শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত আয়াতটি ইমাম সাহেব কেন তিলাওয়াত করলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: এইমাম সাহেব জামায়াতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য উল্লেখিত আয়াতটি তেলাওয়াত করেন। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করার একটি অন্যতম মাধ্যম হলো সালাত। প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির জন্য সালাত আদায় করা ফরজ। সালাত ব্যক্তিগতভাবে আদায় করলেই হবে না। সমাজে সালাত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সালাত দলবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে সালাত আদায়ের চেয়ে দলবদ্ধভাবে সালাতের গুরুত্ব অনেক বেশি। হাদিসে জামায়াতে সালাত আদায় একাকি আদায়ের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি সওয়াবের কথা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম সাহেবের তিলাওয়াতকৃত আয়াতটিতে এ বিষয়েরই গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। উদ্দীপকের ইমাম সাহেব যে আয়াতটি তিলাওয়াত করেন তা হলো- .وَأَقِيمُ والصَّلوةَ وَاتُو الزَّكُوةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ অর্থ: তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো (সুরা বাকারা: ৪৩)। সুতরাং দৃশ্যত স্পষ্ট যে, ইসলাম সালাতকে জামায়াতের সাথে আদায়ের জন্য অনেকবেশি গুরুত্বারোপ করেছে। তাছাড়া উদ্দীপকে উল্লেখিত আয়াতে দেখা যাচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা রুকুকারীদের সাথে রুকু করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আর এটা সহজেই বোধগম্য যে, রুকুকারীদের সাথে রুকু করা মানে একতাবদ্ধ হয়ে সালাত আদায় করা। উদ্দীপকের জনাব নাসের স্যার তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মসজিদে সালাত আদায় করার মাধ্যমে পবিত্র কুরআনের আদেশ মেনে চলছেন। ইমাম সাহেব নাসের স্যারের জামায়াতে সালাতের দৃশ্য দেখেই এ আয়াতটি তেলাওয়াত করেন।

HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 1 : আল-কুরআন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 1 : আল-কুরআন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত আয়াতটি ইমাম সাহেব কেন তিলাওয়াত করলেন? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

জনাব রায়হান 'ক' কলেজের একজন শিক্ষক। তিনি ছাত্র- ছাত্রীদের নৈতিকতা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি নিজে মেনে চলেন না। সম্প্রতি উক্ত কলেজে জনাব নাসের নামের একজন শিক্ষক যোগদান করেন। জোহরের আজান হলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তিনি মসজিদে সালাত আদায় করেন। এ দৃশ্য দেখে মসজিদের ইমাম সাহেব নিম্নোক্ত আয়াতটি তিলাওয়াত করে শুনান। .وَأَقِيمُ والصَّلوةَ وَاتُو الزَّكُوةَ وَارْكَعُوْا مَعَ الرَّاكِعِينَ

Dhaka · 2018

উত্তর

إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً অর্থ: নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে (আমার) প্রতিনিধি বানাবো।

উত্তর

আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য প্রার্থনার অন্যতম মাধ্যম সালাত ও ধৈর্যধারণ। মৌলিক ইবাদতগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম হলো- সালাত। এটি আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনকারী। বান্দা যখন সালাতের মধ্যে দাঁড়ায় তখন সে তার প্রভুর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। আবার ধৈর্যধারণ মুমিনের একটি বিশেষ গুণ। আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যশীলদের পছন্দ করেন। সুতরাং মানুষের উচিত হলো ধৈর্যসহকারে সালাতে তার সমস্ত অনুযোগ প্রভুর কাছে পেশ করা। আল্লাহ তায়ালা বলেন- 'তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো' (সুরা বাকারা: ৪৫)। আল্লাহ ধৈর্যসহকারে সালাতের মধ্যকার একান্ত মিনতি খুবই পছন্দ করেন।

উত্তর

এইমাম সাহেব জামায়াতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য উল্লেখিত আয়াতটি তেলাওয়াত করেন। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করার একটি অন্যতম মাধ্যম হলো সালাত। প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির জন্য সালাত আদায় করা ফরজ। সালাত ব্যক্তিগতভাবে আদায় করলেই হবে না। সমাজে সালাত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সালাত দলবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে সালাত আদায়ের চেয়ে দলবদ্ধভাবে সালাতের গুরুত্ব অনেক বেশি। হাদিসে জামায়াতে সালাত আদায় একাকি আদায়ের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি সওয়াবের কথা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম সাহেবের তিলাওয়াতকৃত আয়াতটিতে এ বিষয়েরই গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। উদ্দীপকের ইমাম সাহেব যে আয়াতটি তিলাওয়াত করেন তা হলো- .وَأَقِيمُ والصَّلوةَ وَاتُو الزَّكُوةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ অর্থ: তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো (সুরা বাকারা: ৪৩)। সুতরাং দৃশ্যত স্পষ্ট যে, ইসলাম সালাতকে জামায়াতের সাথে আদায়ের জন্য অনেকবেশি গুরুত্বারোপ করেছে। তাছাড়া উদ্দীপকে উল্লেখিত আয়াতে দেখা যাচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা রুকুকারীদের সাথে রুকু করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আর এটা সহজেই বোধগম্য যে, রুকুকারীদের সাথে রুকু করা মানে একতাবদ্ধ হয়ে সালাত আদায় করা। উদ্দীপকের জনাব নাসের স্যার তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মসজিদে সালাত আদায় করার মাধ্যমে পবিত্র কুরআনের আদেশ মেনে চলছেন। ইমাম সাহেব নাসের স্যারের জামায়াতে সালাতের দৃশ্য দেখেই এ আয়াতটি তেলাওয়াত করেন।

