শেয়ারFacebookWhatsApp

উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর: কিছু অব্যয় আছে যেগুলি ধাতু অথবা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে ধাতু বা শব্দের অর্থ বদলিয়ে দেয়- এ জাতীয় অব্যয়গুলোই হচ্ছে উপসর্গ। উপসর্গের নিজের কোন অর্থ নেই। কিন্তু তা অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে। এ জন্য বলা হয় উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; অর্থ দ্যোতকতা আছে। একই উপসর্গ একাধিক অর্থেও ব্যবহৃত হতে পারে; যেমন: অ, সু, প্র, প্রতি ইত্যাদি। 'কাজ' শব্দের আগে, 'অ' যুক্ত করলে হয়, 'অকাজ' এবং 'সু' যুক্ত করলে হয় 'সুকাজ'। তেমনি 'ক্রিয়া' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ লাগালে হয় 'প্রক্রিয়া' এবং 'প্রতি' লাগালে হয় 'প্রতিক্রিয়া'। অতএব উপসর্গ কাকে বলে তার সংজ্ঞা আমরা নিম্নোক্তভাবে দিতে পারি- কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদন্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে ও অর্থের পরিবর্তন সাধন করে। এ ধরনের অব্যয়কে উপসর্গ বলা হয়। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১) দেশী বা বাংলা উপসর্গ, ২) সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং ৩) বিদেশী উপসর্গ। নিম্নে এই তিন প্রকার উপসর্গ সম্পর্কে উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো- দেশী বা বাংলা উপসর্গ আর্যদের আগমনের পূর্বে বাংলায় যেসব জাতি বাস করতো, তাদের ভাষা থেকে যে সব উপসর্গ এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সব উপসর্গকে দেশী বা বাংলা উপসর্গ বলা হয়। বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি। এগুলো হলো- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়্, আন, আব, ইতি, উন্, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যে সব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সব উপসর্গকে সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলা হয়। সংস্কৃত উপসের্গের সংখ্যা ২০ টি। এগুলো হলো- অতি, অধি, অনু, অপ, অপি, অব, অভি, আ, উপ, উত্, দুর্, নি নির্/নির, পরা, পরি, প্র, প্রতি, বি, সু ও সম্। বিদেশী উপসর্গ বিদেশী ভাষা থেকে যেসব উপসর্গ বাংলা ভাষায় এসে প্রচলিত হয়ে গেছে, সে সব উপসর্গকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়। এরকম উপসর্গগুলো নিম্নরূপ- আরবি উপসর্গ: লা, আম, বাজে, খাস। ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।

HSC Bangla 2nd Paper বাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · বাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস) · সৃজনশীল

উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর

কিছু অব্যয় আছে যেগুলি ধাতু অথবা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে ধাতু বা শব্দের অর্থ বদলিয়ে দেয়- এ জাতীয় অব্যয়গুলোই হচ্ছে উপসর্গ। উপসর্গের নিজের কোন অর্থ নেই। কিন্তু তা অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে। এ জন্য বলা হয় উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; অর্থ দ্যোতকতা আছে। একই উপসর্গ একাধিক অর্থেও ব্যবহৃত হতে পারে; যেমন: অ, সু, প্র, প্রতি ইত্যাদি। 'কাজ' শব্দের আগে, 'অ' যুক্ত করলে হয়, 'অকাজ' এবং 'সু' যুক্ত করলে হয় 'সুকাজ'। তেমনি 'ক্রিয়া' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ লাগালে হয় 'প্রক্রিয়া' এবং 'প্রতি' লাগালে হয় 'প্রতিক্রিয়া'। অতএব উপসর্গ কাকে বলে তার সংজ্ঞা আমরা নিম্নোক্তভাবে দিতে পারি- কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদন্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে ও অর্থের পরিবর্তন সাধন করে। এ ধরনের অব্যয়কে উপসর্গ বলা হয়। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১) দেশী বা বাংলা উপসর্গ, ২) সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং ৩) বিদেশী উপসর্গ। নিম্নে এই তিন প্রকার উপসর্গ সম্পর্কে উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো- দেশী বা বাংলা উপসর্গ আর্যদের আগমনের পূর্বে বাংলায় যেসব জাতি বাস করতো, তাদের ভাষা থেকে যে সব উপসর্গ এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সব উপসর্গকে দেশী বা বাংলা উপসর্গ বলা হয়। বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি। এগুলো হলো- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়্, আন, আব, ইতি, উন্, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যে সব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সব উপসর্গকে সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলা হয়। সংস্কৃত উপসের্গের সংখ্যা ২০ টি। এগুলো হলো- অতি, অধি, অনু, অপ, অপি, অব, অভি, আ, উপ, উত্, দুর্, নি নির্/নির, পরা, পরি, প্র, প্রতি, বি, সু ও সম্। বিদেশী উপসর্গ বিদেশী ভাষা থেকে যেসব উপসর্গ বাংলা ভাষায় এসে প্রচলিত হয়ে গেছে, সে সব উপসর্গকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়। এরকম উপসর্গগুলো নিম্নরূপ- আরবি উপসর্গ: লা, আম, বাজে, খাস। ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
HSCBangla 2nd Paperবাংলা শব্দ গঠন (উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।

'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :

যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :

যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :

যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।

উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :

ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'ম' ফলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি বিধি উদাহরণসহ লিখ ।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর : (যেকোনো পাঁচটি)যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো :যে কোনো পাঁচটি উপসর্গ দ্বারা একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ করো :ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর। (যে কোনো পাঁচটি)“উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে”- উদাহরণসহ লিখ।যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখ :উপসর্গ কাকে বলে? উপসর্গ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর (যে কোনো পাঁচটি) :উপসর্গ কাকে বলে? উদাহরণসহ উপসর্গের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো (যেকোনো পাঁচটি) :“উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, অর্থদ্যোতকতা আছে।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।