত হয় এবং ঐ উদ্ভিদের টিকে থাকা নিশ্চিত হয়। (iii) একটি প্রজাতি বা একটি উদ্ভিদ কেবলমাত্র একটি ইকোসিস্টেমের অংশই নয়, বিভিন্নভাবে আশপাশের অন্যান্য প্রজাতির সাথে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে এবং অনেক প্রজাতিকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ইন-সিটু সংরক্ষণে এ সুবিধা থাকে। (iv) কোনো প্রজাতিকে তার বাসস্থানে সংরক্ষণের সবচেয়ে উপকারী দিক হলো এই যে এতে করে বিবর্তনীয় প্রক্রিয়াগুলো চালু থাকে। (v) যে দেশ বা অঞ্চলে ফ্লোরা এখনো ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি অথবা বিশদভাবে স্টাডি করা সম্ভব হয়নি সে দেশ বা সে অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ আবশ্যক। অনেক দেশেই সংকটাপন্ন প্রজাতির তালিকা প্রস্তুত সম্পন্ন হয়নি, সেসব দেশে এক্স-সিটু অবস্থানে কোন কোন প্রজাতি সংরক্ষণ করতে হবে তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত হয়নি, কাজেই ইকোসিস্টেম সংরক্ষণ করা তথা ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতিই সেখানে আদর্শ সংরক্ষণ পদ্ধতি। (vi) যে অঞ্চলে এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সে অঞ্চলেও ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক। (vii) রিক্যালসিস্টান্ট বীজ সংরক্ষণের জন্য ইন-সিটু পদ্ধতি বিশেষভাবে উপযোগী। (খ) কৃত্রিম বাসস্থানে সংরক্ষণ বা এক্স-সিটু সংরক্ষণ : বায়োডাইভারসিটির উপাদানসমূহকে তাদের মূল বাসস্থান বা প্রাকৃতিক স্বাভাবিক পরিবেশের বাইরে বাঁচিয়ে রাখাই হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সিলেট বনের আগর গাছকে বা সুন্দরবনের সুন্দরী গাছকে ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেনে লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ এর একটি উদাহরণ। নিম্নলিখিত উপায়ে এক্স-সিটু সংরক্ষণ করা হয়। ১) উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন। ২) বীজ ব্যাংক। ৩) ফিল্ড জিন ব্যাংক : ফিল্ড জিন ব্যাংকের মাধ্যমে রিক্যালসিস্টান্ট বীজবাহী উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা সম্ভব। ৪) জিন ব্যাংক : উদ্ভিদের জিন তত্ত্বের সম্পদগুলোকে সংরক্ষণে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাগুলোকে সময়ে সময়ে জন্মানো হয় এবং এ থেকে নতুন বীজ উৎপন্ন করে সংরক্ষণ করা হয়। ৫) চিড়িয়াখানা। ৬) নিম্নতাপমাত্রায় সংরক্ষণ: অঙ্গজ বংশবিস্তারে সক্ষম এমন অনেক ফসলের অঙ্গজ অংশ (যেমন-রাইজোম, বাল্ব, টিউবার, করম) সাধারণত অল্প জীবনকাল সম্পন্ন এবং দ্রুত বিনষ্ট হয়ে যায়, যদি না এদেরকে উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয়। ৭) ইন-ভিট্রো সংরক্ষণ : ইন-ভিট্রো উপায়ে ল্যাবরেটরিতে রিক্যালসিস্টান্ট প্রজাতির ক্যালাস (callus) টিস্যু সংরক্ষণ করা যায় বা তরল আবাদ মাধ্যমেও সংরক্ষণ করা যায়। ৮) ডিএনএ সংরক্ষণ : উদ্ভিদ থেকে DNA আহরণ করে তা সংরক্ষণ করা হয়। DNA সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কাঙ্ক্ষিত জিন সংরক্ষণ করা যায়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলাযায় যে এক্স-সিটু সংরক্ষণ তুলনা মূলক ব্যয় বহুল এবং সময় সাধ্য। সেই তুলনায় এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সুন্দরবন অঞ্চলে। তাই বলা যায় সুন্দরবন অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক এবং সহজলভ্য।

