উদ্দীপকে কোন ধরনের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা-কর।
উত্তর: উদ্দীপকে ইসলামি অর্থব্যবস্থা ও পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের কথা বলা হয়েছে। ইসলামি ও পাশ্চাত্য অর্থনীতি উভয়েই সমাজের অর্থনৈতিক বিভিন্ন কার্যাবলি; যেমন- উৎপাদনের উপাদানসমূহের ব্যবহার, উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন ও ভোগসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। ইসলামি ও পাশ্চাত্য অর্থনীতিতে সম্পদের মালিকানা স্বীকৃত। পাশ্চাত্য ও ইসলামি অর্থনীতির বৈসাদৃশ্য হলো- ইসলামি অর্থব্যবস্থার সাথে পাশ্চাত্যের প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য থাকলেও বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। ইসলামি অর্থনীতির নীতিমালা কুরআন ও সুন্নাহ থেকে উৎসারিত। পক্ষান্তরে, পাশ্চাত্য অর্থনীতির নীতিমালা মানব রচিত। ইসলামি অর্থনীতিতে হারাম-হালাল বেছে চলা হয়। কিন্তু পাশ্চাত্য অর্থনীতিতে বৈধ অবৈধের বালাই নেই। ইসলামি অর্থনীতিতে যা মানবকল্যাণে সাধন করেন এবং আল্লাহর পথের অন্তরায় তা সম্পদ নয়। যেমন- হেরোইন, মদ, গাঁজা ইত্যাদি। পাশ্চাত্য অর্থনীতিতে প্রবৃত্তির তাড়নায় যা কিছু প্রয়োজন সবই সম্পদ। ইসলামি অর্থনীতিতে সুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কিন্তু পাশ্চাত্য অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো সুদ। উদ্দীপকে অধ্যাপক আতিক সাহেব ইসলামি অর্থব্যবস্থার সাথে অন্যান্য অর্থব্যবস্থার তুলনামূলক পর্যালোচনা করতে গিয়ে বলেন, পাশ্চাত্য অর্থনীতি ও ইসলামি অর্থনীতির মাঝে বেশকিছু সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ইসলামি অর্থব্যবস্থা ও পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের কথা বলা হয়েছে।
HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল
উদ্দীপকে কোন ধরনের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা-কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর