শেয়ারFacebookWhatsApp

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় নীতি বলতে ইমাম। সাহেব কোন নীতির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় নীতি বলতে ইমাম সাহেব কিয়াসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস ও গতিশীল পদ্ধতি হলো আল-কিয়াস। নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে কুরআন ও হাদিসে দেওয়া সমাধানের আলোকে নতুন সমস্যার সমাধান করাই হলো কিয়াস। আর ইসলামি আইনের এ পদ্ধতিটি রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। যার প্রমাণ পাওয়া যায় একটি ঘটনা থেকে। ঘটনাটি হলো- রাসুল (সা.) মুয়ায ইবনে জাবাল (রা.)-কে ইয়েমেনের শাসক হিসেবে প্রেরণের পূর্বে জিজ্ঞেস করেন, তুমি লোকের মধ্যে কীভাবে বিচার ফায়সালা করবে। মুয়ায (রা.) বলেন, প্রথমে আল্লাহর কিতাব দ্বারা। সেখানে না পেলে রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ দ্বারা। সেখানেও যদি না পাই তাহলে আমি কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আমার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিচার ফায়সালা করব। তার এ জবাবে রাসুল (সা.) অত্যন্ত খুশি হন। এতে প্রমাণিত হয়, কুরআন হাদিসের আলোকে গবেষণার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। ইমাম সাহেবের কথায় এ বিষয়টিই সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। কুরআন ও হাদিসে সুস্পষ্টভাবে মদ্যপান হারাম করা হয়ছে। কিন্তু বর্তমান যুগের ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল ইত্যাদিকেও ইসলামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অথচ পবিত্র কুরআন হাদিসে এবং ইজমার কোথাও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে এক্ষেত্রে কিয়াসের নীতি অবলম্বন করে এগুলোকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। ইমাম সাহেবের কথায় এ বিষয়টিরই ইঙ্গিত রয়েছে।

HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 4 : আল-কিয়াস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 4 : আল-কিয়াস · সৃজনশীল

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় নীতি বলতে ইমাম। সাহেব কো…

উদ্দীপক

সালমান মসজিদের ইমাম সাহেবকে বললেন, পবিত্র কুরআন ও হাদিসে সুস্পষ্টভাবে মদ্যপান হারাম করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান যুগের কোকেন, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল ইত্যাদিকেও ইসলামে হারাম করা হয়েছে। অথচ পবিত্র কুরআন, হাদিস এবং ইজমার কোথাও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। উত্তরে ইমাম সাহেব বললেন, এগুলোও এমন এক নীতির মাধ্যমে হারাম করা হয়েছে যা ছিল রাসুল (সা.)-এর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয়। আর উক্ত নীতি। বাস্তবায়িত হবে কুরআন ও হাদিসের ভিত্তিতেই।

উত্তর

কিয়াসের মূলনীতি চারটি।

উত্তর

উদ্ধৃত আয়াতটি ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস কিয়াসের প্রতি ইঙ্গিত করেছে। উদ্ধৃত আয়াতটির অর্থ হলো- "অতএব, হে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষেরা, তোমরা চিন্তা-গবেষণা কর।" (সূরা আল-হাশর: ২) মূলত ইসলামি শরিয়তে আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়। এ কারণে মহান আল্লাহ তায়ালা আলোচ্য আয়াতের মাধ্যমে মুসলিম জাতিকে কিয়াস করার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ভূত নতুন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কিয়াস করা আবশ্যক।

উত্তর

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় নীতি বলতে ইমাম সাহেব কিয়াসের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস ও গতিশীল পদ্ধতি হলো আল-কিয়াস। নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে কুরআন ও হাদিসে দেওয়া সমাধানের আলোকে নতুন সমস্যার সমাধান করাই হলো কিয়াস। আর ইসলামি আইনের এ পদ্ধতিটি রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। যার প্রমাণ পাওয়া যায় একটি ঘটনা থেকে। ঘটনাটি হলো- রাসুল (সা.) মুয়ায ইবনে জাবাল (রা.)-কে ইয়েমেনের শাসক হিসেবে প্রেরণের পূর্বে জিজ্ঞেস করেন, তুমি লোকের মধ্যে কীভাবে বিচার ফায়সালা করবে। মুয়ায (রা.) বলেন, প্রথমে আল্লাহর কিতাব দ্বারা। সেখানে না পেলে রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ দ্বারা। সেখানেও যদি না পাই তাহলে আমি কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আমার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিচার ফায়সালা করব। তার এ জবাবে রাসুল (সা.) অত্যন্ত খুশি হন। এতে প্রমাণিত হয়, কুরআন হাদিসের আলোকে গবেষণার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। ইমাম সাহেবের কথায় এ বিষয়টিই সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। কুরআন ও হাদিসে সুস্পষ্টভাবে মদ্যপান হারাম করা হয়ছে। কিন্তু বর্তমান যুগের ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল ইত্যাদিকেও ইসলামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অথচ পবিত্র কুরআন হাদিসে এবং ইজমার কোথাও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে এক্ষেত্রে কিয়াসের নীতি অবলম্বন করে এগুলোকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা রাসুল (সা.) পছন্দ করতেন। ইমাম সাহেবের কথায় এ বিষয়টিরই ইঙ্গিত রয়েছে।

