শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের যেসব শর্ত রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের প্রশ্নে কিয়াস শুদ্ধ হওয়ার জন্য আবশ্যকীয় শর্তগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কিয়াস (قِيَاسٌ) বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য ৪টি শর্ত পাওয়া আবশ্যক। নিচে এসব শর্তাবলি আলোচনা করা হলো- ১. কিয়াস (قِيَاسٌ)-এর প্রথম শর্ত হলো- أَنْ لَا يَكُوْنَ الْأَصْلُ مَخْصُوصًا بِحُكْمِهِ بِنَ آخَرَ অর্থাৎ, مُقَيَّسٌ عَلَيْهِ তথা মূল বিষয়ের হুকুমটি অপর কোনো 'নস' দ্বারা مَخْصُوْصِ তথা নির্দিষ্ট না হওয়া; مَقَيَسٌ عَلَيْهِ-টি যদি এমন সম্পৃক্ত হয়, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর জন্য অন্যকোনো 'নস' দ্বারা নির্দিষ্ট ও সীমিত হয়, তবে এর ওপর অন্যকোনো বস্তু বা ব্যক্তির বিধানের কিয়াস করা যাবে না। ২. কিয়াসের দ্বিতীয় শর্ত হলো- لَا يَكُونُ الْأَصْلُ مُخَالِفًا لِلْقِيَاسِ অর্থাৎ, المُقَيَّسٌ عَلَيْهِ তথা মূল বিষয়ের হুকুমটি অন্য কোনো 'নস' দ্বারা কিয়াসের বিপরীত না হওয়া। কেননা মূল তথা المُقَيَّسٌ عَلَيْهِ যদি স্বয়ং কিয়াসের বিপরীত হয়, তবে তার ওপর অন্য বিষয়ের কিয়াস শুদ্ধ হবে না। ৩. কিয়াসের তৃতীয় শর্ত হলো- أَنْ يَتَعَدَّى الْحُكْمُ الشَّرْعِيُّ الثَّابِتُ بِالنَّصِ بِعَيْنِهِ إِلَى فَرْع هُوَ نَظِيْرُهُ وَلَا نَّضٌ فِيْهِ অর্থাৎ, নসের মাধ্যমে 'আসল'-এর মধ্যে যে শরয়ি হুকুমটি সাব্যস্ত হয়েছিল, হুবহু সে হুকুমটি এমন শাখার প্রতি প্রত্যাবর্তন (مُتَعَنِى) করবে, যা মূলের পরিপূর্ণ সদৃশ। আর সে শাখার ব্যাপারে কোনো 'নস' থাকবে না। ৪. কিয়াসের চতুর্থ শর্ত হলো- أَنْ يَبْقَى حُكْمُ النَّضِ بَعْدَ التَّعْلِيلِ عَلَى مَا كَانَ قَبْلَهُ অর্থাৎ, কিয়াসের পূর্বের হুকুমটি যেমন ছিল, تَعْلِيلٌ-এর পরেও তেমনি অবশিষ্ট থাকা। এক্ষেত্রে اَصْلٌ -এর হুকুমে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় কিয়াসের উল্লিখিত চারটি শর্ত রয়েছে।

HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 4 : আল-কিয়াস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 4 : আল-কিয়াস · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের যেসব শর্ত রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

অধ্যাপক আবদুশ শাকুর পাঠদানকালে কিয়াসের শর্তাবলি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কিয়াস শুদ্ধ হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পাওয়া আবশ্যক। তিনি এসব শর্তের বিস্তারিত বিবরণ দেন। তার আলোচনায় শিক্ষার্থীরা খুশি হলো।

উত্তর

বাহ্যিক ও আকৃতিগত মিল থাকায় একটি বিষয়ের হুকুম অন্যত্র স্থানান্তর করাকে সাদৃশ্যমূলক কিয়াস (أَلْقِيَاسُ الشَّيْهِى) বলে। যেমন— নামাযের প্রথম বৈঠককে শেষ বৈঠকের ওপর কিয়াস করে প্রথম বৈঠককে ফরজ বলা। কেননা প্রথম বৈঠক শেষ বৈঠকের মতো।

উত্তর

অপ্রকাশ্য কিয়াসের দৃষ্টান্ত হলো— আমরা বলি, হিংস্র পাখির উচ্ছিষ্ট পবিত্র। কিয়াসে জলি (الْقِيَاسُ الْجَلِي)-এর দাবি হলো তা অপবিত্র হওয়া। কেননা এর গোশত হারাম। আর উচ্ছিষ্ট বা লালা গোশত হতে উৎপন্ন হয়। আর অপবিত্র লালা পানির সাথে মিশ্রিত হয়ে যাওয়ায় তার উচ্ছিষ্ট পানি ও খাদ্য নাপাক হয়ে যায়। কিন্তু কিয়াসুল খফি (اَلْقِيَاسُ الْخَفِي) ইসতেহসান হিসেবে একটি বিশেষ দিক তুলে ধরেছে যে, পাখিরা ঠোঁট দিয়ে আহার করে। আর ঠোঁট হাড় দিয়ে তৈরি এবং জীবিত বা মৃত সকল প্রাণীর হাড়ই পবিত্র। অতএব পবিত্র জিনিস পবিত্র বস্তুতে পড়লে নাপাক হওয়ার তো কোনো কারণই থাকতে পারে না। অবশ্য উক্ত পাখির ঠোঁটে নাপাক লেগে থাকলে তা ভিন্ন কথা।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রশ্নে কিয়াস শুদ্ধ হওয়ার জন্য আবশ্যকীয় শর্তগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কিয়াস (قِيَاسٌ) বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য ৪টি শর্ত পাওয়া আবশ্যক। নিচে এসব শর্তাবলি আলোচনা করা হলো- ১. কিয়াস (قِيَاسٌ)-এর প্রথম শর্ত হলো- أَنْ لَا يَكُوْنَ الْأَصْلُ مَخْصُوصًا بِحُكْمِهِ بِنَ آخَرَ অর্থাৎ, مُقَيَّسٌ عَلَيْهِ তথা মূল বিষয়ের হুকুমটি অপর কোনো 'নস' দ্বারা مَخْصُوْصِ তথা নির্দিষ্ট না হওয়া; مَقَيَسٌ عَلَيْهِ-টি যদি এমন সম্পৃক্ত হয়, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর জন্য অন্যকোনো 'নস' দ্বারা নির্দিষ্ট ও সীমিত হয়, তবে এর ওপর অন্যকোনো বস্তু বা ব্যক্তির বিধানের কিয়াস করা যাবে না। ২. কিয়াসের দ্বিতীয় শর্ত হলো- لَا يَكُونُ الْأَصْلُ مُخَالِفًا لِلْقِيَاسِ অর্থাৎ, المُقَيَّسٌ عَلَيْهِ তথা মূল বিষয়ের হুকুমটি অন্য কোনো 'নস' দ্বারা কিয়াসের বিপরীত না হওয়া। কেননা মূল তথা المُقَيَّسٌ عَلَيْهِ যদি স্বয়ং কিয়াসের বিপরীত হয়, তবে তার ওপর অন্য বিষয়ের কিয়াস শুদ্ধ হবে না। ৩. কিয়াসের তৃতীয় শর্ত হলো- أَنْ يَتَعَدَّى الْحُكْمُ الشَّرْعِيُّ الثَّابِتُ بِالنَّصِ بِعَيْنِهِ إِلَى فَرْع هُوَ نَظِيْرُهُ وَلَا نَّضٌ فِيْهِ অর্থাৎ, নসের মাধ্যমে 'আসল'-এর মধ্যে যে শরয়ি হুকুমটি সাব্যস্ত হয়েছিল, হুবহু সে হুকুমটি এমন শাখার প্রতি প্রত্যাবর্তন (مُتَعَنِى) করবে, যা মূলের পরিপূর্ণ সদৃশ। আর সে শাখার ব্যাপারে কোনো 'নস' থাকবে না। ৪. কিয়াসের চতুর্থ শর্ত হলো- أَنْ يَبْقَى حُكْمُ النَّضِ بَعْدَ التَّعْلِيلِ عَلَى مَا كَانَ قَبْلَهُ অর্থাৎ, কিয়াসের পূর্বের হুকুমটি যেমন ছিল, تَعْلِيلٌ-এর পরেও তেমনি অবশিষ্ট থাকা। এক্ষেত্রে اَصْلٌ -এর হুকুমে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় কিয়াসের উল্লিখিত চারটি শর্ত রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত কিয়াসের তৃতীয় শর্তটি হলো- أَنْ يَتَعَدَّيِ الْحُكْم الشَّرْعِيُّ الثَّابِتُ بِالنَّضِ بِعَيْنِهِ إِلَى فَرْعٍ هُوَ نَظِيرُهُ وَلَا نَضٌ فِيْهِِ অর্থাৎ নসের মাধ্যমে 'আসল'-এর মধ্যে যে শরয়ি হুকুমটি সাব্যস্ত হয়েছিল, হুবহু সে হুকুমটি এমন শাখার প্রতি প্রত্যাবর্তন (مُتَعَدِّى) করবে, যা মূলের পরিপূর্ণ সদৃশ। আর সে শাখার ব্যাপারে কোনো 'নস' থাকবে না। জমহুর উসুলবিদগণ বলেন, কিয়াসের তৃতীয় শর্তটি ছয়টি উপশর্তের সমষ্টি। আর তা হলো— ১. প্রত্যাবর্তিত হুকুমটি শরয়ি হওয়া, শাব্দিক না হওয়া । ২. কোনো রকমের পরিবর্তন ছাড়া আসল (اَصْلٌ)-এর হুকুম তার শাখা-প্রশাখা (فرع)-এর দিকে স্থানান্তরযোগ্য হওয়া। ৩. فرع তথা প্রাসঙ্গিক বিষয়টি সকল দিক দিয়ে আসল (اَصْلٌ)-এর অনুরূপ হওয়া। 