শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত সনদটি প্রণয়ন করার কী কারণ রয়েছে? বর্ণনা কর।

উত্তর: আন্তঃকলহ দূর করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের জন্যই মূলত মদিনা সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় এসে দেখেন যে, মদিনার অধিবাসীদের মধ্যে নানা গোত্র, উপগোত্র, ধর্মমত ও বিশ্বাসের মানুষ রয়েছে। এরা পাঁচ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। যথা- ১. মদিনার আদিম পৌত্তলিক সম্প্রদায়, ২. ইহুদি সম্প্রদায়, ৩. খ্রিষ্টান সম্প্রদায়, ৪. নবদীক্ষিত মুসলিম সম্প্রদায় এবং ৫. • মক্কা থেকে আগত মুসলিম সম্প্রদায়। মদিনার এ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে তখন সম্ভাব ছিল না। তাদের মধ্যে আদর্শের মিল তো ছিলই না; তদুপরি তাদের মধ্যে বিরাজ করছিল দলগত হিংসা-বিদ্বেষ। ফলে মদিনার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি খুবই জটিল ও শোচনীয় হয়ে পড়ে। মদিনার বিরাজমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় একটি ইসলামি সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প করেন। তাঁর এ সংকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রথমেই উপলব্ধি করেন যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে ঐক্য ও সম্ভাব স্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি আরও উপলব্ধি করেন যে, জতি- ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ এবং স্বদেশত্যাগী মুহাজিরিনদের মদিনায় বাসস্থান ও জীবিকা উপার্জনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বাস করতেন যে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য না থাকলে দেশের কল্যাণ হয় না। তাঁর মতে, যে দেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী লোক বাস করে সে দেশে পরমতসহিষ্ণুতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।'নিজে বাঁচ এবং অপরকে বাঁচতে দাও'- নাগরিক জীবনের এ নীতির গুরুত্ব অনুধাবন করে হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান করে এক বৈঠকে বসেন এবং তাদেরকে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্য ও সম্প্রীতির আবশ্যকতা বুঝিয়ে দেন। এরপর তিনি একটি সনদ বা চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেন। এ সনদে পরস্পরের দায়িত্ব ও কর্তব্য উল্লেখ করা হয়, সকলেই এ সনদ মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করেন। আরবি ভাষায় লিখিত এ সনদে ৪৭টি ধারা ছিল। এ সনদের ফলে মদিনায় আন্তঃকলহ দূর হলো এবং নিজেদের। মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হলো। সুতরাং বলা যায়, সকল শ্রেণি, গোত্র, জাতি ও ধর্মের লোকদের ঐক্যের সূত্রে আবদ্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ উম্মাহ গঠন করাই ছিল মদিনা সনদ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত সনদটি প্রণয়ন করার কী কারণ রয়েছে? বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

ইসলাম যে মানবকল্যাণের ধর্ম, মদিনা সনদ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। এটি মানব ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সর্বসম্মত কয়েকটি নীতিমালার ভিত্তিতে যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ইতিহাসে এটিই মদিনা সনদ হিসেবে পরিচিত। দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পিছনে এ সনদই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে।

উত্তর

মদিনা সনদের শুরুতে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উত্তর

মদিনা সনদ বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে তৎকালীন বিশ্বের কোনো শাসকই জনগণকে কোনো লিখিত ও বিধিবদ্ধ শাসনতন্ত্র প্রদান করেননি। আইনের শাসন সর্বপ্রথম হযরত মুহাম্মদ (সা.) জনগণের কল্যাণার্থে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের সক্রিয় সহযোগিতা ও সদিচ্ছার গুরুত্ব অনুধাবন করেন। তিনি মনে করতেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ব্যতীত মদিনাতে ইসলামি রাষ্ট্রগঠন ও এর শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করার পরিকল্পনা ফলপ্রসূ হবে না। তাই তিনি একটি শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করেন, যা বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র।

উত্তর

আন্তঃকলহ দূর করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের জন্যই মূলত মদিনা সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় এসে দেখেন যে, মদিনার অধিবাসীদের মধ্যে নানা গোত্র, উপগোত্র, ধর্মমত ও বিশ্বাসের মানুষ রয়েছে। এরা পাঁচ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। যথা- ১. মদিনার আদিম পৌত্তলিক সম্প্রদায়, ২. ইহুদি সম্প্রদায়, ৩. খ্রিষ্টান সম্প্রদায়, ৪. নবদীক্ষিত মুসলিম সম্প্রদায় এবং ৫. • মক্কা থেকে আগত মুসলিম সম্প্রদায়। মদিনার এ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে তখন সম্ভাব ছিল না। তাদের মধ্যে আদর্শের মিল তো ছিলই না; তদুপরি তাদের মধ্যে বিরাজ করছিল দলগত হিংসা-বিদ্বেষ। ফলে মদিনার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি খুবই জটিল ও শোচনীয় হয়ে পড়ে। মদিনার বিরাজমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় একটি ইসলামি সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প করেন। তাঁর এ সংকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রথমেই উপলব্ধি করেন যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে ঐক্য ও সম্ভাব স্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি আরও উপলব্ধি করেন যে, জতি- ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ এবং স্বদেশত্যাগী মুহাজিরিনদের মদিনায় বাসস্থান ও জীবিকা উপার্জনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বাস করতেন যে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য না থাকলে দেশের কল্যাণ হয় না। তাঁর মতে, যে দেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী লোক বাস করে সে দেশে পরমতসহিষ্ণুতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।'নিজে বাঁচ এবং অপরকে বাঁচতে দাও'- নাগরিক জীবনের এ নীতির গুরুত্ব অনুধাবন করে হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান করে এক বৈঠকে বসেন এবং তাদেরকে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্য ও সম্প্রীতির আবশ্যকতা বুঝিয়ে দেন। এরপর তিনি একটি সনদ বা চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেন। এ সনদে পরস্পরের দায়িত্ব ও কর্তব্য উল্লেখ করা হয়, সকলেই এ সনদ মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করেন। আরবি ভাষায় লিখিত এ সনদে ৪৭টি ধারা ছিল। এ সনদের ফলে মদিনায় আন্তঃকলহ দূর হলো এবং নিজেদের। মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হলো। সুতরাং বলা যায়, সকল শ্রেণি, গোত্র, জাতি ও ধর্মের লোকদের ঐক্যের সূত্রে আবদ্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ উম্মাহ গঠন করাই ছিল মদিনা সনদ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মদিনা সনদ সম্পাদনের মাধ্যমে মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এর রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান হন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মদিনা সনদে উল্লিখিত নীতিমালার মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন করেছিলেন তার প্রত্যক্ষ প্রভাব তদানীন্তন বিশ্বের সর্বত্র প্রতিফলিত হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনা সনদের মাধ্যমে মদিনার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি মুসলিম ও অমুসলিমদের ধর্মে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিশ্চয়তা বিধান করেছিলেন। ধর্মীয় ক্ষেত্রে এ সহিষ্ণুতার নীতি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। মদিনা সনদ মুসলিম ও অমুসলিমদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবন্ধ করে তাদের মন থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে। ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক কলহের অবসান ঘটে।মদিনা সনদ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে গোত্রশক্তির ধারণা তিরোহিত করে তাদেরকে এক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সমবেত করে। ফলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপিত হয় এবং তারা একটি সুসংহত জাতিতে পরিণত হয়। মদিনা সনদের ঘোষণার পর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকেরা তারা একত্রে মিলেমিশে বসবাস করার সুযোগ পায়। ফলে যৌথশক্তির ধারণার সৃষ্টি হয় এবং তা বিস্তার লাভ করে। ফলশ্রুতিতে মদিনায় বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবসান ঘটে এবং সেখানে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। মদিনা সনদের এ সাফল্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর সনদ স্বাক্ষরের সম্ভাবনার পথকে সুগম করে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পেছনে মদিনা সনদের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক। পরিশেষে বলা যায়, মদিনা সনদ প্রণয়নের ফলে মদিনাবাসীদের মাঝে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মদ (সা.) অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
খেলাফত কী?
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
খেলাফত কী?
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
মদিনা সনদ কী?
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
মদিনা সনদ কী?
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত সনদটি প্রণয়ন করার কী কারণ রয়েছে? বর্ণনা কর। | Prosthuti