শেয়ারFacebookWhatsApp

অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তি তথা মদিনা সনদের গুরুত্ব অপরিসীম। মদিনায় বহু সম্প্রদায় বসবাস করত। যেমন— ইহুদি, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমান। এদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল না এবং কোনো কোনো গোত্র দীর্ঘকাল যাবৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত। মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে গোত্রে গোত্রে সম্প্রীতি স্থাপন করা হয় এবং জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হয়। ফলে মদিনা একটি অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। আর এসবের নেতৃত্ব দেন মহানবি (সা.)। বর্তমানেও কোনো রাষ্ট্র যদি বিভিন্ন জাতি সত্তার নাগরিক থাকে, তাহলে সেখানে মদিনা সনদের আলোকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। মদিনা সনদকে Role Model হিসেবে গণ্য করে সে আলোকে রাষ্ট্রের নীতিমালা ও করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। যদি তা করা যায় তাহলে ওই রাষ্ট্র অসাম্প্রদায়িক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, সমাজসেবিকা মায়মুনা বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের লোকদের স্বার্থ সংরক্ষণের নিমিত্তে একটি সার্বজনীন চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যবস্থা করেন। চুক্তিতে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন, কেউ কারো ওপর হস্তক্ষেপ না করা, বিপদে এগিয়ে আসা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়, যা মদিনা সনদের সাথে তুলনীয়। সুতরাং বলা যায়, অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তি তথা মদিনা সনদের গুরুত্ব অপরিসীম।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

জনাব মায়মুনা 'ক' এলাকার একজন সমাজসেবিকা। তিনি বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের লোকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান। এ ব্যাপারে তিনি সবার স্বার্থ সংরক্ষণের নিমিত্তে একটি সার্বজনীন চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যবস্থা করেন এবং প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে নেতা নির্বাচন করেন। চুক্তিতে বলা হয়, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে। কেউ কারো উপর হস্তক্ষেপ করবে না। একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসবে। কেউ কারো কোনো ক্ষতি করবে না। এক গোত্রের সাথে অপর গোত্রের কোনো বিরোধ হলে নেতৃবৃন্দ ফায়সালা করবে। এভাবে উক্ত এলাকায় জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব গোত্রের লোকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চলতে লাগল।

Dhaka · 2019

উত্তর

স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি মানুষের যে দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে তা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সুন্দরভাবে পালন করাকে ইহসান বলে।

উত্তর

মহানবি (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মানুষকে দয়া করে না তাকে আল্লাহ দয়া করে না।” (বুখারি ও মুসলিম) এ হাদিসে মানব সেবার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আর মানব সেবা না করলে তার প্রতি মহান আল্লাহ কী আচরণ করবেন তা উক্ত হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে । এর মর্মার্থ হলো মহান আল্লাহ পরম দয়ালু ও মেহেরবান হওয়া সত্ত্বেও ওই ব্যক্তির প্রতি দয়া করবেন না, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না। তাই সব মানুষের সাথে সদয় আচরণ করা এবং মানুষের প্রতি দয়া দেখানো আমাদের প্রত্যেকেরই কর্তব্য। যদি আমরা মানুষের প্রতি দয়া দেখাতে পারি তাহলে অবশ্যই আল্লাহ আমাদের প্রতি দয়া করবেন।

উত্তর

জনাব মায়মুনার উদ্যোগে স্বাক্ষরিত চুক্তিটির সাথে পাঠ্যপুস্তকের মদিনার সনদের সামঞ্জস্য রয়েছে। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করেন। মদিনায় তখন মুসলমান মুহাজির ও আনসার সম্প্রদায় ছাড়াও মূর্তি উপাসক, খ্রিষ্টান এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের লোক বাস করত। ইসলামি রাষ্ট্রের বুনিয়াদ সুদৃঢ় করার জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা.) সেসব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এবং সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। সেখানে আউস ও খাযরাজ গোত্র দীর্ঘদিন যাবৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। তিনি তাদের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করেন এবং তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেন। এছাড়া মদিনার অন্যান্য সম্প্রদায়ের পরস্পরের মধ্যে সদ্ভাব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুসংহত ইসলামি রাষ্ট্র বিনির্মাণে ৪৭টি ধারাবিশিষ্ট একটি চুক্তি প্রণয়ন করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটি 'মদিনা সনদ' নামে খ্যাত। মদিনা সনদের ধারাসমূহের সাথে উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তির মিল লক্ষ করা যায়। তাই বলা যায়, জনাব মায়মুনার উদ্যোগে স্বাক্ষরিত চুক্তিটির সাথে পাঠ্যপুস্তকের মদিনা সনদের সামঞ্জস্য রয়েছে।

উত্তর

অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তি তথা মদিনা সনদের গুরুত্ব অপরিসীম। মদিনায় বহু সম্প্রদায় বসবাস করত। যেমন— ইহুদি, খ্রিষ্টান, পৌত্তলিক ও মুসলমান। এদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল না এবং কোনো কোনো গোত্র দীর্ঘকাল যাবৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত। মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে গোত্রে গোত্রে সম্প্রীতি স্থাপন করা হয় এবং জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হয়। ফলে মদিনা একটি অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। আর এসবের নেতৃত্ব দেন মহানবি (সা.)। বর্তমানেও কোনো রাষ্ট্র যদি বিভিন্ন জাতি সত্তার নাগরিক থাকে, তাহলে সেখানে মদিনা সনদের আলোকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। মদিনা সনদকে Role Model হিসেবে গণ্য করে সে আলোকে রাষ্ট্রের নীতিমালা ও করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। যদি তা করা যায় তাহলে ওই রাষ্ট্র অসাম্প্রদায়িক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, সমাজসেবিকা মায়মুনা বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের লোকদের স্বার্থ সংরক্ষণের নিমিত্তে একটি সার্বজনীন চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যবস্থা করেন। চুক্তিতে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন, কেউ কারো ওপর হস্তক্ষেপ না করা, বিপদে এগিয়ে আসা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়, যা মদিনা সনদের সাথে তুলনীয়। সুতরাং বলা যায়, অসাম্প্রদায়িক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে উক্ত চুক্তি তথা মদিনা সনদের গুরুত্ব অপরিসীম।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।