8. فرع তথা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে কোনো নস না থাকা। নস থাকলে কিয়াস করা অর্থহীন বিবেচিত হবে। ৫. اَلتَّعْدِيَةُ তথা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আসল (اَصْلٌ)-এর হুকুম প্রযুক্ত হবে। এখানে প্রযুক্ত হওয়া দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আসল (اَصْلٌ)-এর বিধান সাব্যস্ত হওয়া। ৬. مُقَيَّسٌ عَلَيْهِ এর বিধান نص তথা কুরআন সুন্নাহ বা ঐকমত্য দ্বারা সাব্যস্ত হতে হবে। কেননা مُقَيَّسٌ عَلَيْهِ অন্যকোনো نص-এর فرع হলে قِيَاسٌ করা দীর্ঘসূত্রতার জন্ম দিবে, যা নিতান্তই নিষ্প্রয়োজন। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, অধ্যাপক আবদুশ শাকুর শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকালে কিয়াসের শর্তাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করেন। তার আলোচনা শুনে শিক্ষার্থীরা ব্যাপক খুশি হলো। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি হলো কিয়াস। আর এ কিয়াসের চারটি শর্ত রয়েছে। কিয়াসের তৃতীয় শর্ত সম্পর্কে উল্লিখিত আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
HSCIslamic Studies 2nd PaperChapter 4 : আল-কিয়াস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
ক
কিয়াস কত প্রকার?
খ
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
গ
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
ক
কিয়াস কত প্রকার?
খ
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
গ
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কিয়াস কত প্রকার?

কিয়াস কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
ক
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
খ
কিয়াসের নীতিমালা কী?
গ
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
ক
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
খ
কিয়াসের নীতিমালা কী?
গ
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কিয়াসের নীতিমালা কী?

কিয়াসের নীতিমালা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.প্রকাশ্য কিয়াস কী?

প্রকাশ্য কিয়াস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ক
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
খ
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ক
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
খ
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইজমা শব্দের অর্থ কী?

ইজমা শব্দের অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।