শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের "দেখে নেব” বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে কি সমর্থনযোগ্য? সমাজে এর ফলাফল নিরূপণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত 'দেখে নেব' বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণে প্রতিহিংসাপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, যা ইসলামের দৃষ্টিতে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ সমাজে বিপর্যয় ও বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। তাই ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুষ্ঠু, সুন্দর সমাজ গঠন ইসলামের কাম্য। ঔদ্ধত্য, প্রতিহিংসার মাধ্যমে কারও ক্ষতি করার প্রবণতাকে ইসলামে স্থান দেওয়া হয়নি। বরং এ ধরনের মানসিকতার অধিকারীকে নিবৃত্ত করতে বলা হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামি শিক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত। আর এ ধরনের আচরণ- সমাজে অরাজকতা, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সমাজকে অকল্যাণের দিকে ধাবিত করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দুজন বিবাদকারীকে মিলানোর জন্য একজন ইমাম মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু বিবাদকারীর একজন ভুল বুঝতে পেরে সংযত হলেও অন্যজন ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে। সে 'দেখ নেব' বলে অপরজনকে হুমকি দেয়। এ ধরনের আচরণকারী ইসলামে জুলুমকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং তাকে নিবৃত্ত করতে ইসলামে উৎসাহিত করা হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে- 'তোমরা অত্যাচারী ভাইকে সাহায্য করো এবং অত্যাচারিত ভাইকে সাহায্য করো। যদি সে অত্যাচারী হয়, তাহলে তাকে অত্যাচার থেকে নিবৃত্ত করো। আর যদি সে অত্যাচারিত হয়, তবে তাকে সাহায্য করো।' মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। তাই কেউ যদি কারও ক্ষতি করতে চায় তাহলে অপর মুসলমানের কর্তব্য হলো তাদেরকে সংশোধন করে দেওয়া। কেউ যদি সংশোধন না হয় তাহলে বিপর্যয় রোধ করার জন্য সামষ্টিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কারণ জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ইসলামে এর কোনো স্থান নেই। এসব কাজ মানুষের অধিকার নষ্ট করে এবং যারা কাজে জড়িত থাকে তাদের পরকালীন ও ইহকালীন কল্যাণ বিনষ্ট হয়। তাই জালিমকে যথাসম্ভব প্রতিরোধ করাই মুমিনের কর্তব্য। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে একথা প্রমাণিত যে 'দেখে নেব' বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। কারণ এ ধরনের কাজ সমাজের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি ব্যক্তির জন্যও ক্ষতিকর।

HSC Islamic Studies 2nd Paper Chapter 2 : আল-হাদিস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · Chapter 2 : আল-হাদিস · সৃজনশীল

উদ্দীপকের "দেখে নেব” বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে কি…

উদ্দীপক

একদিন দুজন পথচারীর মধ্যে হাঁটার সময় সামান্য ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তুমুল ঝগড়া বেঁধে গেল। রাস্তায় লোকজন জড়ো হয়ে তাদের থামাতে ব্যর্থ হয়। ক্রুব্ধ দুজনের কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। দুজনের মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হলো। এ সময় মসজিদের ইমাম সাহেব ঐ পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। অবস্থা আঁচ করতে পেরে তিনি দুজনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে বললেন, "তোমরা থামো, আমি একটি হাদিস শুনাচ্ছি”। আল্লাহর রাসুল (স) এরশাদ করেন- لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرْعَةِ إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ . হাদিসটির অনুবাদ শুনালে একজন লজ্জিত হয়ে হাত মেলাতে উদ্যত হলে অপরজন তাকে দেখে নেব বলে হুমকি দিয়ে চলে গেল।

উত্তর

রাবি শব্দের অর্থ বর্ণনাকারী।

উত্তর

আলোচ্য হাদিসের অর্থ হলো- মানুষ তার বন্ধুর দীন বা জীবনাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ হাদিসটি আবু হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেছেন। এখানে মহানবি (স) সৎ বন্ধু নির্বাচনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। মানুষের সাধারণ স্বভাব হচ্ছে বন্ধুর কর্মপদ্ধতি ও আদর্শের প্রতি আগ্রহী হওয়া। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক ও সাবধান হতে হবে। এক্ষেত্রে ধর্মপ্রাণ, সৎ, আল্লাহভীরু ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করতে রাসুল (স) উৎসাহিত করেছেন। হাদিসটি থেকে আমরা মূলত এ শিক্ষাই লাভ করি।

উত্তর

উল্লিখিত হাদিসের আলোকে হাত মিলাতে উদ্যত পথচারীকে প্রকৃত শক্তিমান বলে আখ্যায়িত করা যায়। উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসটি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে। এখানে রাসুল (স) বলেছেন- 'সেই ব্যক্তি শক্তিমান নয় যে মল্লযুদ্ধে সক্ষম, বরং শক্তিমান তো সেই ব্যক্তি যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে' (বুখারি ও মুসলিম)। এ হাদিস অনুযায়ী হাত মিলাতে উদ্যত পথচারীর মধ্যে শক্তিমানের বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি সামান্য বিষয় নিয়ে দুজন পথচারী ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতিও করে। এ সময় ইমাম সাহেব তাদেরকে থামাতে উল্লিখিত হাদিসটি শোনান। হাদিসটি শুনে বিবাদকারীর একজন অন্যজনের সাথে হাত মিলাতে উদ্যত হয়। অর্থাৎ সে রাগের সময় নিজের ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। ক্রোধ একটি রিপু। এর ফলে ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে পড়ে, হিতাহিত জ্ঞান থাকেনা। ফলে সে নিজের ও অন্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তাই যারা এ প্রবৃত্তির সাথে যুদ্ধ করে নিজেকে সংযত করতে পারে তারা বিজয়ী হয়। এটি সর্বোত্তম জিহাদের পর্যায়ভুক্ত। সুতরাং হাদিস অনুযায়ী হাত মিলাতে উদ্যত পথচারীকে প্রকৃত শক্তিমান বলা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত 'দেখে নেব' বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণে প্রতিহিংসাপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, যা ইসলামের দৃষ্টিতে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণ সমাজে বিপর্যয় ও বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। তাই ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুষ্ঠু, সুন্দর সমাজ গঠন ইসলামের কাম্য। ঔদ্ধত্য, প্রতিহিংসার মাধ্যমে কারও ক্ষতি করার প্রবণতাকে ইসলামে স্থান দেওয়া হয়নি। বরং এ ধরনের মানসিকতার অধিকারীকে নিবৃত্ত করতে বলা হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামি শিক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত। আর এ ধরনের আচরণ- সমাজে অরাজকতা, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সমাজকে অকল্যাণের দিকে ধাবিত করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, দুজন বিবাদকারীকে মিলানোর জন্য একজন ইমাম মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু বিবাদকারীর একজন ভুল বুঝতে পেরে সংযত হলেও অন্যজন ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে। সে 'দেখ নেব' বলে অপরজনকে হুমকি দেয়। এ ধরনের আচরণকারী ইসলামে জুলুমকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং তাকে নিবৃত্ত করতে ইসলামে উৎসাহিত করা হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে- 'তোমরা অত্যাচারী ভাইকে সাহায্য করো এবং অত্যাচারিত ভাইকে সাহায্য করো। যদি সে অত্যাচারী হয়, তাহলে তাকে অত্যাচার থেকে নিবৃত্ত করো। আর যদি সে অত্যাচারিত হয়, তবে তাকে সাহায্য করো।' মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। তাই কেউ যদি কারও ক্ষতি করতে চায় তাহলে অপর মুসলমানের কর্তব্য হলো তাদেরকে সংশোধন করে দেওয়া। কেউ যদি সংশোধন না হয় তাহলে বিপর্যয় রোধ করার জন্য সামষ্টিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কারণ জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ইসলামে এর কোনো স্থান নেই। এসব কাজ মানুষের অধিকার নষ্ট করে এবং যারা কাজে জড়িত থাকে তাদের পরকালীন ও ইহকালীন কল্যাণ বিনষ্ট হয়। তাই জালিমকে যথাসম্ভব প্রতিরোধ করাই মুমিনের কর্তব্য। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে একথা প্রমাণিত যে 'দেখে নেব' বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। কারণ এ ধরনের কাজ সমাজের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি ব্যক্তির জন্যও ক্ষতিকর।
HSCIslamic Studies 2nd PaperChapter 2 : আল-হাদিস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অধ্যাপক রহমান সাহেব শ্রেণিকক্ষে কুরআনের দুটি আয়াত নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম আয়াতে পাপাচার থেকে আত্মরক্ষা ও পরকালে মুক্তির গুণসম্পন্ন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর দ্বিতীয় আয়াতে অনন্ত জীবনের জবাবদিহিতার প্রতি অনীহা প্রদর্শন ও স্রষ্টার প্রতি আস্থাহীনদের পরিণতির কথা ব্যক্ত রয়েছে ।
ক
আল-কুরআন কী?
খ
আলিফ-লাম-মিম কী?
গ
অধ্যাপক রহমান সাহেবের প্রথম বক্তব্যে কাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক রহমান সাহেবের দ্বিতীয় বন্তব্যে বর্ণিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের করুণ পরিণতি বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অধ্যাপক রহমান সাহেব শ্রেণিকক্ষে কুরআনের দুটি আয়াত নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম আয়াতে পাপাচার থেকে আত্মরক্ষা ও পরকালে মুক্তির গুণসম্পন্ন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর দ্বিতীয় আয়াতে অনন্ত জীবনের জবাবদিহিতার প্রতি অনীহা প্রদর্শন ও স্রষ্টার প্রতি আস্থাহীনদের পরিণতির কথা ব্যক্ত রয়েছে ।
ক
আল-কুরআন কী?
খ
আলিফ-লাম-মিম কী?
গ
অধ্যাপক রহমান সাহেবের প্রথম বক্তব্যে কাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক রহমান সাহেবের দ্বিতীয় বন্তব্যে বর্ণিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের করুণ পরিণতি বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আলিফ-লাম-মিম কী?

আলিফ-লাম-মিম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আল-কুরআন কী?

আল-কুরআন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাইজা একজন কলেজ ছাত্রী। তার বাবা একজন ধর্মীয় শিক্ষক। সে ইসলামি আচার-আচরণ ও বিধিবিধান মেনে চলতে সচেষ্ট থাকে। তার বান্ধবী রাইসা একদিন তাদের বাসায় বেড়াতে এসে অনৈসলামিক পোশাকে নাইজার বাবার সামনে গেলে তিনি রাইসাকে বলেন, “মা, ইসলামি পোশাক নারীকে যেমন শালীন করে, তেমনি সবার কাছে মানমর্যাদাও বৃদ্ধি করে।”
ক
হাদিস শব্দের অর্থ কী?
খ
উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসাংশের ব্যাখ্যা কর ।
গ
নাইজার চরিত্রে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ কর ।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসের আলোকে নাইজার বাবার মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাইজা একজন কলেজ ছাত্রী। তার বাবা একজন ধর্মীয় শিক্ষক। সে ইসলামি আচার-আচরণ ও বিধিবিধান মেনে চলতে সচেষ্ট থাকে। তার বান্ধবী রাইসা একদিন তাদের বাসায় বেড়াতে এসে অনৈসলামিক পোশাকে নাইজার বাবার সামনে গেলে তিনি রাইসাকে বলেন, “মা, ইসলামি পোশাক নারীকে যেমন শালীন করে, তেমনি সবার কাছে মানমর্যাদাও বৃদ্ধি করে।”
ক
হাদিস শব্দের অর্থ কী?
খ
উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসাংশের ব্যাখ্যা কর ।
গ
নাইজার চরিত্রে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ কর ।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসের আলোকে নাইজার বাবার মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসাংশের ব্যাখ্যা কর ।

উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসাংশের ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.হাদিস শব্দের অর্থ কী?

হাদিস শব্দের অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ শ্রেণিকক্ষে আল-কুরআন সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসলাম শিক্ষার অধ্যাপক আবু সাঈদ জবাবে বললেন, আল-কুরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব। এটি কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানবমণ্ডলীর জীবন বিধান। তিনি আল-কুরআনের শাব্দিক অর্থ, পারিভাষিক অর্থ ও কাঠামোগত পরিচয়ও বর্ণনা করলেন ।
ক
আল-কুরআন কত বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়?
খ
কুরআন দ্বারা কুরআনের পরিচয় দাও ।
গ
অধ্যাপক আবু সাঈদ কোনটিকে জীবন বিধান বলেছেন?কুরআনের আলোকে তার উক্ত বক্তব্য ও বাস্তবতা নিরূপণ কর।
ঘ
উদ্দীপকে যে বিষয়টি আলোচিত হয়েছে, তার পরিচয় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ শ্রেণিকক্ষে আল-কুরআন সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসলাম শিক্ষার অধ্যাপক আবু সাঈদ জবাবে বললেন, আল-কুরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব। এটি কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানবমণ্ডলীর জীবন বিধান। তিনি আল-কুরআনের শাব্দিক অর্থ, পারিভাষিক অর্থ ও কাঠামোগত পরিচয়ও বর্ণনা করলেন ।
ক
আল-কুরআন কত বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়?
খ
কুরআন দ্বারা কুরআনের পরিচয় দাও ।
গ
অধ্যাপক আবু সাঈদ কোনটিকে জীবন বিধান বলেছেন?কুরআনের আলোকে তার উক্ত বক্তব্য ও বাস্তবতা নিরূপণ কর।
ঘ
উদ্দীপকে যে বিষয়টি আলোচিত হয়েছে, তার পরিচয় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কুরআন দ্বারা কুরআনের পরিচয় দাও ।

কুরআন দ্বারা কুরআনের পরিচয় দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.আল-কুরআন কত বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়?

আল-কুরআন কত বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

অধ্যাপক রহমান সাহেবের দ্বিতীয় বন্তব্যে বর্ণিত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের করুণঅধ্যাপক রহমান সাহেবের প্রথম বক্তব্যে কাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।আলিফ-লাম-মিম কী?আল-কুরআন কী?উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসের আলোকে নাইজার বাবার মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর ।নাইজার চরিত্রে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ কর ।উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসাংশের ব্যাখ্যা কর ।হাদিস শব্দের অর্থ কী?উদ্দীপকে যে বিষয়টি আলোচিত হয়েছে, তার পরিচয় বিশ্লেষণ কর।অধ্যাপক আবু সাঈদ কোনটিকে জীবন বিধান বলেছেন?কুরআনের আলোকে তার উক্ত বক্তব্য ও বাস্কুরআন দ্বারা কুরআনের পরিচয় দাও ।আল-কুরআন কত বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের "দেখে নেব” বলে হুমকি প্রদানকারীর আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে কি… | Prosthuti