উত্তর

আলোচ্য আয়াতে উপদেশ দাতার উপদেশ দানের সাথে নিজেকেও উপদেশ মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ভারসাম্যপূর্ণ ধর্ম। ইসলামে প্রতিটি বিষয়ের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে। উপদেশদানের আগে উপদেশ দানকারীকে সংশ্লিষ্ট বিষয় মেনে চলতে হয়। কথা একরকম আর কাজ অন্যরকম হলে ব্যক্তি মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের একটি নিন্দনীয় স্বভাব হলো তারা যা বলে তা করে না। নিজেদের সুবিধার জন্য একরকম উপদেশ দেয়। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে তারা নিজেরা সে উপদেশের বিপরীত কাজ করে। বিশেষ করে ইহুদি ও খ্রিষ্টান ধর্মযাজকরা তাদের ধর্মগ্রন্থের সব সৎকাজ সম্পর্কে অবহিত থাকে। তাদের কাছে লোকজন আসলে তাদের এসব ভালো কাজের নির্দেশ দেয়, হেদায়েতের পথ দেখায়, ভালো কাজের গুরুত্বের প্রতি নির্দেশ দেয়। কিন্তু তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে এসব উপদেশের কথা ভুলে যায়। সুরা বাকারার ৪৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন- তোমরা কি মানুষকে ভালো কাজের আদেশ করো এবং নিজেদের (জীবনে তা বাস্তবায়নের) কথা ভুলে যাও? অথচ তোমরা সবাই আল্লাহর কিতাব পড়ো; কিন্তু (কিতাবের এ কথাটি) তোমরা কি বুঝো না? ইসলাম ধর্মমতে মুখে ও অন্তরে একই ধারণা পোষণ করতে হবে। বিপরীত ধারণা পোষণ করলে সে মুনাফিক হিসেবে পরিগণিত হবে। উদ্দীপকের জনাব রায়হান সাহেব তার ছাত্র-ছাত্রীদের নৈতিকতা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি নিজে তা মেনে চলেন না। তার চরিত্রের সাথে ইহুদি ও খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের মিল রয়েছে। রায়হান সাহেবের মত তারাও লোকদের ভালো উপদেশ দিত কিন্তু নিজেরা তা মানত না। সুতরাং বলতে পারি, রায়হান সাহেবের চরিত্রের সাথে ইহুদি-খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের চরিত্রের মিল রয়েছে।
HSCIslamic Studies 2nd PaperChapter 1 : আল-কুরআন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

J সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ। ইসলামি বিধি-বিধান সম্পর্কে ভালোভাবে জানত না এবং মানতো না। কথিত ইসলামি পণ্ডিত K তাকে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক চলার পরামর্শ দেয়। অথচ K মাঝে মাঝে নামাজ ত্যাগ করে, অনাহারীকে খাবার দেয় না, তার স্ত্রী ও কন্যারা পর্দা করে না। K সম্পর্কে ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞাসা করা হলে, ইমাম সাহেব আয়াতগুলো পাঠ করেন: أَتَأْمُرُونَ النَّاسَ بِالْبِرِّ وَتَنْسَوْنَ اَنْفُسَكُمْ وَأَنْتُمْ تَتْلُوْنَ الْكِتَبَ أَفَلَا تَعْقِلُوْنَ وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلُوةِ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى الْخَشِعِينَ.

Rajshahi · 2017

ক
বনি-ইসরাইল কারা?
খ
অর্থ লিখ : وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ
গ
K এর চরিত্র কোন সম্প্রদায়ের সাথে মিলে? বিশ্লেষণ কর।
ঘ
J কীভাবে আল্লাহর সান্নিধ্য পাবে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

J সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ। ইসলামি বিধি-বিধান সম্পর্কে ভালোভাবে জানত না এবং মানতো না। কথিত ইসলামি পণ্ডিত K তাকে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক চলার পরামর্শ দেয়। অথচ K মাঝে মাঝে নামাজ ত্যাগ করে, অনাহারীকে খাবার দেয় না, তার স্ত্রী ও কন্যারা পর্দা করে না। K সম্পর্কে ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞাসা করা হলে, ইমাম সাহেব আয়াতগুলো পাঠ করেন: أَتَأْمُرُونَ النَّاسَ بِالْبِرِّ وَتَنْسَوْنَ اَنْفُسَكُمْ وَأَنْتُمْ تَتْلُوْنَ الْكِتَبَ أَفَلَا تَعْقِلُوْنَ وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلُوةِ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى الْخَشِعِينَ.

