নিজস্ব বুননশৈলী ও স্বকীয়তায় এ শাড়িটি ক্রেতার মনে আলাদা স্থান তৈরি করে নিয়েছে- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে টাঙ্গাইল শাড়ির কথা বলা হয়ছে। টাঙ্গাইলের শাড়ি আমাদের শত শত বছরের ঐতিহ্য। টাঙ্গাইল তাঁত শিল্প আজ বিশ্বজুড়ে যে সুনাম অর্জন করেছে এটি একদিনে আসেনি। বসাকদের ত্যাগ, নিষ্ঠা, পরিশ্রমের ফলেই এ শাড়ি আজ বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিকভাবে এ শাড়ির নকশা তাঁতিরা নিজেরাই করতেন। এসব নকশার মধ্যে মূলত ছিল এক রঙের জমিন ও অন্য রঙের শাড়ি। প্রথম দিকে চিকন পাড়ের শাড়ি বেশি উৎপাদন হতো। নকশা হতো ফুল ও প্রতীকের। আস্তে আস্তে এসব নকশা ছড়াতে থাকে। এভাবেই শুরু হয় পরিবর্তন। এ ধারাবাহিকতায় শাড়ির নকশায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বিদেশেও রয়েছে এ শাড়ির বিপুল চাহিদা। শাড়ির পাশাপাশি এখন তাঁতিরা শার্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, সালোয়ার, কামিজ, ওড়নাসহ বিভিন্ন থান কাপড়ও বুনছেন। দিনে দিনে এ কাপড়ের চাহিদা বেড়েই চলেছে। টাঙ্গাইলের শাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বুনন শৈলী, রং বিন্যাস, ডিজাইন এবং সর্বোপরি শিল্পীর নিজস্ব দক্ষতা। যে বিষয়টি বিশেষভাবে লক্ষণীয় তা হলো পাড়ের সাথে সংগতি রেখে রঙিন সুতার সাহায্যে জমিনের নকশা। জ্যাকার্ড তাঁত দ্বারা তাঁতিরা যে সুন্দর নকশা গড়ে তুলেছে তা এ শাড়িকে অন্য শাড়ি থেকে আলাদা করে তুলেছে। তাঁতিরা শাড়ির পাড়কে এত সুন্দরভাবে অলংকরণ করেন যা ক্রেতার মনে আলাদা স্থান দখল করে নেয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বক্তব্যটি যথার্থ।
HSC Home Science 1st Paper Chapter 11 : বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 11 : বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র · সৃজনশীল
নিজস্ব বুননশৈলী ও স্বকীয়তায় এ শাড়িটি ক্রেতার মনে আলাদা স্থান তৈরি ক…
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর