শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকের দুটি বিনিয়োগ পদ্ধতি আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে যে ব্যাংকের কথা বলা হয়েছে তা হলো ইসলামি ব্যাংক। উক্ত ব্যাংকগুলোর স্বতন্ত্র বিনিয়োগ পদ্ধতি রয়েছে। ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলো হলো- ১. বাইয়ে মুরাবাহা, অর্থাৎ কোনো মাল ক্রয় করার পর কিছু মুনাফাসহ অর্থাৎ ক্রয়মূল্যের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভের অঙ্ক যোগ করে তা পুনরায় বিক্রি করা। এ পদ্ধতিতে অর্থ বিনিয়োগের সময় ইসলামি ব্যাংক একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। ২. বাইয়ে মুদারাবা, এক পক্ষ কর্তৃক মূলধন এবং অপর পক্ষ শ্রম বিনিয়োগ করে যে ব্যবসা হয় তা হলো বাইয়ে মুদারাবা। এ ক্ষেত্রে মূলধন সরবরাহ করে ব্যাংক আর গ্রাহক দেয় শ্রম। ৩. বাইয়ে মুশারাকা, যে কারবারে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মূলধন ও লাভ-লোকসানে অংশীদার হওয়ার চুক্তিতে কারবার করে তাকে বাইয়ে মুশারাকা বলে। এক্ষেত্রে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয়েই মূলধন সরবরাহ করবে। ৪. বাইয়ে মুয়াজজাল, এ পদ্ধতিতে বিক্রিত মাল ক্রেতাকে আগে সরবরাহ করা হয় এবং পরে নির্ধারিত সময়ে মূল্য পরিশোধ করা হয়। ৫. বাইয়ে সালাম, দ্রব্যমূল্য অগ্রিম পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তিতে ক্রয়। ৬. ইসলামি বিভিন্ন শিল্পকারখানা ইত্যাদি নির্মাণ ও চালু করে নিলামে বিক্রয় করে। ৭. আবার ইসলামি ব্যাংক সরাসরিও বিনিয়োগ করে। যেমন- কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, পরিবহণ এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও গৃহনির্মাণ প্রভৃতি খাতে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি মূলধন বিনিয়োগ করে থাকে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, বিংশ শতাব্দীর পূর্বে সমগ্র বিশ্ববাসী এমনকি মুসলিম উম্মাহও ইসলামি ব্যাংকিং সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিল। বিংশ শতাব্দীতে এসে বিশ্ববাপী ইসলামি ব্যাংক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভকরে। পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বব্যাপী ইসলামি ব্যাংক তার স্বতন্ত্র বিনিয়োগ পদ্ধতির কারণে দিন দিন জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহণ করছে।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকের দুটি বিনিয়োগ পদ্ধতি আলোচনা কর।

উদ্দীপক

ইসলামি অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো ইসলামি ব্যাংকব্যবস্থা। বিংশ শতাব্দীর পূর্বে সমগ্র বিশ্ববাসী এমনকি মুসলিম উম্মাহও ছিল ইসলামি ব্যাংক সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অজ্ঞ। বিংশ শতাব্দীতে এসে সমগ্র মুসলিম দেশগুলোসহ সারাবিশ্বে ইসলামি ব্যাংক ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমান বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা একটি জনপ্রিয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা।

উত্তর

উশর হলো মুসলমানদের ভূমিকর বা ফসলের যাকাত।

উত্তর

ইসলামি ব্যাংক এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যার সকল প্রকার কার্যাবলি তথা বিনিয়োগ, আমানত গ্রহণ, ঋণপ্রদানসহ যাবতীয় লেনদেন কুরআন, হাদিস ও ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত - এবং তা প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি সুদ থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত। ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) ইসলামি ব্যাংকিং এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। আর তা হলো- "ইসলামি ব্যাংক হলো এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা তার উদ্দেশ্য, আইন-কানুন ও কর্মপদ্ধতির সকল স্তরে ইসলামি শরিয়াহর নীতিমালাকে মেনে চলে এবং তার 'যাবতীয় লেনদেন সুদের আদান-প্রদানকে বর্জন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।".

