উদ্দীপকে নির্দেশিত অবস্থা প্রতিরোধে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ— উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক যত্নের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বৃদ্ধিতে মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। তাই গর্ভবতী মায়ের শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্নের প্রতিও লক্ষ রাখতে হবে। গর্ভস্থ ভ্রূণের পুষ্টি মায়ের পুষ্টির ওপর নির্ভর করে। তাই গর্ভাবস্থায় একজন মাকে সুষম খাদ্য স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে খেতে হবে। কারণ অপুষ্টির কারণে অপরিণত বা রুগ্ন শিশুর জন্ম হতে পারে। গর্ভবতী মাকে নিয়মিত গোসল করতে হবে এবং চুল, নখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে। তাকে দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। এসময় শরীর সুস্থ রাখা ও সহজ প্রসবের জন্য হালকা ব্যায়াম করা প্রয়োজন। তাই তাকে ঘরের স্বাভাবিক কাজ করতে হবে। কিন্তু ভারি কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। গর্ভাবস্থায় প্রথম ও শেষের দিকে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। গর্ভবতী মাকে টিটেনাস টক্সয়েড টিকা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া এসময় তাকে হাসি-খুশি থাকতে হবে। গর্ভাবস্থায় মায়ের মনে ক্ষোভ, উত্তেজনা রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে । যার প্রভাবে ভ্রূণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই পরিবারের সদস্যদের এসময় সচেতন থাকতে হবে যেন গর্ভবতী মা আনন্দিত থাকেন। পরিবারের সবার সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক রাখতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, রুমার শারীরিক ও মানসিক যত্নের বিষয়টি যথার্থ।
HSC Home Science 2nd Paper Chapter 3 : গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও নিরাপদ মাতৃত্ব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 2nd Paper · Chapter 3 : গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও নিরাপদ মাতৃত্ব · সৃজনশীল
উদ্দীপকে নির্দেশিত অবস্থা প্রতিরোধে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক…
উদ্দীপক

Rajshahi · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর