শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকে উল্লিখিত সাগরটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।”-বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের উল্লিখিত 'ক' চিহ্নিত সাগর অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। এর গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: বাংলাদেশের মোট আমিষের চাহিদার একটি বড় অংশ আসে বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক মাছ থেকে। ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও চিংড়ি আহরণ করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। বাংলাদেশের দুটি প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং নতুন পায়রা বন্দর সঙ্গোপসাগরের মাধ্যমেই বিশ্ব বাণিজ্যের সাথে যুক্ত। দেশের আমদানি-রপ্তানির ৯০ শতাংশের বেশি এই পথেই সম্পন্ন হয়। উপকূলে লবণ উৎপাদন এবং কক্সবাজার ও কুয়াকাটার মত বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বঙ্গোপাগরকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। এ সাগরের তলদেশে জলমগ্ন পাহাড় ও শৈলশিরা না থাকায় বাধাহীনভাবে সমুদ্রগামী জাহাজগুলো দ্রুত চলাচল করতে পারে। এতে এ সমুদ্রের উপকূলবর্তী দেশগুলোর সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নতি ও প্রসার ঘটেছে। উপরিউক্ত বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পদ সরবরাহের জন্য বঙ্গোপসাগরের তলদেশ বিপুল সম্ভাবনাময়। বঙ্গোপসাগর কেবল একটি জলরাশি নয়, এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এক বিশাল ভান্ডার।

HSC Geography 1st Paper অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · অধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

"উদ্দীপকে উল্লিখিত সাগরটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূ…

উদ্দীপক

question image

উত্তর

চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে নির্দিষ্ট সময় পর পর পর্যায়ক্রমে সমুদ্রের পানিরাশির স্ফীতি ও অবনমনকে জোয়ারভাটা বলে।

উত্তর

সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে (শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষে) চাঁদ ও সূর্য সমকোণে (৯০০) থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে অর্থাৎ পরস্পর পরস্পরের আকর্ষণের বিরোধিতা করে। এজন্য এই দু-দিন চাঁদের আকর্ষণে মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার দুটিই কম হয়। একে বলে মরা জোয়ার বা মরা কটাল।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত যার ভূমিরূপ বৈচিত্র্যপূর্ণ। বঙ্গোপসাগরের মহীঢাল এলাকায় খাড়া ঢাল বিশিষ্ট অবস্থানজনিত একটি গভীর নিমগ্ন খাত রয়েছে। এটি প্রায় ১২ কিমি. চওড়া এবং প্রায় ১২৭০ মিটার গভীর। এছাড়া প্রচন্ড ঢেউয়ের প্রভাবে পলল মহীসোপান জমা হয়ে চরাভূমি গঠন করে। বঙ্গোপসাগরে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামে একটি গভীর গিরিখাত; ৯০ ডিগ্রি পূর্ব শৈলশিরা, মায়ানমার ও চ্যাগোস পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রখাত ও কতিপয় নিমজ্জিত চরাভূমি। বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের গভীরতা সর্বত্র ২০০ মিটারের কম। দক্ষিণ-পূর্বাংশের মহীসোপান খুবই চওড়া।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত 'ক' চিহ্নিত সাগর অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। এর গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: বাংলাদেশের মোট আমিষের চাহিদার একটি বড় অংশ আসে বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক মাছ থেকে। ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও চিংড়ি আহরণ করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। বাংলাদেশের দুটি প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং নতুন পায়রা বন্দর সঙ্গোপসাগরের মাধ্যমেই বিশ্ব বাণিজ্যের সাথে যুক্ত। দেশের আমদানি-রপ্তানির ৯০ শতাংশের বেশি এই পথেই সম্পন্ন হয়। উপকূলে লবণ উৎপাদন এবং কক্সবাজার ও কুয়াকাটার মত বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বঙ্গোপাগরকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। এ সাগরের তলদেশে জলমগ্ন পাহাড় ও শৈলশিরা না থাকায় বাধাহীনভাবে সমুদ্রগামী জাহাজগুলো দ্রুত চলাচল করতে পারে। এতে এ সমুদ্রের উপকূলবর্তী দেশগুলোর সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নতি ও প্রসার ঘটেছে। উপরিউক্ত বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পদ সরবরাহের জন্য বঙ্গোপসাগরের তলদেশ বিপুল সম্ভাবনাময়। বঙ্গোপসাগর কেবল একটি জলরাশি নয়, এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এক বিশাল ভান্ডার।
HSCGeography 1st Paperঅধ্যায়-৭ : বারিমণ্ডল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মহসিন বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন ও গবেষণা বোর্ড-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনে বিভিন্ন মহাদেশীয় ভূভাগে পানি সরবরাহ বিষয়ক আলোচনা হয়। কেননা, পৃথিবীতে মানুষসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানির গুরুত্ব সর্বাধিক। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রস্বেদনের জন্যও পানির প্রয়োজন রয়েছে।
ক
মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?
খ
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গ
একটি মহাদেশের পানি সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে কোন ধরনের অসুবিধা হবে? বর্ণনা কর।
ঘ
পৃথিবীতে মানুষ ও জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পানিচক্রের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

মানুষের শরীরে শতকরা কতভাগ পানি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আসমা তার মামার সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আসমা তার মামাকে জিজ্ঞাসা করে বৃষ্টির পানি কোথা হতে আসে? মামা বললেন সাগর/নদীর পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয় তারপর বৃষ্টি হয়। আসমা মামাকে আরও, জিজ্ঞাসা করে সাগরের পানি শেষ হয় না কেন? মামা তাকে জানায় বৃষ্টির পানি, ঝরনার পানি, নদীর পানি ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে আবার সাগরে চলে যায়। একইভাবে আবার বাষ্প হয়ে মেঘ, বৃষ্টি ইত্যাদি হয়। এটি পানিচক্র।
ক
পানিচক্র কী?
খ
বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?
গ
ভূগর্ভস্থ পানির উৎস কী?
ঘ
পানিচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কী ভূমিকা রাখে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

বৃষ্টির পানির উৎস কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?
খ
অধঃপতন কী?
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image
ক
পানিচক্র কী?
খ
অধঃপতন কী?
গ
উদ্দীপকে চিত্রে প্রদর্শিত ঘটনাটির প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ কর।
ঘ
জীবজগতের ওপর উক্ত ঘটনার ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.অধঃপতন কী?

অধঃপতন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পানিচক্র কী?

পানিচক্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।