শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত মাদকদ্রব্য যার ভিত্তিতে হারাম হয়েছে, সে বিষয় সম্পর্কে ইমামদের মতামত তুলে ধর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত মাদকদ্রব্য কিয়াসের ভিত্তিতে হারাম হয়েছে, কিয়াসের পরিচয় ও হুকুম সম্পর্কে ইমামদের বিভিন্ন মত রয়েছে। কিয়াসের পরিচয়সংক্রান্ত মতামত হলো- ১. আল্লামা আবুল বারাকাত আন নাসাফি (র.) বলেন- الْقِيَاسُ فِي الشَّرْعِ تَقْدِيرُ الْفَرْعِ بِالْأَصْلِ فِي الْحُكْمِ وَالْعِلَةِ অর্থাৎ অর্থাৎ, “হুকুম ও ইল্লাতের মধ্যে শাখাকে (فَرْع) মূল (اَصْلُّ)-এর সাথে অনুমান করাকে শরিয়তের পরিভাষায় কিয়াস বলা হয়।” ২. তানকিহ গ্রন্থকার বলেন- هُوَ تَعْدِيَةُ الْحُكْمِ الْفَرْعِ অর্থাৎ “মূল (اَصْلٌ)-এর হুকুমকে শাখার (فَرْع) দিকে স্থানান্তর করাকে কিয়াস বলে।” ৩. মিরকাত গ্রন্থকার বলেন- هُوَ قَوْلٌ مُؤَلِفٌ مِنْ قَضَايَا يَلْزِمُ عَنْهَا قَوْلُ اَخْرُ بَعْدَ تَسْلِمٍ تِلْكَ قياسٌ الْقَضَايَا অর্থাৎ, قياسٌ এমন কতকগুলো বাক্য বা হুকুম দ্বারা গঠিত উক্তি (قَضَايَةً) যেগুলো মেনে নিলে অন্য একটি উক্তি মেনে নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়ে।” ৪. ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মতে, “কিয়াস হলো আইনের বিস্তৃতি। মূল আইন যখন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে কুলিয়ে উঠতে পারে না, তখন মূল আইন থেকে ইল্লাতের মাধ্যমে নতুন বিধি আহরণ করতে হয়, এতে আইনের যে বিস্তৃতি ঘটে তাই কিয়াস।” ৫. মালেকিগণের মতে, “মূল আইন থেকে ইল্লাত-এর যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্তকে কিয়াস বলা হয়।” ৬. শাফেয়িগণের মতে, “একটি পরিচিত জিনিসের সাথে অন্য একটি পরিচিত জিনিসের ইল্লাত-এর মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করাকে কিয়াস বলা হয়।” ৭. ইমাম আবুল মনসুর মাতুরিদি বলেন, “মূল-এর ইল্লাত (কার্যকারণ) পাওয়ার কারণে শাখার মধ্যে আসল-এর অনুরূপ হুকুম প্রকাশ করাকেই কিয়াস বলে।” কিয়াসের হুকুমসংক্রান্ত মতামত হলো- ১. اَلْمَنَارُ গ্রন্থকার আল্লামা আবুল বারাকাত আন নাসাফি (র.)-এর মতে- حُكْمُهُ الْإِصَابَةُ بِغَالِبِ الرَّايِ وَيُفِيدُ عِلْمَ الظَّنِى دُونَ الْيَقِينُ وَيُرْجِبُ الْعَمَلَ অর্থাৎ, “কিয়াসের হুকুম হলো প্রবল ধারণার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছা। তাই এটি ধারণামূলক জ্ঞান বা عِلْمٌ ظَنِى-এর ফায়দা দেবে কিন্তু প্রত্যয়মূলক জ্ঞান বা عِلْمُ يَقِيْنِ-এর নয়। তবে এর দাবি অনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব।” ২. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আলেমদের মতে- حُكْمُهُ تَعْدِيَةً حُكْمِ النّصّ إِلَى مَا لَا نَصَّ فِيهِ অর্থাৎ, “যেক্ষেত্রে সরাসরি নস পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে হুকুম হলো, নসের হুকুমকে যেখানে নস পাওয়া যায়নি সেদিকে ধাবিত করা।” সুতরাং نِيَاسٌ -এর ওপর আমল করা ওয়াজিব। উদ্দীপকে বর্ণিত, জুমআর খুতবা পরবর্তী বয়ানে মাওলানা আশিক মাদানি বলেন যে, ইয়াবা, ফেনসিডিল, সিসা, প্যাথিডিন কোকেন ইত্যাদি সকল মাদকদ্রব্য ইসলাম হারাম ঘোষণা করেছে। এগুলোর নাম কুরআন-হাদিসে সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও মুজতাহিদগণ কিয়াসের মাধ্যমে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত এসব মাদকদ্রব্য কিয়াসের ভিত্তিতে হারাম করা হয়েছে। আর কিয়াসের পরিচয় ও হুকুম সম্পর্কে ইমামদের উল্লিখিত মতামত রয়েছে

HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 4 : আল-কিয়াস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 4 : আল-কিয়াস · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত মাদকদ্রব্য যার ভিত্তিতে হারাম হয়েছে, সে বিষয় সম্প…

উদ্দীপক

জুমআর খুতবা পূর্ববর্তী বয়ানে মাওলানা আশিক মাদানি বলেন, সকল প্রকার মাদক গ্রহণ ইসলাম হারাম করেছে। যেমন- ইয়াবা, ফেনসিডিল, সিসা, প্যাথিডিন, কোকেন ইত্যাদি। যদিও এগুলোর ব্যবহার রাসুল (সা.)-এর যুগে ছিল না, তাই কুরআন ও হাদিসে এগুলোর সরাসরি উল্লেখ নেই। তবে কিয়াসের মাধ্যমে মুজতাহিদগণ এগুলোকে হারাম বা নিষিদ্ধ উল্লেখ করেছেন।

উত্তর

কিয়াস আরবি ভাষার শব্দ।

উত্তর

কিয়াস সম্পর্কে ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেন— “কিয়াস হলো আইনের বিস্তৃতি। মূল আইন যখন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে কুলিয়ে উঠতে না পারে, তখন মূল আইন থেকে ইল্লাতের তথা কার্যকারণের মাধ্যমে নতুন বিধি আহরণ করতে হয়, এতে আইনের যে বিস্তৃতি ঘটে তাই কিয়াস।”

