শেয়ারFacebookWhatsApp

আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিময় ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে আইরিন দুটি পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে। তা হলো- ব্লক ও টাই ডাই। এগুলোর নিয়ম নিম্নরূপ- ব্লক তৈরির জন্য প্রথমে কাঠে, রাবারে পছন্দমতো নকশা এঁকে নিতে হয়। এরপর ধারালো ছুরি বা ব্লেড দিয়ে রাবার বা বাটালি দিয়ে কাঠ খোদাই করে নিতে হয়। নকশার জায়গাটি উঁচু রেখে বাকি অংশ কেটে নিতে হয়। কাঠের ব্লক হলে খোদাই করার পর শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে ওপরের অংশ মসৃণ করে নিতে হয়। রাবার হলে ছুরি কিংবা এন্টিকাটার দিয়ে কেটে সহজে ব্লক তৈরি করা যায়। আলু, গাজর, ঢেঁড়স, শাপলা প্রভৃতির সাহায্যেও ব্লক ছাপা দেয়া যায়। ব্লক তৈরির পর রং তৈরি করে টেবিল তৈরি করে নিতে হয়। এরপর যে কাপড়ে ব্লক করা হবে সেটিকে ভালো করে ধুয়ে মাড় ফেলে নিয়ে টেবিলের ওপর টানটান করে বিছাতে হয়। স্ট্যান্ড বা পাশে ছোট টেবিলের ওপর কালার ট্রে রাখতে হয়। কালার ট্রের মধ্যে ফোমের ওপর ব্রাশ বা চা চামচ দিয়ে রং মাখাতে হয়। ব্লকটি ফোমের ওপর রেখে চাপ দিয়ে ব্লকে রং ভরাতে হয়। এরপর রং ভরানো ব্লকটি কাপড়ের ওপর চাপ দিলে কাপড়ে ব্লকের ছাপা হয়ে যায়। একাধিক রঙের নকশা ছাপাতে একাধিক ব্লক প্রয়োজন। সেই সাথে একাধিক কালার ট্রে ও একাধিক ব্রাশ দরকার হয়। টাইডাই পদ্ধতিতে যখন রং করা হয় তখন ঐ স্থানগুলোতে যেন রং প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কাপড়টির বিভিন্ন জায়গায় বাঁধা হয়। আর বাটিক প্রিন্ট পদ্ধতিতে কাপড়ের উপর নকশা একে ঐ স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে অন্যস্থানে রং লাগিয়ে নকশা করা হয়। যে কাপড়ে টাই ডাই করা হবে সেটিতে নকশা বা ডিজাইন অনুযায়ী সেলাই বা বন্ধন করতে হবে। রন্ধনকৃত বস্ত্রটি কমপক্ষে একঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো ফুটন্ত গরম পানিতে রং, হাইড্রোজ ও কস্টিক সোডা ভালোভাবে গুলে নিয়ে ঐ রঙের পানিতে কাপড়টিকে ৫ থেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করলেই রং হয়ে যাবে। তারপর ভালোভাবে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। ২৪ ঘণ্টা পর ফুটন্ত গরম পানিতে সাবানের ১/৪ অংশ কেটে দিতে হবে। সাবান গলে গেলে কাপড়টি ঐ পানিতে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে। তারপর ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে।

HSC Home Science 1st Paper Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা · সৃজনশীল

আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিময় ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

আইরিন ও রেবা দুই বোন মিলে পৌষমেলায় স্টল বুকিং দিল। স্টলে দেশীয় কাপড়ের বিভিন্ন নকশাযুক্ত সামগ্রী বানানোর জন্য বাজার থেকে কিছু কাপড় কিনে নকশা করা কাঠে রং দিয়ে কাপড়ে ছাপ দিল, এছাড়া কিছু কাপড় সুতা দিয়ে বেঁধে রং করল। অন্যদিকে রেবা কাপড়ে নকশা এঁকে মোম দিয়ে ঢেকে রং করল। মেলার স্টলে কাপড়গুলো সাজানোর পর সবগুলো সামগ্রীই আকর্ষণীয় লাগল।

