প্রতিবেদনের বিষয়বস্তুর মধ্যকার পার্থক্যগুলো ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে শিফা একটি প্রচলিত দৈনিক পত্রিকায় ফ্যাশন ও স্টাইলের ওপর লেখা একটি প্রতিবেদন পড়ে। ফ্যাশন ও স্টাইল এক নয়। নিচে ফ্যাশন ও স্টাইলের মধ্যকার পার্থক্য দেওয়া হলো- ১. স্টাইল ব্যক্তির নিজস্ব ধারা বা কৌশল। পক্ষান্তরে, ফ্যাশন হলো সমাজের চাহিদা ও মনোভাব। ২. স্টাইল একজন ব্যক্তির মাঝে কেন্দ্রীভূত থাকে। কিন্তু ওই স্টাইল যখন সবাই গ্রহণ করে, তখন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়ায়। ৩. স্টাইল পরিবর্তিত ও বিলুপ্ত হয় না। অন্যদিকে, ফ্যাশনের পরিবর্তন ঘটে এবং বিলুপ্ত হতে পারে। ৪. ব্যক্তির চিন্তাচেতনা সৃজনশীলতার মাধ্যমে স্টাইলের সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে ফ্যাশন সৃষ্টি হয়। ৫. স্টাইলে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে এটি ব্যক্তির নিজস্ব ঢং। অন্যদিকে, ফ্যাশন সর্বজনীন। অনেকের মাঝে ফ্যাশনের প্রচলন দেখা যায়। ৬. স্টাইল জনগণের মাঝে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। কিন্তু ফ্যাশন জনগণের মাঝে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। ৭. স্টাইল কখনো জনসাধারণের মাঝে তেমন প্রভাব ফেলে না। অন্যদিকে, ফ্যাশন জনগণের মাঝে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাব ফেলতে পারে।। ৮. স্টাইলের আকর্ষণ স্থিতিশীল হয়। পক্ষান্তরে, ফ্যাশনের আকর্ষণ তীব্র হয়। ৯. স্টাইলে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে কিন্তু ফ্যাশনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে না।
HSC Home Science 1st Paper Chapter 12 : ফ্যাশন, স্টাইল ও ডিজাইন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 12 : ফ্যাশন, স্টাইল ও ডিজাইন · সৃজনশীল
প্রতিবেদনের বিষয়বস্তুর মধ্যকার পার্থক্যগুলো ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
মানুষ নতুনত্ব পছন্দ করে। নতুন ফ্যাশন গ্রহনের মাধ্যমে একঘেয়েমি দূর করে বস্ত্র শিল্পগুলো বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় পোশাক তৈরির মাধ্যমে জনগণকে বিশেষ করে তরুণ সমাজকে প্রভাবিত করে। ব্যবসায়ীরা পোশাকে নতুন নতুন স্টাইল তৈরি করে। এগুলো মানুষ গ্রহণ করে, পরে এক সময় তা প্রচলিত হয়ে ওঠে। তখন তা ফ্যাশনে পরিণত হয়। বর্তমান ফ্যাশন মুঘল ফ্যাশনের অনুরূপ। যেমন- লেহেঙ্গা, সালোয়ার কামিজ, পাজামা, পাঞ্জাবি, সুচি শিল্প প্রভৃতি। অর্থাৎ যা পূর্বে ছিল তা আবার নতুন করে এসেছে।
সুতরাং বলা যায়, ফ্যাশন একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে আসে। এ অর্থে উদ্দীপকে বর্ণিত ফ্যাশন ডিজাইনারের মন্তব্যটির যথার্থতা আছে।