Rajshahi · 2017

ক
বনি-ইসরাইল কারা?
খ
অর্থ লিখ : وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ
গ
K এর চরিত্র কোন সম্প্রদায়ের সাথে মিলে? বিশ্লেষণ কর।
ঘ
J কীভাবে আল্লাহর সান্নিধ্য পাবে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থ লিখ : وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ

অর্থ লিখ : وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বনি-ইসরাইল কারা?

বনি-ইসরাইল কারা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বক্তা একটি জাতি সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। আল্লাহ সেই জাতির মধ্যে অনেক নবি-রাসুল প্রেরণ করেন। তাছাড়া তাদের মান্না ও সালওয়া দান করেন। সেই সময় একজন অত্যাচারী শাসক তাদের স্বাধীনতা হরণ করে দাসে পরিণত করে। এমনকি তাদের পুত্রদের হত্যা করত আর কন্যাদের অব্যাহতি দিত।

Rajshahi · 2017

ক
مُتَّقِى এর সংজ্ঞা লেখ।
খ
অনুবাদ কর: وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَقُوْلُ آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَمَا هُمْ بِمُؤْمِنِينَ.
গ
উদ্দীপকে কোন শাসক সম্পর্কে বলা হয়েছে? তার পরিণতি লেখ।
ঘ
উদ্দীপকে কোন জাতি সম্পর্কে বলা হয়েছে? তাদেরকে আল্লাহ যে অনুগ্রহরাজি দান করেছিলেন তা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বক্তা একটি জাতি সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। আল্লাহ সেই জাতির মধ্যে অনেক নবি-রাসুল প্রেরণ করেন। তাছাড়া তাদের মান্না ও সালওয়া দান করেন। সেই সময় একজন অত্যাচারী শাসক তাদের স্বাধীনতা হরণ করে দাসে পরিণত করে। এমনকি তাদের পুত্রদের হত্যা করত আর কন্যাদের অব্যাহতি দিত।

Rajshahi · 2017

ক
مُتَّقِى এর সংজ্ঞা লেখ।
খ
অনুবাদ কর: وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَقُوْلُ آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَمَا هُمْ بِمُؤْمِنِينَ.
গ
উদ্দীপকে কোন শাসক সম্পর্কে বলা হয়েছে? তার পরিণতি লেখ।
ঘ
উদ্দীপকে কোন জাতি সম্পর্কে বলা হয়েছে? তাদেরকে আল্লাহ যে অনুগ্রহরাজি দান করেছিলেন তা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.অনুবাদ কর: وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَقُوْلُ آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَمَا هُمْ بِمُؤْمِنِينَ.

অনুবাদ কর: وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَقُوْلُ آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَمَا هُمْ بِمُؤْمِنِينَ.

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.مُتَّقِى এর সংজ্ঞা লেখ।

مُتَّقِى এর সংজ্ঞা লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব আসিফ তার বন্ধু সাদিক ও নাইমকে তার খামার দেখাতে গেলেন। খামার দেখে মুগ্ধ হয়ে সাদিক বলল, আপনি খুব ভাগ্যবান। আল্লাহ আপনাকে অনেক ফসল দিয়েছেন। এ কথা শুনে নাইম বলল, আল্লাহ ও ভাগ্য বলে কিছু নেই। আসিফ প্রচুর পরিশ্রম ও অনেক বিনিয়োগ করেছেন তাই ভালো ফসল পেয়েছেন। তখন আসিফ নাইমকে- الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَكُمْ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ.

Rajshahi · 2017

ক
السُّفَهَاءُ অর্থ কী?
খ
ذلِكَ الْكِتَبُ لَا رَيْبَ فِيهِ . এর মর্মার্থ লিখ।
গ
পঠিত আয়াত দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নাইমের পরিণতি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব আসিফ তার বন্ধু সাদিক ও নাইমকে তার খামার দেখাতে গেলেন। খামার দেখে মুগ্ধ হয়ে সাদিক বলল, আপনি খুব ভাগ্যবান। আল্লাহ আপনাকে অনেক ফসল দিয়েছেন। এ কথা শুনে নাইম বলল, আল্লাহ ও ভাগ্য বলে কিছু নেই। আসিফ প্রচুর পরিশ্রম ও অনেক বিনিয়োগ করেছেন তাই ভালো ফসল পেয়েছেন। তখন আসিফ নাইমকে- الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَكُمْ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ.

Rajshahi · 2017

ক
السُّفَهَاءُ অর্থ কী?
খ
ذلِكَ الْكِتَبُ لَا رَيْبَ فِيهِ . এর মর্মার্থ লিখ।
গ
পঠিত আয়াত দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
নাইমের পরিণতি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ذلِكَ الْكِتَبُ لَا رَيْبَ فِيهِ . এর মর্মার্থ লিখ।

ذلِكَ الْكِتَبُ لَا رَيْبَ فِيهِ . এর মর্মার্থ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.السُّفَهَاءُ অর্থ কী?

السُّفَهَاءُ অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।