শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে চিহ্নিত 'ক' অঞ্চল 'খ' অঞ্চল অপেক্ষা কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' অঞ্চলগুলো হলো সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি এবং টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে 'ক' অঞ্চল তথা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী। টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, পাহাড়ি এলাকাগুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এখানকার পার্বত্যভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী নয়। স্থানীয় অধিবাসিগণ জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। এ পদ্ধতিতে কোনো স্থানে জঙ্গল কেটে চাষাবাদ করা হয় এবং কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর উক্ত জমি ত্যাগ করে অন্যস্থান পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। এ ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতিই 'জুম চাষ' নামে পরিচিত। পার্বত্য অঞ্চলে ধান, চা, রাবার, আনারস, বাঁশ, বেতের চাষ হলেও সামগ্রিকভাবে এ অঞ্চলের ভূমি কৃষি অনুপোযোগী। বাংলাদেশের সমগ্র ভূভাগের ৮০% ভূভাগ নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত; যা সাম্প্রতিককালের সৃষ্টি হয়েছে। নদী দ্বারা চিত্রের 'ক' চিহ্নিত অঞ্চল তথা কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ অঞ্চলের ভূমিগুলো সৃষ্টি হয় বলে বেশিরভাগ ভূমিতেই পলি জমা হয় এবং ভূভাগগুলো উর্বর প্রকৃতির হয়। তাছাড়া এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতির অধিকাংশই প্রায় সমতল ধরনের। মাটির উর্বরতা ও সমতল ভূমির কারণে এসব ভূমিতে কৃষিকাজের অনুকূল অবস্থা বিরাজ করে। এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য ও অর্থকরী ফসলের চাষাবাদ করা যায়। খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান, গম, ভুট্টা প্রভৃতি অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, ইক্ষু প্রভৃতি চাষ করা হয়। কৃষিকাজের সাথে এ অঞ্চলের মানুষগুলো তাদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। কৃষির সাথে সম্পৃক্ত যেসব কর্মকাণ্ড যেমন- আবাদি জমিতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য ও উন্নত জাতর ফলমূল চাষাবাদ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে।' তাই বলা যায়, টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির মধ্যে কৃষিকাজের জন্য সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিই অধিক উপযোগী।

HSC Geography 1st Paper Chapter 2 : পৃথিবীর গঠন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 2 : পৃথিবীর গঠন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে চিহ্নিত 'ক' অঞ্চল 'খ' অঞ্চল অপেক্ষা কৃষিকাজের জন্য অধিক উপ…

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2021

উত্তর

সমুদ্রপৃষ্ঠের ন্যায় একই সমতলে বা সামান্য উচ্চে অবস্থিত বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে সমভূমি বলে।

উত্তর

লৌহ অক্সাইডের উপস্থিতির জন্যই লালমাই পাহাড়ের মৃত্তিকা লালচে বর্ণের হয়। মাটিতে বৃষ্টিপাতের ফলে ধৌত প্রক্রিয়ায় সিলিকা মাটির নিচের স্তরে চলে যায় এবং উপরের স্তরে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের আধিক্য দেখা যায়। মূলত লৌহ অক্সাইডের উপস্থিতির জন্যই লালমাই পাহাড়ের মাটির রং লাল হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' চিহ্নিত অঞ্চল হলো টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। নিচে এ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এ পাহাড়সমূহ বিশাল পাললিক সমভূমি সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক দিয়ে বৈচিত্র্যময় ও অপরূপ করে তুলেছে। ভাঁজগ্রস্ত এ পাহাড়গুলো উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে অবস্থিত। পাহাড়ের মাঝে মাঝে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা বিদ্যমান। এ উপত্যকা দিয়ে পার্বত্য নদীগুলো পাহাড়সমূহ বরাবর প্রবাহিত হয়েছে এবং পরে মোড় ফিরিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এ নদীগুলো হলো কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালং, নাফ প্রভৃতি। পাহাড়ী এলাকার নদীগুলো বেশ খরস্রোতা, তাই পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী। ফলে কর্ণফুলী নদীর উজানে কাপ্তাইয়ে বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন সহজ হয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড পাহাড়ের গায়ে কতিপয় উষ্ণ প্রস্রবণ আছে। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬০০ মিটার। কিন্তু পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' অঞ্চলগুলো হলো সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি এবং টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে 'ক' অঞ্চল তথা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী। টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, পাহাড়ি এলাকাগুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এখানকার পার্বত্যভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী নয়। স্থানীয় অধিবাসিগণ জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। এ পদ্ধতিতে কোনো স্থানে জঙ্গল কেটে চাষাবাদ করা হয় এবং কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর উক্ত জমি ত্যাগ করে অন্যস্থান পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। এ ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতিই 'জুম চাষ' নামে পরিচিত। পার্বত্য অঞ্চলে ধান, চা, রাবার, আনারস, বাঁশ, বেতের চাষ হলেও সামগ্রিকভাবে এ অঞ্চলের ভূমি কৃষি অনুপোযোগী। বাংলাদেশের সমগ্র ভূভাগের ৮০% ভূভাগ নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত; যা সাম্প্রতিককালের সৃষ্টি হয়েছে। নদী দ্বারা চিত্রের 'ক' চিহ্নিত অঞ্চল তথা কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ অঞ্চলের ভূমিগুলো সৃষ্টি হয় বলে বেশিরভাগ ভূমিতেই পলি জমা হয় এবং ভূভাগগুলো উর্বর প্রকৃতির হয়। তাছাড়া এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতির অধিকাংশই প্রায় সমতল ধরনের। মাটির উর্বরতা ও সমতল ভূমির কারণে এসব ভূমিতে কৃষিকাজের অনুকূল অবস্থা বিরাজ করে। এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য ও অর্থকরী ফসলের চাষাবাদ করা যায়। খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান, গম, ভুট্টা প্রভৃতি অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, ইক্ষু প্রভৃতি চাষ করা হয়। কৃষিকাজের সাথে এ অঞ্চলের মানুষগুলো তাদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। কৃষির সাথে সম্পৃক্ত যেসব কর্মকাণ্ড যেমন- আবাদি জমিতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য ও উন্নত জাতর ফলমূল চাষাবাদ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে।' তাই বলা যায়, টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির মধ্যে কৃষিকাজের জন্য সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিই অধিক উপযোগী।
HSCGeography 1st PaperChapter 2 : পৃথিবীর গঠন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
পর্বত কাকে বলে?
খ
মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
পর্বত হিসাবে 'ক' চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
পর্বত কাকে বলে?
খ
মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
পর্বত হিসাবে 'ক' চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পর্বত কাকে বলে?

পর্বত কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।
খ
জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।
খ
জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।

জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।

ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?
খ
ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ক চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের খ ও গ চিহ্নিত স্তর দুটোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?
খ
ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ক চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের খ ও গ চিহ্নিত স্তর দুটোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?

ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।