শেয়ারFacebookWhatsApp

'সর্বস্তরে মাতৃভাষা চর্চা' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তার ভাষণ রচনা করো।

উত্তর: 'বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা চালু হোক' শীর্ষক ভাষণ প্রিয় শ্রোতা বাংলায় জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও 'যে জন হিংসে বঙ্গবাণী'- তার বিষয়ে মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম কঠোর মন্তব্য করেছিলেন এবং গুরুদণ্ডের সুপারিশও করেছিলেন। মাতৃভাষার প্রতি হিংসা নয়, গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে যুগ যুগ ধরে। নিবিড় সে ভালোবাসার জন্য বাংলা সাহিত্যের বিস্তার ঘটেছে। বাংলা ভাষার যোগ্য মর্যাদাদানের জন্য বাঙালি আত্মবিসর্জন দিয়েছে। হিংসা নয়, ভালোবাসার বিরল ত্যাগের পথ ধরেই বাংলা ভাষা ইতিহাসের সর্বকালের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার আসন লাভ করেছে। এ ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, এ ভাষার জন্য রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে বাঙালির রক্তে। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর বাংলা আজ আমাদের রাষ্ট্রভাষা। সুপ্রিয় বন্ধুগণ আমরা জানি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত বাংলা বরাবরই ছিল পরাধীন। বিদেশি শক্তিই বারবার এ দেশকে শাসন করেছে। ফলে তাদের ভাষাই হয়েছে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা। মুসলিম শাসনামলে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা ছিল ফারসি। এরপর এলো ইংরেজরা এবং সরকারি ভাষা হলো ইংরেজি। তারপর ১৯৫২ সালে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলে উর্দুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। সমবেত সুধী নিজেদের প্রিয় ভাষাটির ব্যাপক ব্যবহারযোগ্যতা প্রমাণের জন্য এ দেশের মানুষকেই তৎপর হতে হবে। সর্বস্তরে সকল কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের যে অনন্য সুযোগটি এসেছে তার সঠিক মর্যাদা প্রদান করতে হবে। কেননা, ভাষাগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারে কোনো বাধা নেই। বাংলা ভাষা ব্যবহারের প্রাথমিক অসুবিধা ক্রমান্বয়ে দূরীভূত হচ্ছে এবং যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে ততই ব্যবহারের উপযোগিতা প্রমাণিত হচ্ছে। কিন্তু বাংলা ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অমনোযোগ আর উদাসীনতা এর প্রতি ভালোবাসার অকৃত্রিমতা সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। উপস্থিত সুধী বিভ্রান্তি এসেছে ভাষারীতির ব্যাপারেও। সাধু ও চলিত- দুটি ভাষারীতি স্বীকৃত। কিন্তু চলিত ভাষারীতি সর্বক্ষেত্রে ব্যবহারে দ্বিধা থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সাধু রীতি থাক না প্রাচীন রীতি হিসেবে! তাকে টেনে এনে মনোভাব প্রকাশে এমনকি সুবিধা! বরং চলিত রীতির প্রয়োগ সর্বজনগ্রাহ্য বলে বিবেচনা করে তার উৎকর্ষ সাধনে তৎপর হওয়া যায়। এতে বিভ্রান্তির অবসান হবে। বিভ্রান্তি আছে বানানের রীতিতেও। সার্থক ব্যবহার, সহজ অনুশীলন ও ভাষার সৌন্দর্যের জন্য বানানের রীতিতে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা সমীচীন। বানানের রীতির একতার জন্য ১৯৩৬ সালে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত বাঙালিকে বিভ্রান্তি থেকে বের করতে পারেনি। খেয়ালখুশির যথেচ্ছাচারের দৃষ্টান্ত আছে এখনকার বানানে। বানানের একাধিক রূপ বিভ্রান্তি এনে দেয় পাঠকের চোখে। বাংলা মাতৃভাষা, রাষ্ট্রভাষা, জাতীয় ভাষা এবং বর্তমানে আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। তাই তার প্রয়োগের বিষয়ে যথেচ্ছাচার চলা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। জীবনের সর্বক্ষেত্রে এর সার্থক ব্যবহারের জন্য সকলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত। মাতৃভাষা বলে বাংলা চর্চায় যত্নশীল হওয়া আবশ্যক। দীর্ঘ অনুশীলনের ঐতিহ্য সৃষ্টি করতে পারলে বিভ্রান্তি ও দ্বিধা দূর করা সম্ভব। আমাদের সবার মনে মাতৃভাষাপ্রীতি সোচ্চার হয়ে উঠুক। ধৈর্য ধরে আমার বক্তব্য শোনার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

HSC Bangla 2nd Paper দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · দিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন · সৃজনশীল

'সর্বস্তরে মাতৃভাষা চর্চা' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তার ভাষণ রচনা করো।

উত্তর

'বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা চালু হোক' শীর্ষক ভাষণ প্রিয় শ্রোতা বাংলায় জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও 'যে জন হিংসে বঙ্গবাণী'- তার বিষয়ে মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম কঠোর মন্তব্য করেছিলেন এবং গুরুদণ্ডের সুপারিশও করেছিলেন। মাতৃভাষার প্রতি হিংসা নয়, গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে যুগ যুগ ধরে। নিবিড় সে ভালোবাসার জন্য বাংলা সাহিত্যের বিস্তার ঘটেছে। বাংলা ভাষার যোগ্য মর্যাদাদানের জন্য বাঙালি আত্মবিসর্জন দিয়েছে। হিংসা নয়, ভালোবাসার বিরল ত্যাগের পথ ধরেই বাংলা ভাষা ইতিহাসের সর্বকালের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার আসন লাভ করেছে। এ ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, এ ভাষার জন্য রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে বাঙালির রক্তে। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর বাংলা আজ আমাদের রাষ্ট্রভাষা। সুপ্রিয় বন্ধুগণ আমরা জানি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত বাংলা বরাবরই ছিল পরাধীন। বিদেশি শক্তিই বারবার এ দেশকে শাসন করেছে। ফলে তাদের ভাষাই হয়েছে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা। মুসলিম শাসনামলে এ দেশের রাষ্ট্রভাষা ছিল ফারসি। এরপর এলো ইংরেজরা এবং সরকারি ভাষা হলো ইংরেজি। তারপর ১৯৫২ সালে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলে উর্দুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। সমবেত সুধী নিজেদের প্রিয় ভাষাটির ব্যাপক ব্যবহারযোগ্যতা প্রমাণের জন্য এ দেশের মানুষকেই তৎপর হতে হবে। সর্বস্তরে সকল কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের যে অনন্য সুযোগটি এসেছে তার সঠিক মর্যাদা প্রদান করতে হবে। কেননা, ভাষাগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারে কোনো বাধা নেই। বাংলা ভাষা ব্যবহারের প্রাথমিক অসুবিধা ক্রমান্বয়ে দূরীভূত হচ্ছে এবং যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে ততই ব্যবহারের উপযোগিতা প্রমাণিত হচ্ছে। কিন্তু বাংলা ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অমনোযোগ আর উদাসীনতা এর প্রতি ভালোবাসার অকৃত্রিমতা সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। উপস্থিত সুধী বিভ্রান্তি এসেছে ভাষারীতির ব্যাপারেও। সাধু ও চলিত- দুটি ভাষারীতি স্বীকৃত। কিন্তু চলিত ভাষারীতি সর্বক্ষেত্রে ব্যবহারে দ্বিধা থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সাধু রীতি থাক না প্রাচীন রীতি হিসেবে! তাকে টেনে এনে মনোভাব প্রকাশে এমনকি সুবিধা! বরং চলিত রীতির প্রয়োগ সর্বজনগ্রাহ্য বলে বিবেচনা করে তার উৎকর্ষ সাধনে তৎপর হওয়া যায়। এতে বিভ্রান্তির অবসান হবে। বিভ্রান্তি আছে বানানের রীতিতেও। সার্থক ব্যবহার, সহজ অনুশীলন ও ভাষার সৌন্দর্যের জন্য বানানের রীতিতে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা সমীচীন। বানানের রীতির একতার জন্য ১৯৩৬ সালে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত বাঙালিকে বিভ্রান্তি থেকে বের করতে পারেনি। খেয়ালখুশির যথেচ্ছাচারের দৃষ্টান্ত আছে এখনকার বানানে। বানানের একাধিক রূপ বিভ্রান্তি এনে দেয় পাঠকের চোখে। বাংলা মাতৃভাষা, রাষ্ট্রভাষা, জাতীয় ভাষা এবং বর্তমানে আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। তাই তার প্রয়োগের বিষয়ে যথেচ্ছাচার চলা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। জীবনের সর্বক্ষেত্রে এর সার্থক ব্যবহারের জন্য সকলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত। মাতৃভাষা বলে বাংলা চর্চায় যত্নশীল হওয়া আবশ্যক। দীর্ঘ অনুশীলনের ঐতিহ্য সৃষ্টি করতে পারলে বিভ্রান্তি ও দ্বিধা দূর করা সম্ভব। আমাদের সবার মনে মাতৃভাষাপ্রীতি সোচ্চার হয়ে উঠুক। ধৈর্য ধরে আমার বক্তব্য শোনার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
HSCBangla 2nd Paperদিনলিপি লিখন/অভিজ্ঞতা বর্ণন এবং ভাষণ/প্রতিবেদন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।

একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।

প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।

তোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।

'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।

কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।

'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি কর ।

মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.তোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

তোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর।তোমার কলেজে পয়লা বৈশাখ উদযাপন সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর ।একটি বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করো ।প্রথমবারের মতো অমর একুশের বইমেলায় ভ্রমণের অনুভূতি নিয়ে দিনলিপি রচনা করো।তোমার এলাকার স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জনতোমার কলেজে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের একটি দিনলিপি প্রস্তুত কর।“খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো ও এর প্রতিকার” বিষয়ে একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।'কলেজের প্রথম দিন' বিষয়টি অবলম্বন করে একটি দিনলিপি রচনা কর।কলেজে প্রথম দিনের অনুভূতি ব্যক্ত করে একটি দিনলিপি লেখ ।'সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন লেখ।মনে কর, তুমি শিহাব। তুমি দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' পত্রিকার খুলনা জেলার প্রতিনিধি। বর্ততোমার কলেজের মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে একটি দিনলিপি রচনা কর ।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।