শেয়ারFacebookWhatsApp

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উদ্দীপকের তন্ত্রটির ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের তন্ত্রটি হলো ইমিউনতন্ত্র। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য তন্ত্রটির ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক নাসিকা ছিদ্র, মুখ ছিদ্র, ত্বক, জনন ছিদ্র ইত্যাদির মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করে আবার আমাদের অজান্তেই অধিকাংশ জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। দেহের ভিতরে ও বাইরে রোগ জীবাণু ধ্বংসের এক জটিল ব্যবস্থাপনা রয়েছে যা ইমিউনতন্ত্র নামে পরিচিত। মানবদেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ৩টি স্তরে বিভক্ত করা যায়। যথা: ১. প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরে ত্বক, সিলিয়া ও মিউকাস, লোম, লাইসোজাইম এনজাইম, সিরুমেন, পৌষ্টিক নালির এসিড, রক্ত তঞ্চন, রেচন- জননতন্ত্রের এসিড ইত্যাদি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে দেহকে রোগজীবাণু মুক্ত রাখে। ২. দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: নিম্নলিখিত ৬ ধরনের নন-স্পিসিফিক ২ প্রতিরক্ষা পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর গঠিত। যেমন- ফ্যাগোসাইট, সহজাত মারণকোষ, প্রদাহ, কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারফেরন ও জ্বর। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে দেহের ভিতরে বিদ্যমান জীবাণু ধ্বংস হয়ে থাকে যদিও ধ্বংস না হয় তবে তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর কাজ করে। ৩. তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর বহিরাগত অণুজীব বা কণা কোনোভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর অতিক্রম করে দেহে অনুপ্রবিষ্ট হলে প্রতিরক্ষা স্তরের সর্বোত্তম সক্রিয়, শক্তিশালী ও স্থায়ী অনাক্রম্য সাড়ার সম্মুখীন হয়। তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর সহজাত ও অর্জিত এ দুই ধরনের। সহজাত যা জন্মগতভাবে প্রাপ্ত আর অর্জিত যা ভ্যাক্সিন বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত। সুতরাং বলা যায় মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ইমিউনতন্ত্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 10: মানবদেহের প্রতিরক্ষা ℹ️ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 10: মানবদেহের প্রতিরক্ষা ℹ️ · সৃজনশীল

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উদ্দীপকের তন্ত্রটির ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ডাক্তার সাহেব রোগীদের বললেন যে, দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে দুইভাবে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। যার একটি জন্মগত এবং অপরটি অর্জিত। এ দুই ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থাই হলো ইমিউনতন্ত্র। [ রাজশাহী বোর্ড ২০১৬ ]

উত্তর

চার্লস রবার্ট ডারউইন একজন ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী। যিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব ও জৈব বিবর্তনের প্রবক্তা।

উত্তর

মেমোরি কোষ হলো কতকগুলো বিশেষ ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যারা মানুষের অনাক্রম্যতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে। এরা মানবদেহে রোগ ও সংক্রমণ সৃষ্টিকারী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ভূমিকা পালন করে দেহের প্রতিরক্ষায় অংশগ্রহণ করে। মানুষের অনাক্রম্যতন্ত্রে প্রধানত দুই ধরনের মেমোরি কোষ থাকে যথা: মেমোরি T কোষ এবং মেমোরি B কোষ।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুটি হলো জন্মগত বা সহজাত এবং অপরটি অর্জিত। নিচে সহজাত এবং অর্জিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুটির মধ্যে ভিন্নতা তুলে ধরা হলো- ১. জন্মের সময় মানুষের দেহে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকে তাকে সহজাত প্রতিরক্ষা বলে। অন্যদিকে টিকার মাধ্যমে দেহে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি হয় তাকে অর্জিত প্রতিরক্ষা বলে। ২. সহজাত প্রতিরক্ষার অনাক্রম্যতা প্রদায়ী উপাদান জিনঘটিত বা শারীরবৃত্তীয়, অপরদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষার উপাদান অ্যান্টিজেন প্রণোদিত। ৩. সহজাত প্রতিরক্ষা জিনের বহিঃপ্রকাশ দ্বারা আবির্ভূত হয়, অন্যদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষা টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে আবির্ভূত হয়। ৪. সহজাত প্রতিরক্ষা জীবাণু প্রবেশের কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার মধ্যে সাড়া প্রদান করে, অন্যদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষা অ্যান্টিবডি পাওয়ার ৫-১৪ দিন পর সাড়া প্রদান করে। ৫. সহজাত প্রতিরক্ষার মেমোরি সাড়া প্রদান করে না, অন্যদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষার মেমোরি সাড়া প্রদান করে। ৬. সহজাত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে রক্ত বা কলারসের দ্রবীভূত উপাদান হলো অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পেপটাইড ও প্রোটিন, অন্যদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে রক্ত বা কলা রসের দ্রবীভূত উপাদান হলো অ্যান্টিবডি। ৭. সহজাত প্রতিরক্ষার প্রধান কোষীয় উপাদান হলো ফ্যাগোসাইটস, কিলারকোষ, ডেনড্রাইট কোষ, অন্যদিকে অর্জিত প্রতিরক্ষার প্রধান কোষীয় উপাদান হলো- B-লিম্ফসাইট ও T-লিম্ফসাইট।

উত্তর

উদ্দীপকের তন্ত্রটি হলো ইমিউনতন্ত্র। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য তন্ত্রটির ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক নাসিকা ছিদ্র, মুখ ছিদ্র, ত্বক, জনন ছিদ্র ইত্যাদির মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করে আবার আমাদের অজান্তেই অধিকাংশ জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। দেহের ভিতরে ও বাইরে রোগ জীবাণু ধ্বংসের এক জটিল ব্যবস্থাপনা রয়েছে যা ইমিউনতন্ত্র নামে পরিচিত। মানবদেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ৩টি স্তরে বিভক্ত করা যায়। যথা: ১. প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরে ত্বক, সিলিয়া ও মিউকাস, লোম, লাইসোজাইম এনজাইম, সিরুমেন, পৌষ্টিক নালির এসিড, রক্ত তঞ্চন, রেচন- জননতন্ত্রের এসিড ইত্যাদি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে দেহকে রোগজীবাণু মুক্ত রাখে। ২. দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: নিম্নলিখিত ৬ ধরনের নন-স্পিসিফিক ২ প্রতিরক্ষা পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর গঠিত। যেমন- ফ্যাগোসাইট, সহজাত মারণকোষ, প্রদাহ, কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারফেরন ও জ্বর। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে দেহের ভিতরে বিদ্যমান জীবাণু ধ্বংস হয়ে থাকে যদিও ধ্বংস না হয় তবে তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর কাজ করে। ৩. তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর বহিরাগত অণুজীব বা কণা কোনোভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর অতিক্রম করে দেহে অনুপ্রবিষ্ট হলে প্রতিরক্ষা স্তরের সর্বোত্তম সক্রিয়, শক্তিশালী ও স্থায়ী অনাক্রম্য সাড়ার সম্মুখীন হয়। তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর সহজাত ও অর্জিত এ দুই ধরনের। সহজাত যা জন্মগতভাবে প্রাপ্ত আর অর্জিত যা ভ্যাক্সিন বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত। সুতরাং বলা যায় মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ইমিউনতন্ত্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 10: মানবদেহের প্রতিরক্ষা ℹ️
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের সৈনিক যেমন বাহিরের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করে তেমনিভাবে মানবদেহে বহিঃবস্তুর প্রবেশের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ প্রতিরক্ষাকারী বস্তুর সৃষ্টি হয়, যা ঐ নির্দিষ্ট বহিঃবস্তুকে ধ্বংস করে। এসব বহিঃশত্রু শরীরে প্রবেশের সময় ধাপে ধাপে বাঁধার সম্মুখীন হয়। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া]
ক
স্মৃতি কোষ কী?
খ
ভ্যাক্সিন বলতে কী বুঝ?
গ
উদ্দীপকের আলোকে মানবদেহে সৃষ্ট প্রতিরক্ষাকারী বস্তুর গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শত্রুসমূহ শরীরে প্রবেশের সময় প্রথম ধাপে কোন কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্মুখীন হয় তা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের সৈনিক যেমন বাহিরের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করে তেমনিভাবে মানবদেহে বহিঃবস্তুর প্রবেশের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ প্রতিরক্ষাকারী বস্তুর সৃষ্টি হয়, যা ঐ নির্দিষ্ট বহিঃবস্তুকে ধ্বংস করে। এসব বহিঃশত্রু শরীরে প্রবেশের সময় ধাপে ধাপে বাঁধার সম্মুখীন হয়। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া]
ক
স্মৃতি কোষ কী?
খ
ভ্যাক্সিন বলতে কী বুঝ?
গ
উদ্দীপকের আলোকে মানবদেহে সৃষ্ট প্রতিরক্ষাকারী বস্তুর গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শত্রুসমূহ শরীরে প্রবেশের সময় প্রথম ধাপে কোন কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্মুখীন হয় তা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভ্যাক্সিন বলতে কী বুঝ?

ভ্যাক্সিন বলতে কী বুঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.স্মৃতি কোষ কী?

স্মৃতি কোষ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্তর। প্রতিরক্ষা দানকারী। প্রতিটি এন্টিবডি এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো টিকা প্রদান। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা ]
ক
ফিটাস কী?
খ
নন-স্পেসিফিক স্তর বলতে কী বুঝ?
গ
উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ প্রোটিনের গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষ লাইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের প্রতিরক্ষার জন্য রয়েছে বিভিন্ন স্তর। প্রতিরক্ষা দানকারী। প্রতিটি এন্টিবডি এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো টিকা প্রদান। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা ]
ক
ফিটাস কী?
খ
নন-স্পেসিফিক স্তর বলতে কী বুঝ?
গ
উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ প্রোটিনের গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষ লাইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নন-স্পেসিফিক স্তর বলতে কী বুঝ?

নন-স্পেসিফিক স্তর বলতে কী বুঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ফিটাস কী?

ফিটাস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় পলি ও সুমির রক্তের প্রয়োজন দেখা দিল। ঘটনাক্রমে রক্তদাতা ছিলেন হেপাটাইসিস 'B′B^{\prime} ভাইরাস আক্রান্ত। পলির পূর্বেই টিকা নেওয়া থাকায় কোনো সমস্যা না হলেও সুমি কিছুদিন পর সংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা ]
ক
ট্রাইসোমি কী?
খ
ABO ব্লাড গ্রুপ বলতে কী বুঝ?
গ
সুমির রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ লিখ।
ঘ
"বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পলি রোগমুক্ত।"- বাক্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় পলি ও সুমির রক্তের প্রয়োজন দেখা দিল। ঘটনাক্রমে রক্তদাতা ছিলেন হেপাটাইসিস 'B′B^{\prime} ভাইরাস আক্রান্ত। পলির পূর্বেই টিকা নেওয়া থাকায় কোনো সমস্যা না হলেও সুমি কিছুদিন পর সংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা ]
ক
ট্রাইসোমি কী?
খ
ABO ব্লাড গ্রুপ বলতে কী বুঝ?
গ
সুমির রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ লিখ।
ঘ
"বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পলি রোগমুক্ত।"- বাক্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ABO ব্লাড গ্রুপ বলতে কী বুঝ?

ABO ব্লাড গ্রুপ বলতে কী বুঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ট্রাইসোমি কী?

ট্রাইসোমি কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।