উত্তর

উদ্দীপকে যে ধরনের ব্যাংকের কথা বলা হয়েছে তা হলো ইসলামি ব্যাংক। ইসলামি ব্যাংক অন্যান্য সাধারণ ব্যাংকের মতো কার্যাবলি সম্পাদন করলেও ইসলামি ব্যাংকের কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইসলামি ব্যাংকের সাধারণ বৈশিষ্টগুলো হলো- ইসলামি ব্যাংক সম্পূর্ণরূপে শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত। এর লেনদেন কোনো অবস্থাতেই শরিয়ত পরিপন্থি হবে না। এ ব্যাংক ব্যবস্থায় আমানত গ্রহণ ও বিনিয়োগ প্রদানে সম্পূর্ণ সুদমুক্ত। এতে কোনো অবস্থাতেই সুদের লেনদেন করা যাবে না। ইসলামি ব্যাংক হলো গ্রাহক এবং ব্যাংকের মধ্যে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসায়। এ ব্যাংকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণে সচেষ্ট। সমাজের বিভিন্ন স্তরে মানুষের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে আনা এ ব্যাংকের লক্ষ্য। ঋণের বিপরীতে বিনিয়োগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ইসলামি ব্যাংক সুদকে নিরুৎসাহিত করেছে। ইসলামি ব্যাংকের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধু মুনাফা অর্জনে ব্যস্ত নয় বরং এটি জনকল্যাণে নিয়োজিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বেকার সমস্যা সমাধানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ব্যাংক যাকাত আদায়ের মাধ্যমে জনগণকে যাকাত প্রদানে উৎসাহিত করেছে। মানবসম্পদ উন্নয়নে এ ব্যাংকের প্রচেষ্টা লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকে ইসলামি ব্যাংকের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি হলো ইসলামি ব্যাংক। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত অংশে ইসলামি ব্যাংকের উল্লিখিত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসমূহ রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে যে ব্যাংকের কথা বলা হয়েছে তা হলো ইসলামি ব্যাংক। উক্ত ব্যাংকগুলোর স্বতন্ত্র বিনিয়োগ পদ্ধতি রয়েছে। ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলো হলো- ১. বাইয়ে মুরাবাহা, অর্থাৎ কোনো মাল ক্রয় করার পর কিছু মুনাফাসহ অর্থাৎ ক্রয়মূল্যের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভের অঙ্ক যোগ করে তা পুনরায় বিক্রি করা। এ পদ্ধতিতে অর্থ বিনিয়োগের সময় ইসলামি ব্যাংক একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। ২. বাইয়ে মুদারাবা, এক পক্ষ কর্তৃক মূলধন এবং অপর পক্ষ শ্রম বিনিয়োগ করে যে ব্যবসা হয় তা হলো বাইয়ে মুদারাবা। এ ক্ষেত্রে মূলধন সরবরাহ করে ব্যাংক আর গ্রাহক দেয় শ্রম। ৩. বাইয়ে মুশারাকা, যে কারবারে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মূলধন ও লাভ-লোকসানে অংশীদার হওয়ার চুক্তিতে কারবার করে তাকে বাইয়ে মুশারাকা বলে। এক্ষেত্রে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয়েই মূলধন সরবরাহ করবে। ৪. বাইয়ে মুয়াজজাল, এ পদ্ধতিতে বিক্রিত মাল ক্রেতাকে আগে সরবরাহ করা হয় এবং পরে নির্ধারিত সময়ে মূল্য পরিশোধ করা হয়। ৫. বাইয়ে সালাম, দ্রব্যমূল্য অগ্রিম পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তিতে ক্রয়। ৬. ইসলামি বিভিন্ন শিল্পকারখানা ইত্যাদি নির্মাণ ও চালু করে নিলামে বিক্রয় করে। ৭. আবার ইসলামি ব্যাংক সরাসরিও বিনিয়োগ করে। যেমন- কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, পরিবহণ এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও গৃহনির্মাণ প্রভৃতি খাতে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি মূলধন বিনিয়োগ করে থাকে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, বিংশ শতাব্দীর পূর্বে সমগ্র বিশ্ববাসী এমনকি মুসলিম উম্মাহও ইসলামি ব্যাংকিং সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিল। বিংশ শতাব্দীতে এসে বিশ্ববাপী ইসলামি ব্যাংক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভকরে। পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বব্যাপী ইসলামি ব্যাংক তার স্বতন্ত্র বিনিয়োগ পদ্ধতির কারণে দিন দিন জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহণ করছে।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 5 : ইসলামের অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

ক
জাকাতের নিসাব কী?
খ
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
গ
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাহেদা ও রিতা দুই বান্ধবী। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তবে রাজনৈতিক মতাদর্শে শাহেদা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে আর রিতা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। মাঝে মধ্যেই তারা নিজেদের সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করে আলোচনা করে। একদিন অধ্যাপক হামিদ সাহেব বিষয়টি জানতে পেরে তাদেরকে বললেন, 'পাশ্চাত্য অর্থব্যবস্থা মানুষের সার্বিক কল্যাণ দিতে পারে না'।

Comilla · 2017

ক
জাকাতের নিসাব কী?
খ
উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
গ
শাহেদা ও রিতার চিন্তাধারা কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অধ্যাপক হামিদ সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উশর ও খারাজের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জাকাতের নিসাব কী?

জাকাতের নিসাব কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২১২২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

ক
আল-ফাই কী?
খ
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিহাব উদ্দীন তার বন্ধু আবিদ হোসেনের কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এক বছর পর উক্ত ঋণের এক লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য বন্ধু আবিদের বাড়িতে গেলে তিনি বলেন, স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তুমি জাকাত আদায় করো না। এর জন্য তোমাকে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। আমি এ বছর মোট সম্পদ হিসেব করে শতকরা ২১২২ \frac{১}{২} টাকা হারে মোট এক লক্ষ টাকা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও মসজিদে ব্যয় করেছি। তখন শিহাব উদ্দীন বলেন, আমার জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি তোমার সম্পদের এ ধরনের ব্যয় যথাযথ নয়।

Dhaka · 2017

ক
আল-ফাই কী?
খ
'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।
গ
জনাব শিহাব উদ্দীনের জাকাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
জনাব আবিদ হোসেনের সম্পদ ব্যয় বিষয়ে জনাব শিহাব উদ্দীনের বক্তব্যের মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

'উশর ও খারাজ এক নয়।'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আল-ফাই কী?

আল-ফাই কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

ক
উশর কী?
খ
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
গ
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে পাঁচ বছর চাকুরী করেছিলেন। সে দেশে তিনি লক্ষ করেছিলেন তাঁর কয়েকজন বন্ধু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ প্রদান করেন না। একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুকে বললেন, শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ। আবদুল আলি সাহেবের বন্ধু কবির সাহেব বলেন, সম্পদশালীদের জন্য এমন ইবাদতও ফরজ করা হয়েছে যাতে শারীরিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং যা পালন করতে গিয়ে অন্যান্য দেশের মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়।

Rajshahi · 2018

ক
উশর কী?
খ
হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।
গ
করিব সাহেবের বক্তব্যে কোন ইবাদতের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

হারাম উপার্জন ইবাদত কবুলের অন্তরায়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উশর কী?

উশর কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।