শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্ভিদের 'T” স্তরটি দূষিত হবার কারণ— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: উদ্দীপকে বায়ুদূষণকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বায়ুতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় উপাদান (O2, N2, CO2, H2O) নির্দিষ্ট অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। যদি কোনো কারণে বায়ুতে গ্যাসের (CO2, SO2) ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে তখনই বায়ু দূষিত হয় । বায়ুদূষণের বিভিন্ন কারণ রয়েছে যা সরাসরি বায়ুকে দূষিত করছে। যেমন— নগরায়ণ, শিল্পায়ন, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা, খোলা স্থানের আবর্জনা ইত্যাদি। CO2 একটি গ্রিন হাউস গ্যাস। কলকারখানার চিমনি দিয়ে নির্গত ধোঁয়ায় এ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান। এছাড়া পরিবহন (বাস, ট্রাক) ও শিল্পক্ষেত্রে (লৌহ ও ইস্পাত) নির্গত ধোঁয়া থেকে বাতাস দূষিত হয়। বিভিন্ন তৈল জাতীয় জ্বালানিসমূহের দহন ক্রিয়ার (combustion) ফলে সীসা, তামা, জিংক ইত্যাদি মিশ্রিত গ্যাস, কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্যাস সৃষ্টি হচ্ছে। SO2 বায়ুর সাথে মিশে এসিড (H2SO4) বৃষ্টির মাধ্যমে জীবকুলের ক্ষতি করে; অন্যদিকে CFC গ্যাস (রেফ্রিজারেটর, এয়ারকুলার প্রভৃতি থেকে নির্গত) বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরকে ক্রমশ ধ্বংস করছে। এছাড়া উদ্ভিদের পরাগরেণু বায়ুতে মিশে বায়ুকে দূষিত করছে। সুতরাং বলা যায়, বায়ু দূষণের বিবিধ কারণ রয়ছে। তবে মানুষ সচেতন হলে তা অনেকটাই প্রতিরোধ করতে পারে ।

HSC Geography 1st Paper Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ · সৃজনশীল

উদ্ভিদের 'T” স্তরটি দূষিত হবার কারণ— ব্যাখ্যা করো ।

উদ্দীপক

সৌরজগতের তৃতীয়তম গ্রহ হচ্ছে P। এই গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের "T" নামক স্তরটির উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য যাবতীয় উপাদান বিদ্যমান। কিন্তু মানুষের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে উদ্ভূত গ্যাস দ্বারা 'T′T^{\prime} স্তরের জলবায়ুর একটি বিশেষ উপাদান প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। যা উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

উত্তর

যে সকল পদার্থের দ্বারা বায়ুর উপাদান দূষিত হয় তাদেরকে দূষক বলে।

উত্তর

বায়ু দূষণের মাত্রা কম হলেও ধীরে ধীরে তা উদ্ভিদ প্রজাতির গঠনে পরিবর্তন আনে। এছাড়া বায়ুদূষক উদ্ভিদ প্রজাতির উপর সজ্জিত হয়ে খাদ্য শৃঙ্খলে প্রবেশ করে থাকে। ফলে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল প্রাণিজগত বিপর্যস্ত হয়। এছাড়া বায়ুদূষক উদ্ভিদের পাতা, কচি ডগায় আক্রমণ চালিয়ে সৌন্দর্য বিনষ্ট করে থাকে। সুতরাং বায়ুদূষণ উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে ।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুদূষণকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বায়ুতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় উপাদান (O2, N2, CO2, H2O) নির্দিষ্ট অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। যদি কোনো কারণে বায়ুতে গ্যাসের (CO2, SO2) ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে তখনই বায়ু দূষিত হয় । বায়ুদূষণের বিভিন্ন কারণ রয়েছে যা সরাসরি বায়ুকে দূষিত করছে। যেমন— নগরায়ণ, শিল্পায়ন, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা, খোলা স্থানের আবর্জনা ইত্যাদি। CO2 একটি গ্রিন হাউস গ্যাস। কলকারখানার চিমনি দিয়ে নির্গত ধোঁয়ায় এ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান। এছাড়া পরিবহন (বাস, ট্রাক) ও শিল্পক্ষেত্রে (লৌহ ও ইস্পাত) নির্গত ধোঁয়া থেকে বাতাস দূষিত হয়। বিভিন্ন তৈল জাতীয় জ্বালানিসমূহের দহন ক্রিয়ার (combustion) ফলে সীসা, তামা, জিংক ইত্যাদি মিশ্রিত গ্যাস, কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্যাস সৃষ্টি হচ্ছে। SO2 বায়ুর সাথে মিশে এসিড (H2SO4) বৃষ্টির মাধ্যমে জীবকুলের ক্ষতি করে; অন্যদিকে CFC গ্যাস (রেফ্রিজারেটর, এয়ারকুলার প্রভৃতি থেকে নির্গত) বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরকে ক্রমশ ধ্বংস করছে। এছাড়া উদ্ভিদের পরাগরেণু বায়ুতে মিশে বায়ুকে দূষিত করছে। সুতরাং বলা যায়, বায়ু দূষণের বিবিধ কারণ রয়ছে। তবে মানুষ সচেতন হলে তা অনেকটাই প্রতিরোধ করতে পারে ।

উত্তর

জীবনধারণ ও বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান বায়ু। কিন্তু তা দূষিত হলে আমাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। উদ্দীপকে নজীব বায়ু দূষণের কারণে অস্বস্তির মধ্যে পড়ে। বায়ুদূষণের ফলে বিভিন্ন দূষক পদার্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এতে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। যথা- i. যানবাহন থেকে নির্গত নানা ধরনের গ্যাসীয় পদার্থের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) উল্লেখযোগ্য। এ গ্যাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রক্তের অক্সিজেন সঞ্চালন ক্ষমতা হ্রাস পায় । ii. জ্বালানি তেল ও কয়লা দহনের দরুন সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) উৎপন্ন হয়। এতে শ্বাসকষ্ট, মাথা ধরা, বমি বমি ভাব হয়। iii. রাসায়নিক ও পেট্রোক্যামিকেল কারখানায় যেমন: ইনসুলেটর কারখানা থেকে উৎপন্ন হাইড্রোজেন সালফাইড (HS) গ্যাস চোখ ও গলার ক্ষতি করে।
iv. তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্গত সূক্ষ্ম ধূলিকণা ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে । বিস্ফোরক দ্রব্য, রঙ, সার প্রভৃতি উৎপাদনের সময় যে অ্যামোনিয়া (NH3) নির্গত হয়, তা মানুষের শ্বাসনালীর ক্ষতি করে। সুতরাং বলা যায় যে, বায়ু দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এজন্য বায়ুদূষণ রোধে আমাদের সচেতন হতে হবে।
HSCGeography 1st PaperChapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দূষণ কী?

দূষণ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।দূষণ কী?উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।