শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যপট-১-এ ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই কোন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: দৃশ্যপট-১ এ ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইসলামি অর্থব্যবস্থা ভারসাম্যপূর্ণ সুষম অর্থনীতি : পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের বিপরীতে ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ সুষম অর্থব্যবস্থা কায়েম করে। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি অবশ্যই তার স্বাভাবিক অধিকার লাভ করবে। কিন্তু তাতে ধনসম্পদের বণ্টনের ভারসাম্য নষ্ট হবে না। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিমালিকানা এবং নিজের উপার্জিত ধনম্পদ ব্যয় করার অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। তবে তা সম্পূর্ণভাবে কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে ধর্মীয় ও নৈতিক বিধিনিষেধ এবং রাষ্ট্রীয় আইনের অবকাঠামো সীমাবদ্ধ থাকবে। ফলে ইসলামি অর্থব্যবস্থার ধনসম্পদ ও উৎপাদনের যাবতীয় উপকরণাদি কারও হাতে অস্বাভাবিকভাবে কেন্দ্রীভূত হতে পারে না বলে এখানে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

দৃশ্যপট-১-এ ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই কোন? ব্যাখ্য…

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১ : আল্লাহ তায়ালা ইসলামি অর্থব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজিয়েছেন যে, এখানে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই। দৃশ্যপট-২: পৃথিবীতে বিভিন্ন সময় মানব রচিত বিভিন্ন অর্থব্যবস্থা মানুষের কল্যাণের জন্য প্রণীত হয়েছে কিন্তু তাতে মানুষের কল্যাণ ও অর্থনেতিক মুক্তি লাভ হয়নি।

উত্তর

উশর শব্দের অর্থ হলো এক দশমাংশ।

উত্তর

ইসলামি অর্থব্যবস্থা কল্যাণমূলক। কেননা সুদি অর্থব্যবস্থায় মানুষকে শোষণ করা হয়, ধনীকে ধনী ও গরিবকে আরও গরিব করা হয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থা সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে ধনী- গরিবের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। এ ব্যবস্থায় অর্থ উপার্জন করে মানবকল্যাণে ব্যয় করার অনুভূতি জাগ্রত করা হয়। ফলে ধনিক শ্রেণি আবর্তমানবতার সেবায় বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ায়। অর্থকে পুঞ্জীভূত না করে মানুষের কল্যাণে তা ব্যয় করে। তাই বলা যায় ইসলামি অর্থব্যবস্থা কল্যাণমূলক।

উত্তর

দৃশ্যপট-১ এ ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইসলামি অর্থব্যবস্থা ভারসাম্যপূর্ণ সুষম অর্থনীতি : পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের বিপরীতে ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ সুষম অর্থব্যবস্থা কায়েম করে। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি অবশ্যই তার স্বাভাবিক অধিকার লাভ করবে। কিন্তু তাতে ধনসম্পদের বণ্টনের ভারসাম্য নষ্ট হবে না। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিমালিকানা এবং নিজের উপার্জিত ধনম্পদ ব্যয় করার অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। তবে তা সম্পূর্ণভাবে কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে ধর্মীয় ও নৈতিক বিধিনিষেধ এবং রাষ্ট্রীয় আইনের অবকাঠামো সীমাবদ্ধ থাকবে। ফলে ইসলামি অর্থব্যবস্থার ধনসম্পদ ও উৎপাদনের যাবতীয় উপকরণাদি কারও হাতে অস্বাভাবিকভাবে কেন্দ্রীভূত হতে পারে না বলে এখানে ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য হওয়ার সুযোগ নেই।

উত্তর

দৃশ্যপট-২ এ মানব রচিত অর্থব্যবস্থায় কোনো কল্যাণ ও মুক্তি নেই। সমাধান নিম্নবাদ পৃথিবীতে নানা দেশে নানা রকম অর্থব্যবস্থা পরিচালিত। যেমন- ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি সম্পদের মালিকানা ভোগ করে এবং ইচ্ছামতো উৎপাদন, বণ্টন, বিপণন ও মুনাফা অর্জন করতে পারে। ফলে কালোবাজারি ও মজুতদারি তৈরি হয়। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের এবং উৎপাদন, বণ্টন, বিপণন ও ভোগের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদান করা হয়। ফলে মানুষের উৎপাদনস্পৃহা কমে যায় এবং আর্থিক করা হয় বিপর্যয় নেমে আসে। মিশ্র অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি মালিকানা ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগ ও নিয়ন্ত্রণ বিরাজ করে। অর্থাৎ এখানে ব্যক্তিগত ও সরকারি উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখে, যা সুদনির্ভর অর্থব্যবস্থা অপরপক্ষে ইসলামি অর্থব্যবস্থা ইসলামের মৌলিক নিয়মকানুনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত হয়। এখানে সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা স্বীকৃত হলেও তা ব্যবহারের ক্ষমতা আল্লাহর বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই এখানে ইচ্ছামতো উৎপাদন, বিপণন, বণ্টন ও ভোগ করা যায় না। এ ব্যবস্থা সুদমুক্ত ও কল্যাণমূলক। সুতরাং অর্থনৈতিক মুক্তি ও কল্যাণের জন্য ইসলামিক অর্থব্যবস্থা বাস্তবায়নই সমাধান হতে পারে।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

ক
জাকাতের নিসাব কী?
খ
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
গ
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

ক
জাকাতের নিসাব কী?
খ
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
গ
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জাকাতের নিসাব কী?

জাকাতের নিসাব কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২১২২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

ক
আল-ফাই কী?
খ
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২১২২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

ক
আল-ফাই কী?
খ
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আল-ফাই কী?

আল-ফাই কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

ক
উশর কী?
খ
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
গ
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

ক
উশর কী?
খ
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
গ
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উশর কী?

উশর কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।