উত্তর

গাছের বাকল, ফুল, লতা-পাতা, ফল ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত উদ্ভিজ্জ রংকে প্রাকৃতিক রং বলে।

উত্তর

উইলিয়াম হেনরী পারকিন নামে এক ব্যক্তি কৃত্রিম উপায়ে কুইনাইন তৈরি করতে গিয়ে একটি কৃত্রিম রং আবিষ্কার করেন। প্রাকৃতিক রঙের চেয়ে কৃত্রিম রং অনেক বেশি স্থায়ী এবং অনেক প্রকারের হয়। যেমন- অ্যাসিড ডাই, বেসিক ডাই, ভ্যাট রং, মরড্যান্ট রং, বিকশিত রং, এজোইক রং। কৃত্রিম রঙে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহৃত হয় যা রং পাকা ও স্থায়ী করে। প্রাকৃতিক রঙে এসব রাসায়নিক ব্যবহার করা যায় না। ফলে, তা কৃত্রিম রঙের মতো স্থায়ীও হয় না।

উত্তর

উদ্দীপকে আইরিন দুটি পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে। তা হলো- ব্লক ও টাই ডাই। এগুলোর নিয়ম নিম্নরূপ- ব্লক তৈরির জন্য প্রথমে কাঠে, রাবারে পছন্দমতো নকশা এঁকে নিতে হয়। এরপর ধারালো ছুরি বা ব্লেড দিয়ে রাবার বা বাটালি দিয়ে কাঠ খোদাই করে নিতে হয়। নকশার জায়গাটি উঁচু রেখে বাকি অংশ কেটে নিতে হয়। কাঠের ব্লক হলে খোদাই করার পর শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে ওপরের অংশ মসৃণ করে নিতে হয়। রাবার হলে ছুরি কিংবা এন্টিকাটার দিয়ে কেটে সহজে ব্লক তৈরি করা যায়। আলু, গাজর, ঢেঁড়স, শাপলা প্রভৃতির সাহায্যেও ব্লক ছাপা দেয়া যায়। ব্লক তৈরির পর রং তৈরি করে টেবিল তৈরি করে নিতে হয়। এরপর যে কাপড়ে ব্লক করা হবে সেটিকে ভালো করে ধুয়ে মাড় ফেলে নিয়ে টেবিলের ওপর টানটান করে বিছাতে হয়। স্ট্যান্ড বা পাশে ছোট টেবিলের ওপর কালার ট্রে রাখতে হয়। কালার ট্রের মধ্যে ফোমের ওপর ব্রাশ বা চা চামচ দিয়ে রং মাখাতে হয়। ব্লকটি ফোমের ওপর রেখে চাপ দিয়ে ব্লকে রং ভরাতে হয়। এরপর রং ভরানো ব্লকটি কাপড়ের ওপর চাপ দিলে কাপড়ে ব্লকের ছাপা হয়ে যায়। একাধিক রঙের নকশা ছাপাতে একাধিক ব্লক প্রয়োজন। সেই সাথে একাধিক কালার ট্রে ও একাধিক ব্রাশ দরকার হয়। টাইডাই পদ্ধতিতে যখন রং করা হয় তখন ঐ স্থানগুলোতে যেন রং প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কাপড়টির বিভিন্ন জায়গায় বাঁধা হয়। আর বাটিক প্রিন্ট পদ্ধতিতে কাপড়ের উপর নকশা একে ঐ স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে অন্যস্থানে রং লাগিয়ে নকশা করা হয়। যে কাপড়ে টাই ডাই করা হবে সেটিতে নকশা বা ডিজাইন অনুযায়ী সেলাই বা বন্ধন করতে হবে। রন্ধনকৃত বস্ত্রটি কমপক্ষে একঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো ফুটন্ত গরম পানিতে রং, হাইড্রোজ ও কস্টিক সোডা ভালোভাবে গুলে নিয়ে ঐ রঙের পানিতে কাপড়টিকে ৫ থেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করলেই রং হয়ে যাবে। তারপর ভালোভাবে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। ২৪ ঘণ্টা পর ফুটন্ত গরম পানিতে সাবানের ১/৪ অংশ কেটে দিতে হবে। সাবান গলে গেলে কাপড়টি ঐ পানিতে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে। তারপর ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে।

