'আদালতের নির্দেশে বিলোপের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন ঠেকানো যায়নি' -উদ্দীপকের আলোকে এর যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: "আদালতের নির্দেশে বিলোপের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন ঠেকানো যায়নি"- উক্তিটি যথার্থ। অংশীদারদের মধ্যকার চুক্তির অবসায়নকে অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধন বলে। অংশীদারি আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের নির্দেশে বিলোপ সাধন ঘটে। অংশীদারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এরূপ বিলোপ সাধনের নির্দেশ দিয়ে থাকে। উদ্দীপকের মি. রফিক, শফিক ও করিম সমঝোতার ভিত্তিতে একটি অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করে। এদের মধ্যে মি. রফিক ও মি. করিম ব্যবসায় পরিালনায় অংশগ্রহণ করলেও মি. শফিক পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন না। অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথেই তাদের ব্যবসায়টি পরিচালিত হচ্ছিল। সম্প্রতি মি. করিম ইচ্ছাকৃতভাবে কাররার থেকে মূলধন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মি. রফিকের পক্ষে একা ব্যবসায়টি পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই মি. রফিকের ইচ্ছা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির বিলোপ সাধন ঠেকানো যায়নি। অংশীদারি ব্যবসায়ের কোনো অংশীদার মূলধন প্রত্যাহার করলে ব্যবসায়টির আদালতের নির্দেশে বিলোপ সাধন ঘটে। উদ্দীপকে দেখা যায়, তিন বন্ধু একটি অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করে। এদের মধ্যে মি. রফিক ও মি. করিম সাধারণ অংশীদার এবং মি. শফিক ঘুমন্ত অংশীদার। সাধারণ অংশীদার হিসেবে মি. করিম ইচ্ছাকৃতভাবে মূলধন প্রত্যাহার, যা আদালতের নির্দেশে বিলোপের শর্ত পূরণ করে। তাই আমি মনে করি, আদালতের নির্দেশে বিলোপের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন ঠেকানো যায়নি।
HSC Management 1st Paper Chapter 4: অংশীদারি ব্যবসায় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Management 1st Paper · Chapter 4: অংশীদারি ব্যবসায় · সৃজনশীল
'আদালতের নির্দেশে বিলোপের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর