শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতসমূহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি হলো আটলান্টিক মহাসাগর। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতসমূহ- উপসাগরীয় স্রোত, উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত, সুমেরু স্রোত, ল্যাব্রাডর স্রোত, গিনি স্রোত ও ইরমিনজার প্রভৃতি ব্যাখ্যা করা হলো। দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের প্রধান শাখাটি নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে অগ্রসর হয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে। সেখানে পূর্বদিক হতে আগত উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা স্রোত এর সাথে মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোতটি কেইয়েন স্রোত নামে তথা হতে আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেক্সিকো উপসাগরে প্রবেশ করে। মেক্সিকো উপসাগর উৎপত্তি হয়ে বলে এ স্রোতের নাম উপসাগরীয় স্রোত। এটি তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়। যথা- উত্তর আটলান্টিক স্রোত, ক্যানারি স্রোত, পশ্চিম গ্রিনল্যান্ড স্রোত। নিরক্ষরেখার উত্তরে যে উষ্ণ স্রোতটি পূর্ব হতে সোজা পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত। এটি মূলত ক্যানারি স্রোতের বর্ধিত অংশ। এরপর উত্তর মহাসাগর হতে গ্রিনল্যান্ডের দুই দিক দিয়ে যে দুটি শীতল স্রোত দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয় তাদের সুমেরু স্রোত বলে। মেরুদেশীয় বায়ুর প্রভাবে এবং উত্তর মহাসাগর ও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পানির লবণাক্ততার পার্থক্যের দরুন এ স্রোতের উৎপত্তি হয়। উক্ত স্রোত দুটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোতটি ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এছাড়া ক্যানারী স্রোতের একটি ক্ষুদ্র শাখা গিনি উপমহাসাগরে প্রবেশ করে যাকে গিনি স্রোত বলা হয়। এটি একটি উষ্ণ স্রোত। আরও একটি স্রোত রয়েছে তা হলো ইরমিনজার স্রোত। উত্তর মহাসাগর হতে ইরমিনজার নামক একটি শীতল স্রোত আইসল্যান্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূল দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। কিছুদূর গিয়ে এটি উত্তর আটলান্টিক স্রোতের উত্তর দিকের কতিপয় ঘূর্ণাবর্তের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়। সুতরাং বলা যায়, উল্লিখিত স্রোতগুলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বিভিন্ন বায়ু ও স্থলভাগের প্রভাবে বৈচিত্র্যময় অবস্থার সৃষ্টি করে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতসমূহ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার উত্তর-পশ্চিম দিকে পৃথিবীর ৬ষ্ঠতম মহাদেশ এবং উত্তর-পূর্বে ৩য় বৃহত্তম মহাদেশ অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতসমূহের সাহায্যে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে।

উত্তর

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর ভারত মহাসাগরের উত্তর উপকূল বরাবর যে স্রোত প্রবাহিত হয়, তাকে মৌসুমি স্রোত বলে।

উত্তর

স্থলভাগ থাকলে সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হওয়ার সময় স্থলভাগে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে দেয়। যেমন- আটলান্টিক মহাসাগরের দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতটি দক্ষিণ আমেরিকার সেন্টরক অন্তরীপে বাধা পেয়ে তা দুটি নতুন স্রোতের সৃষ্টি করে। স্থলভাগ না থাকলে এ স্রোতটি সোজা পশ্চিম দিকে চলে যেত। অনুরূপভাবে, স্থলভাগের অবস্থানের ফলে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরে পেরু স্রোত ও ভারত মহাসাগরে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বলা যায়, কতিপয় সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তির মূলে রয়েছে স্থলভাগের অবস্থান।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি হলো আটলান্টিক মহাসাগর। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতসমূহ- উপসাগরীয় স্রোত, উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত, সুমেরু স্রোত, ল্যাব্রাডর স্রোত, গিনি স্রোত ও ইরমিনজার প্রভৃতি ব্যাখ্যা করা হলো। দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের প্রধান শাখাটি নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে অগ্রসর হয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে। সেখানে পূর্বদিক হতে আগত উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা স্রোত এর সাথে মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোতটি কেইয়েন স্রোত নামে তথা হতে আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেক্সিকো উপসাগরে প্রবেশ করে। মেক্সিকো উপসাগর উৎপত্তি হয়ে বলে এ স্রোতের নাম উপসাগরীয় স্রোত। এটি তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়। যথা- উত্তর আটলান্টিক স্রোত, ক্যানারি স্রোত, পশ্চিম গ্রিনল্যান্ড স্রোত। নিরক্ষরেখার উত্তরে যে উষ্ণ স্রোতটি পূর্ব হতে সোজা পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত। এটি মূলত ক্যানারি স্রোতের বর্ধিত অংশ। এরপর উত্তর মহাসাগর হতে গ্রিনল্যান্ডের দুই দিক দিয়ে যে দুটি শীতল স্রোত দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয় তাদের সুমেরু স্রোত বলে। মেরুদেশীয় বায়ুর প্রভাবে এবং উত্তর মহাসাগর ও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পানির লবণাক্ততার পার্থক্যের দরুন এ স্রোতের উৎপত্তি হয়। উক্ত স্রোত দুটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোতটি ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এছাড়া ক্যানারী স্রোতের একটি ক্ষুদ্র শাখা গিনি উপমহাসাগরে প্রবেশ করে যাকে গিনি স্রোত বলা হয়। এটি একটি উষ্ণ স্রোত। আরও একটি স্রোত রয়েছে তা হলো ইরমিনজার স্রোত। উত্তর মহাসাগর হতে ইরমিনজার নামক একটি শীতল স্রোত আইসল্যান্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূল দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। কিছুদূর গিয়ে এটি উত্তর আটলান্টিক স্রোতের উত্তর দিকের কতিপয় ঘূর্ণাবর্তের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়। সুতরাং বলা যায়, উল্লিখিত স্রোতগুলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বিভিন্ন বায়ু ও স্থলভাগের প্রভাবে বৈচিত্র্যময় অবস্থার সৃষ্টি করে।

উত্তর

মানবজীবনে সমুদ্রস্রোতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো: নাতিশীতোষ্ণ এবং হিমমণ্ডলের অনেক সমুদ্রে শীতকালে পানি জমে বরফ হয়ে যায়। এরূপ অঞ্চলে উষ্ণস্রোত প্রবাহিত হলে সমুদ্রের পানি বরফে পরিণত হতে পারে না। যেমন- উপসাগরীয় উষ্ণ স্রোতের দরুন নরওয়ের উত্তর উপকূলে শীতকালেও বরফ জমে না। সুতরাং বন্দরগুলোর পথ বন্ধ হতে পারে না। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর হয়। সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের উপর সমুদ্রস্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। স্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালিয়ে অতি শীঘ্রই গন্তব্য স্থানে যাওয়া যায়। এতে সুলভে মালপত্র রপ্তানি ও আমদানি করা সহজ হয়। হিমশৈল উষ্ণ স্রোতের সংস্পর্শে আসলে গলে যায় এবং তার সাথে প্রবাহিত মাটি, কাদা, উদ্ভিদ প্রভৃতি পানির তলদেশে সঞ্চিত হয়ে চড়াভূমির সৃষ্টি করে। যেমন- নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকটে এরূপ এক বিরাট চড়ার সৃষ্টি হয়ে মৎস্যক্ষেত্র গড়ে উঠেছে। ফলে এ অঞ্চল মৎস্য ব্যবসায় প্রসিদ্ধ। মগ্ন চড়ার নিকট উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থল মাছের প্রিয় খাদ্য প্লাঙ্কটন বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। যেমন-নিউফাউন্ডল্যান্ড, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, নরওয়ে ও জাপান উপকূলে মৎস্যশিল্প গড়ে উঠার পশ্চাতে রয়েছে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলন। সমুদ্র তীরবর্তী দেশসমূহের জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। যেসব দেশের নিকট দিয়ে উষ্ণ স্রোত প্রবাহিত হয় সেসব দেশের উত্তাপ বেশি থাকে এবং উষ্ণ স্রোতের উপর প্রবাহিত বায়ুতে অধিক জলীয়বাষ্প থাকে। ফলে স্থলভাগের উপর দিয়ে জলীয়বাষ্প প্রবাহিত হওয়ার সময় বৃষ্টিপাত ঘটায়। এতে সেখানে ফসল অনেক ভালো হয়। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা হতে বলা যায়, সমুদ্রস্রোত মানবজীবনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইতিবাচক প্রভাববিস্তার করে। তাই মানবজীবনে সমুদ্রস্রোতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য উক্তিটি যুক্তিযুক্ত।
HSCGeography 1st PaperChapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জোয়ার কাকে বলে?

জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।