উত্তর

উদ্দীপকের আইরিন ও রেবা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে বস্ত্রের উপর নকশা ফুটিয়ে তুলেছেন। আইরিনের ব্যবহৃত পদ্ধতি দুটি হলো ব্লক ও টাই ডাই এবং রেবার ব্যবহৃত পদ্ধতিটি হলো বাটিক। এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো: i. কৌশলের ভিন্নতা: আইরিনের ব্যবহৃত ব্লক প্রিন্ট হলো সরাসরি ছাপ দেওয়া পদ্ধতি। অন্যদিকে, আইরনের টাইডাই এবং রেবার ব্যবহৃত বাটিক পদ্ধতি হলো 'রং প্রতিরোধক' প্রক্রিয়া। টাইডাইয়ে সুতা দিয়ে বেঁধে রং আটকানো হয়, আর রেবার বাটিক পদ্ধতিতে মোম ব্যবহার করে রং প্রতিরোধ করা হয়। ii. উপকরণের বৈচিত্র্য: আইরিনের ব্লক প্রিন্টের জন্য নকশা করা কাঠের ব্লক, সুতা ও সুঁই প্রয়োজন হয়। আর, টাই ডাই এর জন্য লবণ, সুতা ও রঙের প্রয়োজন। কিন্তু রেবার বাটিক পদ্ধতির জন্য প্যারাফিন মোম, মৌচাকের মোম, ব্রাশ এবং চুলা অপরিহার্য। বাটিকে মোমের পরিমাণ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। iii.নকশা শৈল্পিক রূপ: আইরিনের ব্লক প্রিন্টে নকশাগুলো খুব সুষম ও নিখুঁত হয়। টাইডাইয়ের ক্ষেত্রে জ্যামিতিক নকশা বা ডাইমেনশনাল ইফেক্ট পাওয়া যায়। কিন্তু রেবার বাটিকের বিশেষত্ব হলো 'ব্র্যাক' বা ফাটল ধরা নকশা। মোম শুকিয়ে যাওয়ার পর তা সামান্য ভেঙে দিলে রঙের ভেতরে সূক্ষ্ম জালের মতো নকশা তৈরি হয়, যা অন্য কোনো পদ্ধতিতে পাওয়া সম্ভব নয়। iv. সময় ও শ্রম: আইরিনের পদ্ধতিগুলো অর্থাৎ, টাই ডাই ও ব্লক তুলনামূলক দ্রুত সম্পন্ন করা যায় এবং এতে ঝুঁকি কম থাকে। তবে রেবার বাটিক পদ্ধতিটি বেশ সময়সাপেক্ষ। মোম গলানো, সাবধানে নকশায় বসানো এবং শেষে গরম পানিতে ফুটিয়ে মোম ছাড়ানোর মতো জটিল ধাপগুলো পার করতে হয়। পরিশেষে বলা যায়, আইরিন তাঁর সংগ্রহে ব্লক ও টাইডাই ব্যবহারের মাধ্যমে বৈচিত্র্য এনেছেন, যা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে খুব জনপ্রিয়। অন্যদিকে, রেবা বাটিক ব্যবহারের মাধ্যমে তাঁর পোশাকে অনন্য শৈল্পিক ছোঁয়া দিয়েছেন। দেশীয় বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে এবং ফ্যাশন সৃষ্টিতে এই পদ্ধতিগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
HSCHome Science 1st PaperChapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিংকু বাড়িতে বস্ত্র রঙ ও ছাপার কাজ কিরে। সে বস্ত্র ছাপার চেয়ে বস্ত্র সুতায় বেঁধে রঙ করতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু মিতা খোদাই করা নক্শা দিয়ে ছাপার কাজে বেশি পারদর্শী।

