শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ড. আলী রেজা আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র বলতে কোন রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ড. আলী রেজা আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র বলতে মূলত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। যে রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে কোরআন ও সুন্নাহর বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং যেখানে দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়, তাকে ইসলামি রাষ্ট্র বলে। এটি একটি আদর্শ কল্যাণকামী রাষ্ট্র, যার মূল লক্ষ্য হলো ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক ড. আলী রেজা শ্রেণিকক্ষে এমন এক আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্রের রূপরেখা তুলে ধরেন, যেখানে বসবাসরত সব নাগরিক সমানভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকে। ইসলামি রাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিকদের পাশাপাশি অমুসলিম নাগরিকদেরও পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এখানে কেউ বঞ্চনার শিকার হয় না। যেহেতু ড. আলী রেজার বর্ণিত রাষ্ট্রটিতে সকল নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ ও সমান সুযোগ-সুবিধার কথা বলা হয়েছে, তাই পাঠ্যবইয়ের আলোকে এটি সুস্পষ্টভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই নির্দেশ করে।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ড. আলী রেজা আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র বলতে কোন রাষ্ট্র ব্যবস্…

উদ্দীপক

ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক ড. আলী রেজা শ্রেণিকক্ষে এমন এক আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্রের রূপরেখা উপস্থাপন করেন, যেখানে বসবাসরত সকল নাগরিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। এ বিষয়ে খতিব আহসান হাবিব তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন-এরূপ রাষ্ট্রের প্রধান ইসলামের বিধিবিধান মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।

Combined · 2026

উত্তর

উদ্দীপকে ড. আলী রেজা আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র বলতে মূলত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। যে রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে কোরআন ও সুন্নাহর বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং যেখানে দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়, তাকে ইসলামি রাষ্ট্র বলে। এটি একটি আদর্শ কল্যাণকামী রাষ্ট্র, যার মূল লক্ষ্য হলো ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক ড. আলী রেজা শ্রেণিকক্ষে এমন এক আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্রের রূপরেখা তুলে ধরেন, যেখানে বসবাসরত সব নাগরিক সমানভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকে। ইসলামি রাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিকদের পাশাপাশি অমুসলিম নাগরিকদেরও পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এখানে কেউ বঞ্চনার শিকার হয় না। যেহেতু ড. আলী রেজার বর্ণিত রাষ্ট্রটিতে সকল নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ ও সমান সুযোগ-সুবিধার কথা বলা হয়েছে, তাই পাঠ্যবইয়ের আলোকে এটি সুস্পষ্টভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই নির্দেশ করে।

উত্তর

উদ্দীপকে খতিব আহসান হাবিব উদ্ধৃত রাষ্ট্রব্যবস্থাটি হলো ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা। এই রাষ্ট্রব্যবস্থায় একজন রাষ্ট্রপ্রধান বা খলিফার প্রধান দায়িত্ব হলো কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা করে সমাজে ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। উদ্দীপকে খতিব আহসান হাবিব উল্লেখ করেছেন যে, এরূপ কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রধান মূলত ইসলামের বিধিবিধান মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। ইসলামি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধান কোনো নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী নন, বরং তিনি মহান আল্লাহর প্রতিনিধি ও জনগণের খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাই সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করা এবং সমাজে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে তাঁর কাঁধে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত থাকে। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে একজন ইসলামি রাষ্ট্রপ্রধানের অন্যতম প্রধান কর্তব্য হলো দেশে ইসলামি আইন বা শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করা এবং তা যথাযথভাবে কার্যকর করা। তাঁকে অবশ্যই রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে হবে। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা এবং মজলুম বা অত্যাচারিত ব্যক্তির পক্ষে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা তাঁর অন্যতম দায়িত্ব। এছাড়া রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করার জন্য যোগ্য সেনাবাহিনী গঠন করাও রাষ্ট্রপ্রধানের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব অত্যন্ত ব্যাপক ও জবাবদিহিতামূলক। তাঁকে কেবল দুনিয়ার মানুষের কাছেই নয়, বরং পরকালে মহান আল্লাহর কাছেও নিজের দায়িত্ব পালনের হিসাব দিতে হয়। তাই খতিব আহসান হাবিবের ইঙ্গিত অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপ্রধান যখন কোরআন ও সুন্নাহর পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ করে সততা, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার সাথে এই দায়িত্বগুলো পালন করেন, তখনই সেই রাষ্ট্রটি একটি প্রকৃত আদর্শ ও কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।