HSC Biology 1st Paper Chapter 12: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ ℹ️ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 1st Paper · Chapter 12: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ ℹ️ · সৃজনশীল

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য এক্স-সিটু সংরক্ষণ থেকে উদ্দীপকের বনের স…

উদ্দীপক

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি বিশেষ ধরনের বন রয়েছে যা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তর

উদ্ভিদের যেকোনো বিভাজনক্ষম অঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো টিস্যু সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত অবস্থায় উপযুক্ত পুষ্টি মাধ্যমে বৃদ্ধিকরণ করাই হলো টিস্যু কালচার।

উত্তর

একটি DNA অণুর কাঙ্ক্ষিত দু জায়গায় কেটে খণ্ডটিকে আলাদা করে অন্য একটি পোষক DNA অণুর নির্দিষ্ট জায়গায় জোড়া দেয়ার ফলে যে সংকর DNA অণুর সৃষ্টি হয় তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে। রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরির প্রক্রিয়াকে রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি বলে। রিকম্বিনেন্ট DNA নিম্নোক্ত প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়- ১. কাঙ্ক্ষিত DNA নির্বাচন ও পৃথকীকরণ। ২. বাহক নির্বাচন, ৩. DNA অণু কর্তন। ৪. কর্তনকৃত DNA খণ্ডকে বাহক DNA তে স্থাপন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সমুদ্র উপকূলে বিশেষ ধরনের বনভূমিটি হলো সুন্দরবন যা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল নামে পরিচিত। সুন্দরবনের মাটি লবণাক্ত। লবণাক্ত পরিবেশে উদ্ভিদসমূহের অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্যসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. মাটির গভীরতার সাথে সাথে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়, তাই অধিকাংশ উদ্ভিদের মূলতন্ত্র মাটির খুব গভীরে না গিয়ে মাটির উপরের স্তরেই বিস্তৃত থাকে। ২. অধিক লবণাক্ত পানি শোষণ করতে অসুবিধা হয়, তাই বৃষ্টির সময় লবণাক্ততা কিছুটা কমে আসলে উদ্ভিদ দ্রুত পানি শোষণ করে তাদের প্যারেনকাইমা কোষে সঞ্চয় করে থাকে। এ কারণে এদের কাণ্ড, পাতা ও মূলকে কিছুটা রসালো দেখায়। ৩. জোয়ার-ভাটার সময় পানির টানকে সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য অনেক উদ্ভিদে স্তম্ভমূল বা ঠেসমূল থাকে। ৪. শ্বাসমূলের ভেতরে বায়ুকুঠুরী থাকে এবং সে কুঠুরীতে বায়ু (O2\mathrm{O}_2) ধরে রাখতে পারে। শ্বাসমূলের কারণে মূল ও বাইরের সাথে গ্যাসের বিনিময় সহজ হয়। ৫. লবণাক্ত মাটিতে এবং জোয়ার-ভাটার স্থানে বীজ এক স্থানে টিকে থাকা কঠিন। তাই বহু উদ্ভিদে গাছে থাকা অবস্থায়ই বীজের অঙ্কুরোদগম শুরু হয়ে লম্বা, ভূণমূল সৃষ্টি হয়। মূল একটু বড় ও ভারী হলে মাটিতে পড়ে এবং কিছুটা কাদা মাটিতে ঢুকে যায় ও স্থায়ী হয়। ফলে জোয়ার-ভাটার টানে তা ভেসে যায় না। উদ্ভিদে থাকা অবস্থায় ফলের অভ্যন্তরে বীজের অঙ্কুরোদগমকে বলা হয় জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম। ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের অনেক উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম লক্ষ করা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বনটি হলো সুন্দরবন যা একটি ম্যানগ্রোভ বন। উক্ত বনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে Ex-situ-এর চেয়ে এ বনের সংরক্ষণ অর্থাৎ In-situ সংরক্ষণই উত্তম। নিচে এর স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতিসমূহ : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রধানত দু'প্রকার, যথা- (ক) ইন-সিটু সংরক্ষণ এবং (খ) এক্স-সিটু সংরক্ষণ । (ক) প্রাকৃতিক বাসস্থানে সংরক্ষণ বা ইন-সিটু সংরক্ষণ (In situ conservation) : মূল বাসস্থানে তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবর্তনীয় গতিশীল ইকোসিস্টেমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করাকে বলা হয় ইন-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সুন্দরবনের কর্দমাক্ত, লবণাক্ত ও সিক্ত পরিবেশে সুন্দরী গাছ জন্মে থাকে। কাজেই সুন্দরী গাছকে সুন্দরবনের মূল বাসস্থান তথা ঐ পরিবেশতন্ত্রে সংরক্ষণ করাই হলো ইন-সিটু সংরক্ষণ বা স্বস্থানে সংরক্ষণ । এক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুবিধা সমূহ (i) কোনো