শেয়ারFacebookWhatsApp

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।” - বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু অন্য কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এ ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশকে উপসর্গ বলে। অর্থাৎ যে অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে সে অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশই হলো উপসর্গ। উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- এর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অন্য শব্দের আগে যুক্ত হলে অর্থদ্যোতকতা সৃষ্টি হয়। যেমন: 'অ' একটি উপসর্গ। এটি কোনো নির্দিষ্ট অর্থবাচক শব্দ নয়। তবে অন্য শব্দের আগে বসে এটি অর্থদ্যোতক হয়ে ওঠে। যেমন: 'কাজ' শব্দের আগে 'অ' উপসর্গটি যুক্ত হলে হয় অকাজ, যার অর্থ- নিন্দনীয় কাজ। এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে। এ রকম 'পূর্ণ' (ভরা) শব্দের আগে 'পরি' উপসর্গ যোগ করায় 'পরিপূর্ণ' হলো। এটি 'পূর্ণ' শব্দের সম্প্রসারিত রূপ। 'হার' শব্দের সঙ্গে 'আ' যুক্ত হয়ে 'আহার' (খাওয়া), 'প্র' যুক্ত হয়ে 'প্রহার' (মারা), 'বি' যুক্ত হয়ে 'বিহার' (ভ্রমণ), 'পরি' যুক্ত হয়ে 'পরিহার' (ত্যাগ), 'উপ' যুক্ত হয়ে 'উপহার' (পুরস্কার), 'সম' যুক্ত হয়ে 'সংহার' (হত্যা) ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন শব্দ তৈরি হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো বিভিন্ন অর্থের দ্যোতক। এখানে উল্লেখ্য যে, নাম বা কৃদন্ত শব্দের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে স্বাধীনভাবে থাকলে উপসর্গের কোনো অর্থ নেই। কিন্তু কৃদন্ত বা নাম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলেই আশ্রিত শব্দকে অবলম্বন করে বিশেষ অর্থদ্যোতকতা সৃষ্টি করে। তাই বলা হয়, উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে। ব্যতিক্রম: বাংলা ভাষায় 'অতি' ও 'প্রতি' দুটি উপসর্গের কখনো কখনো স্বাধীন প্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ক. মাথা প্রতি পাঁচ টাকা খরচ। খ. অতি বাড়া ভালো না। অর্থাৎ উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ না থাকলেও অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তা শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করতে পারে। অতএব, আমরা বলতে পারি উক্তিটি যথার্থ।

HSC Bangla 2nd Paper বাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · বাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস) · সৃজনশীল

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।” - বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু অন্য কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এ ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশকে উপসর্গ বলে। অর্থাৎ যে অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে সে অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশই হলো উপসর্গ। উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- এর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অন্য শব্দের আগে যুক্ত হলে অর্থদ্যোতকতা সৃষ্টি হয়। যেমন: 'অ' একটি উপসর্গ। এটি কোনো নির্দিষ্ট অর্থবাচক শব্দ নয়। তবে অন্য শব্দের আগে বসে এটি অর্থদ্যোতক হয়ে ওঠে। যেমন: 'কাজ' শব্দের আগে 'অ' উপসর্গটি যুক্ত হলে হয় অকাজ, যার অর্থ- নিন্দনীয় কাজ। এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে। এ রকম 'পূর্ণ' (ভরা) শব্দের আগে 'পরি' উপসর্গ যোগ করায় 'পরিপূর্ণ' হলো। এটি 'পূর্ণ' শব্দের সম্প্রসারিত রূপ। 'হার' শব্দের সঙ্গে 'আ' যুক্ত হয়ে 'আহার' (খাওয়া), 'প্র' যুক্ত হয়ে 'প্রহার' (মারা), 'বি' যুক্ত হয়ে 'বিহার' (ভ্রমণ), 'পরি' যুক্ত হয়ে 'পরিহার' (ত্যাগ), 'উপ' যুক্ত হয়ে 'উপহার' (পুরস্কার), 'সম' যুক্ত হয়ে 'সংহার' (হত্যা) ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন শব্দ তৈরি হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো বিভিন্ন অর্থের দ্যোতক। এখানে উল্লেখ্য যে, নাম বা কৃদন্ত শব্দের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে স্বাধীনভাবে থাকলে উপসর্গের কোনো অর্থ নেই। কিন্তু কৃদন্ত বা নাম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলেই আশ্রিত শব্দকে অবলম্বন করে বিশেষ অর্থদ্যোতকতা সৃষ্টি করে। তাই বলা হয়, উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে। ব্যতিক্রম: বাংলা ভাষায় 'অতি' ও 'প্রতি' দুটি উপসর্গের কখনো কখনো স্বাধীন প্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ক. মাথা প্রতি পাঁচ টাকা খরচ। খ. অতি বাড়া ভালো না। অর্থাৎ উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ না থাকলেও অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তা শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করতে পারে। অতএব, আমরা বলতে পারি উক্তিটি যথার্থ।
HSCBangla 2nd Paperবাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।

'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :

যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :

যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :

যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।

উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।