শেয়ারFacebookWhatsApp

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর।

উত্তর: 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' শীর্ষক আলোচনা সভা গণতন্ত্র ও মানবাধিকার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানিত আলোচকবৃন্দ ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ সবার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সুধীমণ্ডলী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার একটির সঙ্গে অপরটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গণতন্ত্র ছাড়া মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই যেখানে মানুষ মানবাধিকার বঞ্চিত সেখানে গণতন্ত্রও ভুলুণ্ঠিত। সম্মানিত সুধীমণ্ডলী রাষ্ট্র পরিচালনার আধুনিক ও সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য শাসনব্যবস্থা হলো গণতন্ত্র। এ শাসনব্যবস্থায় জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। জনপ্রতিনিধিগণ জনগণের কল্যাগের জন্য কাজ করে। যেহেতু গণতন্ত্র জনগণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান ক্ষমতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত থাকে। অপরদিকে মানবাধিকার হলো সর্বজনস্বীকৃত মানুষের কিছু মৌলিক অধিকার। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ-ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিত করাই মানবাধিকারের মর্মবাণী। প্রিয় সুধীমণ্ডলী মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ সমাজবদ্ধভাবে একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে বাস করে আসছে। সমাজবদ্ধভাবে বসবাসের জন্য মানব সন্তান জন্মগতভাবেই কিছু সুযোগ সুবিধার দাবিদার যা ব্যতীত মানুষের বাক্তিত্ব বিকশিত হতে পারে না। সর্বজনস্বীকৃত এই সুযোগ সুবিধাই মানবাধিকার। সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিল। যার পরিচয় পাওয়া যায় প্রাচীনতম আইন সংকলক ব্যাবিলনের রাজা হাম্বুরাবির নিয়মাবলিতে মানবাধিকারের ধারণা থেকে। তারপর খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক প্রণীত 'মদিনা সনদ'-এ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে। সকল নাগরিকের সমঅধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি পাওয়া যায়। এছাড়া ১২১৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রণীত হয় ইংল্যান্ডের ম্যাগনাকার্টা' যাকে। বলা হয় মানবাধিকারের প্রথম চাটার। এরপর ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মৌলিক মানবাধিকারসমূহ গৃহীত ও ঘোষিত হয়। সেদিন থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ প্রতি বছর এদিনকে মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করে। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও সত্যিকার মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের মানুষ প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবাধিকার বঞ্চিত। কারণ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও এখনও পর্যন্ত এদেশের মানুষ গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করতে পারেনি। উপস্থিত সুধীমণ্ডলী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন দীর্ঘদিনের। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চা শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাস চরম বেদনাদায়ক। দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, নৈরাজ্য, রাজনীতিক অস্থিরতায় গণতন্ত্র আজ ভুলুণ্ঠিত। ক্ষমতাকে দীর্ঘদিন স্থায়ী করার জন্য মনগড়া আইন প্রণয়ন করছে। ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা ক্ষমতার দাপটে মানুষের অধিকার হরণ করছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ যেমন মানবাধিকার বঞ্চিত হচ্ছে তেমনই বিশ্বের দরবারে দেশবাসীর মাথা নিচু হচ্ছে। প্রিয় সুধীমণ্ডলী বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় দেশেই সঠিক গণতন্ত্র চর্চার অভাবে মানবাধিকার ভুলুণ্ঠিত। এ অবস্থা বেশিদিন চলতে দেওয়া উচিত নয়। তাই আসুন সবাই মিলে সুস্থ গণতন্ত্রের চর্চা করি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করি। তাহলে আশা করা যায়, সমস্ত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এই আশাবাদ ব্যক্ত করে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী একটি ভাষণ তৈরি কর।

উত্তর

'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' শীর্ষক আলোচনা সভা গণতন্ত্র ও মানবাধিকার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানিত আলোচকবৃন্দ ও উপস্থিত সুধীবৃন্দ সবার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সুধীমণ্ডলী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার একটির সঙ্গে অপরটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গণতন্ত্র ছাড়া মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই যেখানে মানুষ মানবাধিকার বঞ্চিত সেখানে গণতন্ত্রও ভুলুণ্ঠিত। সম্মানিত সুধীমণ্ডলী রাষ্ট্র পরিচালনার আধুনিক ও সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য শাসনব্যবস্থা হলো গণতন্ত্র। এ শাসনব্যবস্থায় জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। জনপ্রতিনিধিগণ জনগণের কল্যাগের জন্য কাজ করে। যেহেতু গণতন্ত্র জনগণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান ক্ষমতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত থাকে। অপরদিকে মানবাধিকার হলো সর্বজনস্বীকৃত মানুষের কিছু মৌলিক অধিকার। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ-ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিত করাই মানবাধিকারের মর্মবাণী। প্রিয় সুধীমণ্ডলী মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ সমাজবদ্ধভাবে একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে বাস করে আসছে। সমাজবদ্ধভাবে বসবাসের জন্য মানব সন্তান জন্মগতভাবেই কিছু সুযোগ সুবিধার দাবিদার যা ব্যতীত মানুষের বাক্তিত্ব বিকশিত হতে পারে না। সর্বজনস্বীকৃত এই সুযোগ সুবিধাই মানবাধিকার। সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিল। যার পরিচয় পাওয়া যায় প্রাচীনতম আইন সংকলক ব্যাবিলনের রাজা হাম্বুরাবির নিয়মাবলিতে মানবাধিকারের ধারণা থেকে। তারপর খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক প্রণীত 'মদিনা সনদ'-এ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে। সকল নাগরিকের সমঅধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি পাওয়া যায়। এছাড়া ১২১৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রণীত হয় ইংল্যান্ডের ম্যাগনাকার্টা' যাকে। বলা হয় মানবাধিকারের প্রথম চাটার। এরপর ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মৌলিক মানবাধিকারসমূহ গৃহীত ও ঘোষিত হয়। সেদিন থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ প্রতি বছর এদিনকে মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করে। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও সত্যিকার মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের মানুষ প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবাধিকার বঞ্চিত। কারণ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও এখনও পর্যন্ত এদেশের মানুষ গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করতে পারেনি। উপস্থিত সুধীমণ্ডলী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন দীর্ঘদিনের। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চা শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাস চরম বেদনাদায়ক। দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, নৈরাজ্য, রাজনীতিক অস্থিরতায় গণতন্ত্র আজ ভুলুণ্ঠিত। ক্ষমতাকে দীর্ঘদিন স্থায়ী করার জন্য মনগড়া আইন প্রণয়ন করছে। ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা ক্ষমতার দাপটে মানুষের অধিকার হরণ করছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ যেমন মানবাধিকার বঞ্চিত হচ্ছে তেমনই বিশ্বের দরবারে দেশবাসীর মাথা নিচু হচ্ছে। প্রিয় সুধীমণ্ডলী বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় দেশেই সঠিক গণতন্ত্র চর্চার অভাবে মানবাধিকার ভুলুণ্ঠিত। এ অবস্থা বেশিদিন চলতে দেওয়া উচিত নয়। তাই আসুন সবাই মিলে সুস্থ গণতন্ত্রের চর্চা করি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করি। তাহলে আশা করা যায়, সমস্ত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এই আশাবাদ ব্যক্ত করে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।

একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।

প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।

তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।

'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।

কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।

'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি কর ।

মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

তোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জনতোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্ততোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।