প্রজাতি সংরক্ষণের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো যে বাসস্থানে ইহা প্রাকৃতিকভাবে জন্মে সেই বাসস্থানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে উক্ত প্রজাতির সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রাণিকূলও সংরক্ষিত হয়। (ii) অনেক উদ্ভিদ তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে তাদের মাইকোরাইজাল ছত্রাকের উপর নির্ভরশীল। ইন- সিটু সংরক্ষণের ফলে মাইকোরাইজাল ছত্রাকও সংরক্ষিত হয় এবং ঐ উদ্ভিদের টিকে থাকা নিশ্চিত হয়। (iii) একটি প্রজাতি বা একটি উদ্ভিদ কেবলমাত্র একটি ইকোসিস্টেমের অংশই নয়, বিভিন্নভাবে আশপাশের অন্যান্য প্রজাতির সাথে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে এবং অনেক প্রজাতিকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ইন-সিটু সংরক্ষণে এ সুবিধা থাকে। (iv) কোনো প্রজাতিকে তার বাসস্থানে সংরক্ষণের সবচেয়ে উপকারী দিক হলো এই যে এতে করে বিবর্তনীয় প্রক্রিয়াগুলো চালু থাকে। (v) যে দেশ বা অঞ্চলে ফ্লোরা এখনো ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি অথবা বিশদভাবে স্টাডি করা সম্ভব হয়নি সে দেশ বা সে অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ আবশ্যক। অনেক দেশেই সংকটাপন্ন প্রজাতির তালিকা প্রস্তুত সম্পন্ন হয়নি, সেসব দেশে এক্স-সিটু অবস্থানে কোন কোন প্রজাতি সংরক্ষণ করতে হবে তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত হয়নি, কাজেই ইকোসিস্টেম সংরক্ষণ করা তথা ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতিই সেখানে আদর্শ সংরক্ষণ পদ্ধতি। (vi) যে অঞ্চলে এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সে অঞ্চলেও ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক। (vii) রিক্যালসিস্টান্ট বীজ সংরক্ষণের জন্য ইন-সিটু পদ্ধতি বিশেষভাবে উপযোগী। (খ) কৃত্রিম বাসস্থানে সংরক্ষণ বা এক্স-সিটু সংরক্ষণ : বায়োডাইভারসিটির উপাদানসমূহকে তাদের মূল বাসস্থান বা প্রাকৃতিক স্বাভাবিক পরিবেশের বাইরে বাঁচিয়ে রাখাই হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সিলেট বনের আগর গাছকে বা সুন্দরবনের সুন্দরী গাছকে ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেনে লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ এর একটি উদাহরণ। নিম্নলিখিত উপায়ে এক্স-সিটু সংরক্ষণ করা হয়। ১) উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন। ২) বীজ ব্যাংক। ৩) ফিল্ড জিন ব্যাংক : ফিল্ড জিন ব্যাংকের মাধ্যমে রিক্যালসিস্টান্ট বীজবাহী উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা সম্ভব। ৪) জিন ব্যাংক : উদ্ভিদের জিন তত্ত্বের সম্পদগুলোকে সংরক্ষণে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাগুলোকে সময়ে সময়ে জন্মানো হয় এবং এ থেকে নতুন বীজ উৎপন্ন করে সংরক্ষণ করা হয়। ৫) চিড়িয়াখানা। ৬) নিম্নতাপমাত্রায় সংরক্ষণ: অঙ্গজ বংশবিস্তারে সক্ষম এমন অনেক ফসলের অঙ্গজ অংশ (যেমন-রাইজোম, বাল্ব, টিউবার, করম) সাধারণত অল্প জীবনকাল সম্পন্ন এবং দ্রুত বিনষ্ট হয়ে যায়, যদি না এদেরকে উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয়। ৭) ইন-ভিট্রো সংরক্ষণ : ইন-ভিট্রো উপায়ে ল্যাবরেটরিতে রিক্যালসিস্টান্ট প্রজাতির ক্যালাস (callus) টিস্যু সংরক্ষণ করা যায় বা তরল আবাদ মাধ্যমেও সংরক্ষণ করা যায়। ৮) ডিএনএ সংরক্ষণ : উদ্ভিদ থেকে DNA আহরণ করে তা সংরক্ষণ করা হয়। DNA সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কাঙ্ক্ষিত জিন সংরক্ষণ করা যায়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলাযায় যে এক্স-সিটু সংরক্ষণ তুলনা মূলক ব্যয় বহুল এবং সময় সাধ্য। সেই তুলনায় এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সুন্দরবন অঞ্চলে। তাই বলা যায় সুন্দরবন অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক এবং সহজলভ্য।
HSCBiology 1st PaperChapter 12: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ ℹ️
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
বায়োম কী?
খ
অভয়ারণ্য বলতে কী বোঝ?
গ
N বনাঞ্চলের বৈশিষ্ট্য লিখ।
ঘ
M ও উদ্ভিদের গঠনগত সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
বায়োম কী?
খ
অভয়ারণ্য বলতে কী বোঝ?
গ
N বনাঞ্চলের বৈশিষ্ট্য লিখ।
ঘ
M ও উদ্ভিদের গঠনগত সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অভয়ারণ্য বলতে কী বোঝ?

