শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির গঠনপ্রণালি সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: সকল রাষ্ট্রের-ই গঠনপ্রণালি থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রেরও নির্দিষ্ট গঠনপ্রণালি রয়েছে। ইসলামি রাষ্ট্রে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন আমির বা রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত করতে হবে এমন সক্ষম পুরুষকে যিনি যোগ্য, সৎ, খোদাভীরু ও খাঁটি মুসলমান। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্র হবে কুরআন ও হাদিসের আলোকে। এ দুটির সমন্বয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি বিধিবিধান প্রণীত ও পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রপ্রধানকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যাবতীয় কর্মকাণ্ডে পরামর্শ দেওয়ার জন্য একটি মজলিস-উশ-শূরা বা পরামর্শ সভা থাকবে। জনগণের পূর্ণ সমর্থন ও রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতিক্রমে মজলিস-উশ-শুরার সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-উশ-শুরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, তা ইসলামি মূল্যবোধ মোতাবেক ও কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক হতে হবে। এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৃতিত্ব অর্জনের জন্য ইসলামি বিধান বহির্ভূত কিছু করতে পারবে না। সরকার পরিচালনা, শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের উন্নতি ও অগ্রগতি সবকিছুতেই ইসলামি শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ইসলামি রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য। অতএব এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী, আইন জারি ও প্রতিষ্ঠা করাই । মূল লক্ষ্য। মানুষের গড়া কোনো আইন সেখানে স্থান পাবে না। এরূপ রাষ্ট্রই ইহ ও পরকালীন শান্তি ও মুক্তি দিতে পারে।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটির গঠনপ্রণালি সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁরই খলিফা হিসেবে সৃষ্টি। করেছেন। তাদেরকে এ পৃথিবী পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। শরিয়তের আইন কার্যকরী করার জন্য ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। একটি অপরিহার্য কর্তব্য। মহানবি (সা.) সর্বপ্রথম মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে এর সূত্রপাত করেন। জীবনের এমন কোনো দিক নেই, যা ইসলামি শরিয়তে কোনো নির্দেশ পাওয়া যায় না। একমাত্র। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসলাম তথা আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন, মানবতার কল্যাণ এবং ইমানি দাবি পূরণ করা সম্ভব।

উত্তর

সাধারণত রাষ্ট্রের চারটি উপাদানই ইসলামি রাষ্ট্রের উপাদান- যথা— ১. জঁনসমষ্টি, ২. ভূখণ্ড, ৩. সরকার ও ৪. মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্ব।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কোনো মানুষের আবিষ্কার বা যুগের চাহিদামাফিক বক্তব্য নয়। বরং ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল উৎস হচ্ছে পবিত্র কুরআন ও রাসুল (সা.)-এর আদর্শ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেহেতু স্থিতিশীল কোনো বিষয় নয় বরং তা যুগ ও সময়ের সাথে চলমান, তাই কুরআন ও হাদিসে কেবল ইসলামি রাজনীতির মূলনীতিসমূহ দেওয়া হয়েছে। বাকি খুঁটিনাটি বিষয় রচনা করার ভার সমসাময়িক যুগের বিশেষজ্ঞদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তারা ইসলামি রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে যুগের চাহিদা মোতাবেক কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে রচনা করবেন। কাজেই দেখা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল উৎস হচ্ছে ৪টি। যথা- ১. কুরআন, ২. সুন্নাহ, ৩. উম্মতের ইজমা ও ৪. কিয়াস।

উত্তর

সকল রাষ্ট্রের-ই গঠনপ্রণালি থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রেরও নির্দিষ্ট গঠনপ্রণালি রয়েছে। ইসলামি রাষ্ট্রে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন আমির বা রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত করতে হবে এমন সক্ষম পুরুষকে যিনি যোগ্য, সৎ, খোদাভীরু ও খাঁটি মুসলমান। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্র হবে কুরআন ও হাদিসের আলোকে। এ দুটির সমন্বয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি বিধিবিধান প্রণীত ও পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রপ্রধানকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যাবতীয় কর্মকাণ্ডে পরামর্শ দেওয়ার জন্য একটি মজলিস-উশ-শূরা বা পরামর্শ সভা থাকবে। জনগণের পূর্ণ সমর্থন ও রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতিক্রমে মজলিস-উশ-শুরার সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-উশ-শুরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, তা ইসলামি মূল্যবোধ মোতাবেক ও কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক হতে হবে। এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৃতিত্ব অর্জনের জন্য ইসলামি বিধান বহির্ভূত কিছু করতে পারবে না। সরকার পরিচালনা, শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের উন্নতি ও অগ্রগতি সবকিছুতেই ইসলামি শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ইসলামি রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য। অতএব এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী, আইন জারি ও প্রতিষ্ঠা করাই । মূল লক্ষ্য। মানুষের গড়া কোনো আইন সেখানে স্থান পাবে না। এরূপ রাষ্ট্রই ইহ ও পরকালীন শান্তি ও মুক্তি দিতে পারে।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্র সাধারণ রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে অনেকটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । ইসলামি রাষ্ট্রের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্টসমূহ হলো- ইসলামি রাষ্ট্র একটি ধর্মভিত্তিক আদর্শিক এবং নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র, কেননা যে রাষ্ট্র ইসলামের মূল উৎস কুরআন-সুন্নাহর বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় তাই হলো ইসলামি রাষ্ট্র। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রের মূলভিত্তি হবে আল্লাহ ও তার রাসুলের আদেশ-নিষেধ সংবলিত বিধান। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে— إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ অর্থাৎ, “নিশ্চয়ই, হুকুম দেওয়ার অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।” (সূরা আনআম ; ৫৭) তিনি আরও বলেন, الا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ অর্থাৎ, “সাবধান! সৃষ্টি যার আইন তার।” (সূরা আল-আরাফ : ৫৪) ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা হয় আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী। ইসলামি রাষ্ট্রের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে মানুষের মনগড়া খেয়াল-খুশি অনুযায়ী আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই। আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল প্রশাসন পরিচালিত হবে। সাধারণ ও আধুনিক রাষ্ট্রের যে চারটি উপাদান রয়েছে ইসলামি রাষ্ট্রেরও সে চারটি মৌলিক উপাদান আছে; যথা-- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। তবে ইসলামি রাষ্ট্রের এ উপাদানগুলোর সংজ্ঞা আলাদা। যেমন জনসমষ্টি বলতে এমন জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বলতে এমন ভূখণ্ড যেখানে আল্লাহর দেওয়া বিধান কার্যকর হয়। সরকার বলতে এমন সরকার বোঝায়, যে সরকার আল্লাহর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করে। সার্বভৌমত্ব বলতে বোঝায় সকল প্রকার সার্বভৌমত্বের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। ইসলামি রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা বংশ, ভাষা এবং ভৌগোলিক জাতীয়তার পরিবর্তে শুধু নীতি ও আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামি রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালিত হবে সততা, বিশ্বস্ততা, পক্ষপাতমুক্ত নিৰ্ভীক ইনসাফ ও সুবিচারের ভিত্তিতে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, একমাত্র ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসলাম তথা আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন, মানবতার কল্যাণ এবং ইমানি দাবি পূরণ করা সম্ভব। আর এগুলো ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ রয়েছে।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।