উত্তর

কিয়াসের উৎপত্তির কারণ হলো, শরিয়তের অকাট্য স্পষ্ট দলিল তো সীমাবদ্ধ; কিন্তু ঘটনাবলি সীমাহীন। নিত্যনতুন এমনসব ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে যা পূর্বে সংঘটিত হয়নি এবং যে বিষয়ে শরিয়তের কোনো না কোনো হুকুম নির্ধারণ অবশ্যই করতে হয়। আর পূর্বে সংঘটিত ঘটনা ও বিষয়াবলি সম্পর্কেও কোনো না কোনো হুকুম রয়েছে। এরূপ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে ফকিহগণকে সেই দলিলহীন নতুন বিষয়টিকে পূর্ববর্তী দলিলসম্পন্ন বিষয় বা ব্যাপারের সাথে মিলিয়ে বিবেচনা করতে হয়েছে এবং দুটি বিষয়েই মৌল কারণে মিল সাদৃশ্য থাকায় দুটিতে একই হুকুম নির্ধারণ করতে হয়েছে। বস্তুত কুরআন ও সুন্নাহতে গভীর চিন্তা বিবেচনা করে সাদৃশ্যপূর্ণ ও তুলনাযোগ্য বিষয়াদি যাচাই-বাছাই করে সেসবের ওপর বুদ্ধিবৃত্তি আরোপের নিমিত্তে কিয়াসের উদ্ভব হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত মাদকদ্রব্য কিয়াসের ভিত্তিতে হারাম হয়েছে, কিয়াসের পরিচয় ও হুকুম সম্পর্কে ইমামদের বিভিন্ন মত রয়েছে। কিয়াসের পরিচয়সংক্রান্ত মতামত হলো- ১. আল্লামা আবুল বারাকাত আন নাসাফি (র.) বলেন- الْقِيَاسُ فِي الشَّرْعِ تَقْدِيرُ الْفَرْعِ بِالْأَصْلِ فِي الْحُكْمِ وَالْعِلَةِ অর্থাৎ অর্থাৎ, “হুকুম ও ইল্লাতের মধ্যে শাখাকে (فَرْع) মূল (اَصْلُّ)-এর সাথে অনুমান করাকে শরিয়তের পরিভাষায় কিয়াস বলা হয়।” ২. তানকিহ গ্রন্থকার বলেন- هُوَ تَعْدِيَةُ الْحُكْمِ الْفَرْعِ অর্থাৎ “মূল (اَصْلٌ)-এর হুকুমকে শাখার (فَرْع) দিকে স্থানান্তর করাকে কিয়াস বলে।” ৩. মিরকাত গ্রন্থকার বলেন- هُوَ قَوْلٌ مُؤَلِفٌ مِنْ قَضَايَا يَلْزِمُ عَنْهَا قَوْلُ اَخْرُ بَعْدَ تَسْلِمٍ تِلْكَ قياسٌ الْقَضَايَا অর্থাৎ, قياسٌ এমন কতকগুলো বাক্য বা হুকুম দ্বারা গঠিত উক্তি (قَضَايَةً) যেগুলো মেনে নিলে অন্য একটি উক্তি মেনে নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়ে।” ৪. ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মতে, “কিয়াস হলো আইনের বিস্তৃতি। মূল আইন যখন সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে কুলিয়ে উঠতে পারে না, তখন মূল আইন থেকে ইল্লাতের মাধ্যমে নতুন বিধি আহরণ করতে হয়, এতে আইনের যে বিস্তৃতি ঘটে তাই কিয়াস।” ৫. মালেকিগণের মতে, “মূল আইন থেকে ইল্লাত-এর যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্তকে কিয়াস বলা হয়।” ৬. শাফেয়িগণের মতে, “একটি পরিচিত জিনিসের সাথে অন্য একটি পরিচিত জিনিসের ইল্লাত-এর মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করাকে কিয়াস বলা হয়।” ৭. ইমাম আবুল মনসুর মাতুরিদি বলেন, “মূল-এর ইল্লাত (কার্যকারণ) পাওয়ার কারণে শাখার মধ্যে আসল-এর অনুরূপ হুকুম প্রকাশ করাকেই কিয়াস বলে।” কিয়াসের হুকুমসংক্রান্ত মতামত হলো- ১. اَلْمَنَارُ গ্রন্থকার আল্লামা আবুল বারাকাত আন নাসাফি (র.)-এর মতে- حُكْمُهُ الْإِصَابَةُ بِغَالِبِ الرَّايِ وَيُفِيدُ عِلْمَ الظَّنِى دُونَ الْيَقِينُ وَيُرْجِبُ الْعَمَلَ অর্থাৎ, “কিয়াসের হুকুম হলো প্রবল ধারণার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছা। তাই এটি ধারণামূলক জ্ঞান বা عِلْمٌ ظَنِى-এর ফায়দা দেবে কিন্তু প্রত্যয়মূলক জ্ঞান বা عِلْمُ يَقِيْنِ-এর নয়। তবে এর দাবি অনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব।” ২. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আলেমদের মতে- حُكْمُهُ تَعْدِيَةً حُكْمِ النّصّ إِلَى مَا لَا نَصَّ فِيهِ অর্থাৎ, “যেক্ষেত্রে সরাসরি নস পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে হুকুম হলো, নসের হুকুমকে যেখানে নস পাওয়া যায়নি সেদিকে ধাবিত করা।” সুতরাং نِيَاسٌ -এর ওপর আমল করা ওয়াজিব। উদ্দীপকে বর্ণিত, জুমআর খুতবা পরবর্তী বয়ানে মাওলানা আশিক মাদানি বলেন যে, ইয়াবা, ফেনসিডিল, সিসা, প্যাথিডিন কোকেন ইত্যাদি সকল মাদকদ্রব্য ইসলাম হারাম ঘোষণা করেছে। এগুলোর নাম কুরআন-হাদিসে সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও মুজতাহিদগণ কিয়াসের মাধ্যমে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত এসব মাদকদ্রব্য কিয়াসের ভিত্তিতে হারাম করা হয়েছে। আর কিয়াসের পরিচয় ও হুকুম সম্পর্কে ইমামদের উল্লিখিত মতামত রয়েছে
HSCIslamic Studies 2nd PaperChapter 4 : আল-কিয়াস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
কিয়াস কত প্রকার?
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
কিয়াস কত প্রকার?
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কিয়াস কত প্রকার?

কিয়াস কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
কিয়াসের নীতিমালা কী?
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
কিয়াসের নীতিমালা কী?
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কিয়াসের নীতিমালা কী?

কিয়াসের নীতিমালা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.প্রকাশ্য কিয়াস কী?

প্রকাশ্য কিয়াস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইজমা শব্দের অর্থ কী?

ইজমা শব্দের অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।