আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত ও নির্দেশনার যথাযথতা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: অংশীদারি ব্যবসায় সংগঠনটি নিবন্ধন না থাকার কারণে আদালত কর্তৃক কোন সুযোগ-সুবিধা তারা পাবে না। অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধন বলতে মূলত অংশীদারী চুক্তিপত্রের নিবন্ধন কে বুঝায়। বাংলাদেশের প্রচলিত ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনে অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে, নিবন্ধিত অংশীদারী ব্যবসায় কিছু আইনগত সুযোগ সুবিধা লাভ করে। এই সুবিধাগুলো অনিবন্ধিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো পায় না। অনিবন্ধিত ব্যবসার ক্ষেত্রে কোন অংশীদার চুক্তি জনিত কোন অধিকার আদায়ের জন্য কোন মামলা করতে পারে না। তৃতীয় পক্ষ কোন অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান বা উক্ত প্রতিষ্ঠানের কোন অংশীদারের কাছ থেকে তার পাওনা আদায় করার অধিকার রাখেন। কিন্তু, উক্ত প্রতিষ্ঠান বা তার কোন অংশীদার পাল্টা পাওনা দাবি করে মামলা করতে পারে না। উদ্দীপকে দেখা যায়, রাজন, রাব্বি ও রাফি তিন বন্ধু চুক্তির ভিত্তিতে একটি ব্যবসায় পরিচালনা করেন। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অফিসে তারা তাদের ব্যবসার নাম তালিকাভুক্ত করেননি। শিমুল নামক একজন ব্যবসায়ী তাদেরকে ১,০০,০০০ টাকার কাঁচামাল সরবরাহ করেছেন। তবে আগেই তিন বন্ধুর কাছ থেকে ৩০,০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। অংশীদারগণ ৭০,০০০ পাওনা নিষ্পত্তির জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত অংশীদারদের আবেদন কে গুরুত্ব দেন না। এখানে তাদের ব্যবসায়ীটি নিবন্ধিত না থাকার কারণে, তারা আদালতে গিয়েও কোন কিছু করতে পারেনা। যদি তাদের ব্যবসায়ীটি নিবন্ধন করা থাকতো তাহলে খুব সহজে তারা আদালত কর্তৃক সুযোগ-সুবিধা লাভ করতে পারত।
HSC Management 1st Paper Chapter 4: অংশীদারি ব্যবসায় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Management 1st Paper · Chapter 4: অংশীদারি ব্যবসায় · সৃজনশীল
আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত ও নির্দেশনার যথাযথতা বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর