শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্রের (B)-এর সাথে বাই ও মুশারাকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: চিত্রের 'B [গণিত] মুদারাবা-এর সাথে মুশারাকা ও বাই-এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- বিনিয়োগের তিনটি পদ্ধতির মাঝে প্রথমে রয়েছে অংশীদারি পদ্ধতি। যা দুই ধরনের। যথা: ১. মুদারাবা: লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে কোনো উদ্যোক্তাকে ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদে বুঝুঁকিপূর্ণ পুঁজি বিনিয়োগ অথবা প্রকল্পে অর্থায়ন। ২. মুশারাকা: উৎপাদনশীল বিনিয়োগের লাভ ও ক্ষতি বণ্টনের অংশীদারিত্ব। বিনিয়োগের ৩য় পদ্ধতি 'ক্রয়-বিক্রয়': ১. বাই মুরাবাহা : বাই মুরাবাহা হলো নির্ধারিত ও সম্মত লাভের ভিত্তিতে গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করা। ২. বাই মুয়াজ্জাল: ব্যাংক কর্তৃক মুনাফার উদ্দেশ্য গ্রাহকের নিকট বাকিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়। ৩. বাই সালাম: বাই সালাম এমন এক ব্যবসায়িক চুক্তি যার আওতায় ভবিষ্যতে কোনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহের শর্তে ব্যাংক মালের দাম আগাম পরিশোধ করে। ৪. বাই ইসতিসনা: কোনো নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদন বা নির্মাণ করে বিক্রয়ের চুক্তি, যাতে উৎপাদনকারী বা নির্মাতা কর্তৃক উক্ত পণ্য তৈরি বা নির্মাণের পর গ্রাহককে সরবরাহ করার বাধ্যবাধকতা থাকে। পরিশেষে বলা যায়, মুদারাবাতে ব্যাংক লাভ-লোকসানের ঝুঁকি নেয় এবং মুশরাকাতে লাভ-ক্ষতি বণ্টনের অংশীদারিত্ব থাকে। অপরদিকে, 'বাই' হলো ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ পদ্ধতি।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

চিত্রের (B)-এর সাথে বাই ও মুশারাকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

যাবতীয় মন্দ, খারাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে কাউকে বিরত রাখাকে 'নাহি আনিল মুনকার' বলে।

উত্তর

উশর ও খারাজ এক নয়। এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। তা হলো- ১. উশর মুসলমানদের থেকে আদায় করা হয়। এটি এক ধরনের যাকাত এবং ইবাদতের মধ্যে শামিল। খারাজ অমুসলিমদের থেকে নেওয়া হয়। এটি কর তবে যাকাত বা ইবাদতের মধ্যে শামিল নয়। ২. উশর হিসেবে জমির ফসলের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। আর খারাজ ফসল নির্ভর নয়, জমি নির্ভর।' ৩. উশর কখনো মাফ বা হ্রাস করা যায় না। কিন্তু খারাজ হ্রাস বা একেবারেই মাফ হতে পারে। ৪. উশর শুধু ফসলের মাধ্যমেই আদায় করা হয়, কিন্তু খারাজ ফসল অথবা নগদ অর্থের মাধ্যমে আদায় করা যায়।

উত্তর

চিত্রে 'XX^{\prime} দ্বারা ইসলামি ব্যাংকিং-এর বিনিয়োগ পদ্ধতি বোঝানো হয়েছে। ইসলামি ব্যাংকিং বলতে এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যার মৌলিক বিধান, নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতিতে ইসলামি শরিয়াহর মূলনীতি অনুসরণেরর সুস্পষ্ট অঙ্গীকার থাকবে এবং যার সকল প্রকার কাজকর্ম ও আদান-প্রদান হবে সুদের লেনদেন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামি ব্যাংকগুলো শরিয়াহ অনুমোদিত যেসব পদ্ধতি সাধারণভাবে অনুসরণ করে সে পদ্ধতিগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। (ক) অংশীদারি পদ্ধতি- ১. মুদারাবা ও ২. মুশরাকা। (খ) মালিকানায় শরিকানা বা শিরকাতুল মিলকের ভিত্তিতে ভাড়ায় ক্রয়, হায়ার পারচেজ আকার শিরকাতুল মিলক। (গ) ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতি: ১. বাই মুরাবাহা; ২. বাই মুয়াজ্জাল; ৩. বাই সালাম; ৪. বাই ইসতিসনা

উত্তর

চিত্রের 'BB^{\prime} মুদারাবা-এর সাথে মুশারাকা ও বাই-এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- বিনিয়োগের তিনটি পদ্ধতির মাঝে প্রথমে রয়েছে অংশীদারি পদ্ধতি। যা দুই ধরনের। যথা: ১. মুদারাবা: লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে কোনো উদ্যোক্তাকে ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদে বুঝুঁকিপূর্ণ পুঁজি বিনিয়োগ অথবা প্রকল্পে অর্থায়ন। ২. মুশারাকা: উৎপাদনশীল বিনিয়োগের লাভ ও ক্ষতি বণ্টনের অংশীদারিত্ব। বিনিয়োগের ৩য় পদ্ধতি 'ক্রয়-বিক্রয়': ১. বাই মুরাবাহা : বাই মুরাবাহা হলো নির্ধারিত ও সম্মত লাভের ভিত্তিতে গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করা। ২. বাই মুয়াজ্জাল: ব্যাংক কর্তৃক মুনাফার উদ্দেশ্য গ্রাহকের নিকট বাকিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়। ৩. বাই সালাম: বাই সালাম এমন এক ব্যবসায়িক চুক্তি যার আওতায় ভবিষ্যতে কোনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহের শর্তে ব্যাংক মালের দাম আগাম পরিশোধ করে। ৪. বাই ইসতিসনা: কোনো নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদন বা নির্মাণ করে বিক্রয়ের চুক্তি, যাতে উৎপাদনকারী বা নির্মাতা কর্তৃক উক্ত পণ্য তৈরি বা নির্মাণের পর গ্রাহককে সরবরাহ করার বাধ্যবাধকতা থাকে। পরিশেষে বলা যায়, মুদারাবাতে ব্যাংক লাভ-লোকসানের ঝুঁকি নেয় এবং মুশরাকাতে লাভ-ক্ষতি বণ্টনের অংশীদারিত্ব থাকে। অপরদিকে, 'বাই' হলো ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ পদ্ধতি।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

জাকাতের নিসাব কী?
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

জাকাতের নিসাব কী?
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জাকাতের নিসাব কী?

জাকাতের নিসাব কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

আল-ফাই কী?
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

আল-ফাই কী?
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আল-ফাই কী?

আল-ফাই কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

উশর কী?
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

উশর কী?
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উশর কী?

উশর কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।