Rajshahi · 2017

ক
সজ্জামূলক নক্শা কী?
খ
পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
রিংকুর পছন্দের পদ্ধতি কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রিংকু ও মিতার কাজের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিংকু বাড়িতে বস্ত্র রঙ ও ছাপার কাজ কিরে। সে বস্ত্র ছাপার চেয়ে বস্ত্র সুতায় বেঁধে রঙ করতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু মিতা খোদাই করা নক্শা দিয়ে ছাপার কাজে বেশি পারদর্শী।

Rajshahi · 2017

ক
সজ্জামূলক নক্শা কী?
খ
পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
রিংকুর পছন্দের পদ্ধতি কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রিংকু ও মিতার কাজের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।

পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সজ্জামূলক নক্শা কী?

সজ্জামূলক নক্শা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঈদে মনা নিজের হাতে জামা নক্শা করে পরার জন্য কাপড় কিনে আনে। কাপড়ের উপর প্রথমে সে নক্শা এঁকে নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দিয়াশলাইয়ের কাঠি কাপড়ের ভিতরে সুতা দিয়ে বেঁধে নেয়। বাঁধা কাপড়টি রঙের মিশ্রণে ডুবিয়ে তার কাজ শেষ করে।

Comilla · 2019

ক
ড্রাফটিং কী?
খ
মৌলিক রঙের ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকে মনার নক্শা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঈদে মনা নিজের হাতে জামা নক্শা করে পরার জন্য কাপড় কিনে আনে। কাপড়ের উপর প্রথমে সে নক্শা এঁকে নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দিয়াশলাইয়ের কাঠি কাপড়ের ভিতরে সুতা দিয়ে বেঁধে নেয়। বাঁধা কাপড়টি রঙের মিশ্রণে ডুবিয়ে তার কাজ শেষ করে।

Comilla · 2019

ক
ড্রাফটিং কী?
খ
মৌলিক রঙের ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকে মনার নক্শা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মৌলিক রঙের ধারণা দাও।

মৌলিক রঙের ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ড্রাফটিং কী?

ড্রাফটিং কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন ও অনি দুই বোন মিলে পৌষ মেলায় স্টল বুকিং দিল। এজন্য বাজার থেকে কিছু কাপড় কিনল। নকশা করা কাঠে রঙ দিয়ে।কাপড়ে ছাপ দিল। অন্যদিকে অনি কাপড়ে নকশা এঁকে মোম দিয়ে ঢেকে রঙ করল। এছাড়া কিছু কাপড় সুতা দিয়ে বেঁধে রঙ করল।স্টলে সাজানোর পর সবগুলো সামগ্রীই আকর্ষণীয় লাগল।

Dhaka · 2019

ক
প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?
খ
'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।
গ
আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিয়ম ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অনির বস্ত্র রঞ্জন পদ্ধতিগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন ও অনি দুই বোন মিলে পৌষ মেলায় স্টল বুকিং দিল। এজন্য বাজার থেকে কিছু কাপড় কিনল। নকশা করা কাঠে রঙ দিয়ে।কাপড়ে ছাপ দিল। অন্যদিকে অনি কাপড়ে নকশা এঁকে মোম দিয়ে ঢেকে রঙ করল। এছাড়া কিছু কাপড় সুতা দিয়ে বেঁধে রঙ করল।স্টলে সাজানোর পর সবগুলো সামগ্রীই আকর্ষণীয় লাগল।

Dhaka · 2019

ক
প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?
খ
'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।
গ
আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিয়ম ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অনির বস্ত্র রঞ্জন পদ্ধতিগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।

'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?

প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।