শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে প্রদত্ত রাষ্ট্রে তালহা কয় ধরনের অধিকার ভোগ করবে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রে তালহা দু'ধরনের অধিকার ভোগ করে। তা হলো— ১. সামাজিক অধিকার ও ২. রাজনৈতিক অধিকার। ইসলামি রাষ্ট্রে সামাজিক অধিকারগুলো হলো- ১. বেঁচে থাকার অধিকার যা মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার। স্বয়ং রাষ্ট্র বা তার কোনো প্রতিনিধি এ অধিকার হরণ বা খর্ব করতে পারে না। ২. ইসলামের নির্দেশিত সীমার মধ্যে থেকে হালালভাবে জীবিকা উপার্জনের ও তা ভোগ করার অধিকার প্রত্যেকটি নাগরিকের আছে। নাগরিকের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ৩. জীবন ও সম্পদের ন্যায় ব্যক্তি মর্যাদা লাভের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের আছে। ৪. ইসলামি রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা স্বীকৃত, রাষ্ট্র তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। ৫. প্রতিটি নাগরিকের সমাজে নিরাপদে বসবাসের অধিকার আছে। ইসলামি রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অধিকারগুলো হলো— ১. ইসলাম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিশ্বাসী। তাই ইসলামে সকল সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার আছে। জনগণ যাতে এ ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করতে পারে রাষ্ট্র তার ব্যবস্থা করবে। ২ যার ভোটাধিকার আছে সেরূপ যোগ্য নাগরিক এবং যার মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে, তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। ৩. সকল নাগরিকের সহজ ও অবাধ বাসস্থানের অধিকার থাকবে। রাষ্ট্রকে সকল নাগরিকের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবাধে অভিযোগ পেশ করতে পারবেন এবং তার বিচার লাভের অধিকার আছে। ৫. রাষ্ট্রের বা দেশের মধ্যে অবাধে চলাফেরার অধিকার সকল নাগরিকের আছে। বিদেশেও নিরাপত্তা লাভের অধিকার নাগরিকের আছে। বিদেশে কোনো অসুবিধায় পড়লে স্বীয় রাষ্ট্রের কাছে তার সহায়তা লাভের অধিকার আছে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, তালহা ও যোসেফ উভয়ের রাষ্ট্রের প্রতি বেশকিছু অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে। কারণ, তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। সুতরাং বলা যায়, তালহা ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লিখিত দু'ধরনের অধিকার ভোগ করে।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে প্রদত্ত রাষ্ট্রে তালহা কয় ধরনের অধিকার ভোগ করবে? পাঠ্যপুস…

উদ্দীপক

তালহা জন্মসূত্রে কুয়েতের নাগরিক। সেখানে তার সাথে জোসেফ নামক এক খ্রিষ্টান নাগরিকের সাথে বন্ধুত্ব হয়। সে ওই দেশে অমুসলিম নাগরিক হিসেবে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অনুমতি পেয়েছে। তালহা ও জোসেফ উভয়ের রাষ্ট্রের প্রতি বেশকিছু অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে। কারণ তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]

উত্তর

মহানবি (সা.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে হিজরত করেন।

উত্তর

মদিনা সনদ মদিনার সকল বিবদমান গোত্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সাধারণ জাতিতে পরিণত করে। পারস্পরিক বিবাদ মিটিয়ে রক্তপাতের দরজা বন্ধ করে দেয়। মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ এনে দেয়। সর্বোপরি একটি আদর্শিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের যাবতীয় প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়। এ সনদে নাগরিক সাম্যের মহান নীতি, আইনের শাসন, ধর্মের স্বাধীনতা ও সহিষ্ণুতা এবং সামাজিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান করা হয়। তাই ঐতিহাসিকগণ একে Magna Carta বা মহাসনদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রে জোসেফের মতো অমুসলিমরা বেশকিছু মৌলিক অধিকার ভোগ করবে। ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকগণ মুসলমানদের সমান নাগরিক অধিকার লাভ করে থাকে। রাষ্ট্র তাদের জান, মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা দান করে। এ সম্পর্কে নবি করিম (সা.) বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছেন, “তোমাদের রক্ত, তোমাদের মাল এবং তোমাদের সন্তান তেমনি পবিত্র, যেমন পবিত্র আজকার এ হজের দিনটি।” বিচার ক্ষেত্রে ফৌজদারি ও দেওয়ানি আদালতে মুসলিম ও অমুসলিম নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করবে না। ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম পালন করার সর্বাধি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়। রাষ্ট্র তাদের ধর্মকর্ম, প্রতিষ্ঠান, উপাসনালয় ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কখনো তাদেরকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ইসলামে দীক্ষিত করার চেষ্টা করা হবে না। ইসলামি রাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিকদের ন্যায় অমুসলিম নাগরিকদেরও জীবনযাত্রার মৌলিক প্রয়োজন হতে বঞ্চিত করা হয় না। কোনো অমুসলিমকেই অন্নহীন, বস্ত্রহীন ও আশ্রয়হীন থাকতে দেওয়া হয় না। এ রাষ্ট্রে অমুসলিমদেরকে রাষ্ট্ররক্ষার দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেওয়া হবে। জিহাদের সময় তাদেরকে অস্ত্রধারণ করার জন্য বাধ্য করা হবে না। দেশরক্ষার ন্যায় কঠিন দায়িত্ব হতে অব্যাহতি লাভের বিনিময়ে তারা রাষ্ট্রকে 'জিজিয়া' নামক এক প্রকার কর দিবে মাত্র । ইসলামি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপ্রধান, মজলিসে শুরার সদস্য, প্রধান বিচারপতি, প্রাদেশিক গভর্নর, সমর সেনাপতি প্রভৃতি অত্যন্ত গুরুদায়িত্বপূর্ণ কয়েকটি বিশেষ পদ ছাড়া অমুসলিম নাগরিকদের অন্যান্য যাবতীয় সরকারি ও বেসরকারি পদে নিযুক্ত হবার সুযোগ দেওয়া হবে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রের যোসেফের মতো অমুসলিম নাগরিকরা উল্লিখিত অধিকারসমূহ ভোগ করবে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রে তালহা দু'ধরনের অধিকার ভোগ করে। তা হলো— ১. সামাজিক অধিকার ও ২. রাজনৈতিক অধিকার। ইসলামি রাষ্ট্রে সামাজিক অধিকারগুলো হলো- ১. বেঁচে থাকার অধিকার যা মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার। স্বয়ং রাষ্ট্র বা তার কোনো প্রতিনিধি এ অধিকার হরণ বা খর্ব করতে পারে না। ২. ইসলামের নির্দেশিত সীমার মধ্যে থেকে হালালভাবে জীবিকা উপার্জনের ও তা ভোগ করার অধিকার প্রত্যেকটি নাগরিকের আছে। নাগরিকের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ৩. জীবন ও সম্পদের ন্যায় ব্যক্তি মর্যাদা লাভের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের আছে। ৪. ইসলামি রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা স্বীকৃত, রাষ্ট্র তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। ৫. প্রতিটি নাগরিকের সমাজে নিরাপদে বসবাসের অধিকার আছে। ইসলামি রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অধিকারগুলো হলো— ১. ইসলাম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিশ্বাসী। তাই ইসলামে সকল সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার আছে। জনগণ যাতে এ ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করতে পারে রাষ্ট্র তার ব্যবস্থা করবে। ২ যার ভোটাধিকার আছে সেরূপ যোগ্য নাগরিক এবং যার মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে, তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। ৩. সকল নাগরিকের সহজ ও অবাধ বাসস্থানের অধিকার থাকবে। রাষ্ট্রকে সকল নাগরিকের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবাধে অভিযোগ পেশ করতে পারবেন এবং তার বিচার লাভের অধিকার আছে। ৫. রাষ্ট্রের বা দেশের মধ্যে অবাধে চলাফেরার অধিকার সকল নাগরিকের আছে। বিদেশেও নিরাপত্তা লাভের অধিকার নাগরিকের আছে। বিদেশে কোনো অসুবিধায় পড়লে স্বীয় রাষ্ট্রের কাছে তার সহায়তা লাভের অধিকার আছে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, তালহা ও যোসেফ উভয়ের রাষ্ট্রের প্রতি বেশকিছু অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে। কারণ, তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। সুতরাং বলা যায়, তালহা ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লিখিত দু'ধরনের অধিকার ভোগ করে।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।