শেয়ারFacebookWhatsApp

মুক্তিযুদ্ধ।

উত্তর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর মধ্য দিয়েই বহু বছর ধরে চলা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন পূর্ণতা পায়। অসংখ্য মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি সৃষ্টি হয়েছিল সেই ১৯৪৭ সাল থেকেই। ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল তখন। পাকিস্তানের পূর্ব অংশে ছিল বাংলাভাষী মানুষের অবস্থান। শুরু থেকেই এই অংশের মানুষকে পরাধীন করে রাখে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। কেড়ে নেওয়া হয় তাদের সমস্ত অধিকার। শোষিত, বঞ্চিত বাঙালি তখন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নামে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির মাঝে স্বাধিকার চেতনার উন্মেষ ঘটে। একে একে আসে '৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন এবং '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান। এরপর ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় লাভকরলেও বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে ফুঁসে ওঠে পোটা জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে নির্দেশ দেন। এরপর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনের নীলনকশা করলে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাত শেষে, অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বারুদু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার পরেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে। এর কিছু আগে অর্থাৎ ২৫শে মার্চ রাতের প্রথম ভাগেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের ঘুমন্ত, নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণ দলে দলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। দেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করে শুরু হয় তুমুল লড়াই। পরবর্তী ৯ মাস মুক্তিবাহিনী বিপুল পরাক্রমে প্রতিরোধ করে; বিপরীতে চলে হানাদারদের আগ্রাসন। অবশেষে, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমরা অর্জন করি চূড়ান্ত বিজয়। এ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রাণ দিয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ। তাই মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবচেয়ে বড়ো প্রেরণার নাম। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধ করে, আদর্শের পথে হাঁটতে উদ্বুদ্ধ করে। সেই চেতনাকে ধারণ করে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে আমাদের যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৪ : অনুচ্ছেদ রচনা ও বাংলায় অনুবাদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৪ : অনুচ্ছেদ রচনা ও বাংলায় অনুবাদ · সৃজনশীল

মুক্তিযুদ্ধ।

উত্তর

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর মধ্য দিয়েই বহু বছর ধরে চলা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন পূর্ণতা পায়। অসংখ্য মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি সৃষ্টি হয়েছিল সেই ১৯৪৭ সাল থেকেই। ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল তখন। পাকিস্তানের পূর্ব অংশে ছিল বাংলাভাষী মানুষের অবস্থান। শুরু থেকেই এই অংশের মানুষকে পরাধীন করে রাখে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। কেড়ে নেওয়া হয় তাদের সমস্ত অধিকার। শোষিত, বঞ্চিত বাঙালি তখন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নামে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির মাঝে স্বাধিকার চেতনার উন্মেষ ঘটে। একে একে আসে '৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন এবং '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান। এরপর ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় লাভকরলেও বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে ফুঁসে ওঠে পোটা জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে নির্দেশ দেন। এরপর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনের নীলনকশা করলে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাত শেষে, অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বারুদু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার পরেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে। এর কিছু আগে অর্থাৎ ২৫শে মার্চ রাতের প্রথম ভাগেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের ঘুমন্ত, নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণ দলে দলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। দেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করে শুরু হয় তুমুল লড়াই। পরবর্তী ৯ মাস মুক্তিবাহিনী বিপুল পরাক্রমে প্রতিরোধ করে; বিপরীতে চলে হানাদারদের আগ্রাসন। অবশেষে, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমরা অর্জন করি চূড়ান্ত বিজয়। এ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রাণ দিয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ। তাই মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবচেয়ে বড়ো প্রেরণার নাম। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধ করে, আদর্শের পথে হাঁটতে উদ্বুদ্ধ করে। সেই চেতনাকে ধারণ করে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে আমাদের যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৪ : অনুচ্ছেদ রচনা ও বাংলায় অনুবাদ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.(খ) ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

(খ) ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) মোবাইল ফোন;

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) মোবাইল ফোন;

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) এক কাপ চা।

(খ) এক কাপ চা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) জুলাই অভ্যুত্থান।

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) জুলাই অভ্যুত্থান।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

(খ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) বৈশাখী মেলা।

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) বৈশাখী মেলা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) জন্মদিনের সন্ধ্যা।

(খ) জন্মদিনের সন্ধ্যা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো : (ক) বৈশাখী মেলা;

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো : (ক) বৈশাখী মেলা;

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) মোবাইল ফোন।

(খ) মোবাইল ফোন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) স্বাধীনতা দিবস;

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) স্বাধীনতা দিবস;

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) শিশুশ্রম।

(খ) শিশুশ্রম।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) রেলগাড়ি;

যেকোনো একটি বিষয়ে অনুচ্ছেদ রচনা করো: (ক) রেলগাড়ি;

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

মুক্তিযুদ্ধ। | Prosthuti