উত্তর

ইমাম সাহেবের উক্ত নীতি তথা কিয়াসের বিধান বাস্তবায়িত হবে কুরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে। আল্লাহ তায়ালা আল-কুরআনে কিয়াস করার অনুমোদন দিয়েছেন। এ অনুমোদনের ভিত্তিতে রাসুল (সা.)-এর যুগেই কিয়াসের যাত্রা শুরু হয়। কিয়াস আল্লাহর নির্দেশে রাসুল (সা.) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এটি কুরআন-সুন্নাহর আলোকে করতে হবে এটাই স্বাভাবিক। মহানবি (সা.)-এর ইন্তেকালের পর থেকে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে। মানুষের জীবনযাত্রা ও চিন্তা-চেতনা এবং উদ্ভূত সমস্যার ক্ষেত্রেও ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে কুরআন ও হাদিসে এসব নতুন সমস্যার সমাধান নেই। প্রকৃতপক্ষে এসব সমস্যার সমাধানের উপায় হলো কিয়াস করা। আর বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে কুরআন ও হাদিসে দেওয়া সমাধানের আলোকে কিয়াস করতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ কুরআন হাদিসে যে সমাধান দেওয়া হয়েছে তা হলো আছল বা মূলনীতি। আর এ মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে সমাধান করাই হলো কিয়াস। মদ বাতীত অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য ইসলামের হারাম করা হয়েছে এমন একটি নীতির মাধ্যমে যা মহানবি (সা.) পছন্দ করতেন। আর তাঁর পছন্দনীয় এ নীতিটি হলো কিয়াস। এটি ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস।। ভাই কিয়াস কুরআন-হাদিসের মূলনীতি অনুযায়ীই করতে হয়। আর ইমাম। সাহেবের উক্তিতে এ কথার সমর্থন বর্তমান থাকায় তার বক্তব্যটি যথার্থ।
HSCIslamic Studies 2nd PaperChapter 4 : আল-কিয়াস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
কিয়াস কত প্রকার?
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান ও জাহিদ দুইজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হাসান ইদানীং গাঁজা খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে ইয়াবাও সেবন করে। জাহিদ এ কথা জানতে পেরে হাসানকে নিষেধ করে এবং নেশাদ্রব্য ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু হাসান জাহিদের কথা মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়ে বলে, বন্ধু তুমি যদি কুরআন-হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধ, একথা দেখাতে পার তাহলে আমি এগুলো ছেড়ে দিব। এ বিষয়টি নিয়ে তারা একজন আলিমের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।"
কিয়াস কত প্রকার?
কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?
হাসান শরিয়তের কোন উৎসটি অস্বীকার করেছে? এর পরিণতি সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

কিয়াসের রুকন কয়টি ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কিয়াস কত প্রকার?

কিয়াস কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
কিয়াসের নীতিমালা কী?
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহির সাহেব একজন বিজ্ঞ আলিম। তিনি কথা প্রসঙ্গে বললেন, ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস পদ্ধতি অনন্য। কেননা, ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন- إِنَّ الْقِيَاسَ يُعِيدُ الغَلَبَةَ الظَّنَّ وَيُوْجِبْ الْعَمَلَ بِهِ. অর্থাৎ, "নিশ্চয়ই কিয়াস প্রবল ধারণার জন্ম দেয় এবং তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব বলে গণ্য করে।" তিনি কিয়াসের ধরন ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে উদাহরণ টেনে বলেন- ১. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট পাক, ২. খরগোশের উচ্ছিষ্ট পাক। আবার অন্য আরেক প্রকার কিয়াসের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "কোনো পক্ষের বিনিময় বস্তুর সমপরিমাণের অতিরিক্ত গ্রহণ হারাম।"
প্রকাশ্য কিয়াস কী?
কিয়াসের নীতিমালা কী?
প্রথম উদাহরণগুলো কোন প্রকারের কিয়াস? ব্যাখ্যা কর।
শেষ উদাহরণটি কোন প্রকারের কিয়াস বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কিয়াসের নীতিমালা কী?

কিয়াসের নীতিমালা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.প্রকাশ্য কিয়াস কী?

প্রকাশ্য কিয়াস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব বশির ও জনাব নাজিম দুজন ইসলামি চিন্তাবিদ। তারা ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। জনাব বশির বললেন, এটি ইসলামি আইনশাস্ত্রের এক গতিশীল ধারা। জনাব নাজিম বললেন, শুধু তাই না এটি গ্রহণ ও প্রয়োগ নিঃসন্দেহে ইসলামি জীবনব্যবস্থার জন্য কল্যাণকর। কেননা এর মাধ্যমে আধুনিক জীবনব্যবস্থার নিত্যনতুন সমস্যার সমাধন করা সম্ভব হয়।
ইজমা শব্দের অর্থ কী?
ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
জনাব বশিরের উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
জনাব নাজিমের উক্তির সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের। স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

ইজমার আহল সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইজমা শব্দের অর্থ কী?

ইজমা শব্দের অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।