অভয়ারণ্য বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বায়োম কী?

বায়োম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুন্দরী ⭢ হরিণ ⭢ বাঘ
ক
TCA চক্র কাকে বলে?
খ
দ্বি-নিষেক বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের উদ্ভিদটির নিজ পরিবেশে টিকে থাকার কৌশল ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ প্রাণীটির সংরক্ষণের উপযুক্ত পদ্ধতির নাম কারণসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুন্দরী ⭢ হরিণ ⭢ বাঘ
ক
TCA চক্র কাকে বলে?
খ
দ্বি-নিষেক বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকের উদ্ভিদটির নিজ পরিবেশে টিকে থাকার কৌশল ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ প্রাণীটির সংরক্ষণের উপযুক্ত পদ্ধতির নাম কারণসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দ্বি-নিষেক বলতে কী বোঝায়?

দ্বি-নিষেক বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.TCA চক্র কাকে বলে?

TCA চক্র কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

C [ঘাস ⭢ ফড়িং ⭢ ব্যাঙ ⭢ বাজপাখি] D [জীব ⭢ জীববৈচিত্র্য।
ক
মাইসেলিয়াম কী?
খ
মসকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয় কেন?
গ
'C′C^{\prime} উদ্দীপক দিয়ে শক্তি পিরামিডের বর্ণনা দাও।
ঘ
উদ্দীপকে 'D′D^{\prime} কে সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদের - তা তোমার ভাষায় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

C [ঘাস ⭢ ফড়িং ⭢ ব্যাঙ ⭢ বাজপাখি] D [জীব ⭢ জীববৈচিত্র্য।
ক
মাইসেলিয়াম কী?
খ
মসকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয় কেন?
গ
'C′C^{\prime} উদ্দীপক দিয়ে শক্তি পিরামিডের বর্ণনা দাও।
ঘ
উদ্দীপকে 'D′D^{\prime} কে সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদের - তা তোমার ভাষায় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মসকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

মসকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মাইসেলিয়াম কী?

মাইসেলিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।