অধ্যাপক কামরুলের বক্তব্যে কাদের কথা উঠে এসেছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: অধ্যাপক কামরুলের বক্তব্যে ইসলামি পরিভাষায় 'মুনাফিক' -দের কথা উঠে এসেছে। মুখে ইমান আনার দাবি করে অন্তরে কুফর বা অবিশ্বাস লুকিয়ে রাখাকে নিফাক বলে, আর যারা এমন করে তাদের মুনাফিক বলা হয়। সূরা আল-বাকারার ৮ থেকে ২০ নং আয়াতে মুনাফিকদের চরিত্র ও মানসিকতার চমৎকার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআনের বর্ণনানুযায়ী, মুনাফিকরা সমাজে ফাসাদ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, অথচ বারণ করা হলে তারা নিজেদেরকে 'শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী' বা 'সমাজ সংস্কারক' বলে দাবি করে। উদ্দীপকে অধ্যাপক কামরুল সাহেব বলেছেন, সমাজে এমন কিছু লোক আছে যারা সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, কিন্তু নিজেদের সমাজ সংস্কারক মনে করে। গোপনে তারা সন্ত্রাসীদের মদদ দেয় এবং তাদের অন্তরে গুরুতর রোগ আছে। এই বর্ণনাটি সূরা বাকারার ১১ ও ১২ নং আয়াতের হুবহু প্রতিফলন, যেখানে আল্লাহ বলেছেন, "আর যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করো না, তারা বলে আমরা তো কেবল সংশোধনকারী।" এছাড়া সূরা বাকারার ১০ নং আয়াতে বলা হয়েছে, "তাদের অন্তরে রয়েছে ব্যাধি (নিফাকের রোগ)।" সুতরাং, অধ্যাপক সাহেবের বক্তব্যে নিশ্চিতভাবেই মুনাফিকদের কপট চরিত্রের কথা উঠে এসেছে।
HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 1 : আল-কুরআন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 1 : আল-কুরআন · সৃজনশীল
অধ্যাপক কামরুলের বক্তব্যে কাদের কথা উঠে এসেছে? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Combined · 2026
উত্তর
উত্তর