শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটি কি নীতিভিত্তিক? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্রের আদর্শিক ও নৈতিক ভিত্তি আছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটিও ইসলামি রাষ্ট্র হওয়ায়, এটি নীতিভিত্তিক। কুরআন সুন্নাহর আলোকে আদর্শ নীতিভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হচ্ছে- ১. আল্লাহ ও রাসুল (সা.)-এর আনুগত্যের স্থান সকল আনুগত্যের ঊর্ধ্বে থাকবে। ২. বিশেষ দায়িত্বপূর্ণ পদে শাসককে মুসলিম, খোদাভীরু, কুরআন-হাদিসের জ্ঞানে প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী হতে হবে। ৩. শাসক জনগণের প্রভু নয়; সেবক হবে। ৪. যতক্ষণ সরকার ইসলামের পথে পরিচালিত হবে ততক্ষণ সরকারের আনুগত্য সকলের কর্তব্য। ৫. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার সকল নাগরিকের থাকবে। ৬. রাষ্ট্রের আইনকানুন ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক হতে হবে। ৭. কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সকল বিরোধ মীমাংসা করতে হবে। উপরিউক্ত মূলনীতিগুলো ইসলামি রাষ্ট্রে বিদ্যমান বলে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রকে নীতিভিত্তিক রাষ্ট্র বলা যায়।

HSC Islamic Studies 1st Paper Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · Chapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটি কি নীতিভিত্তিক? বুঝিয়ে লেখ।

উদ্দীপক

ইসলামি রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র অধিকারী হলেন স্বয়ং আল্লাহ। ইসলামি রাষ্ট্রে যদি কেউ আল্লাহর আইন ব্যতীত অন্য আইন বা বিধান প্রয়োগ করে থাকে তাহলে ইসলাম কখনো সেই আইনকে স্বীকৃতি দেবে না। এ ধরনের রাষ্ট্রে কুরআন-সুন্নাহর আইন জারি থাকবে। মানুষের কোনো মনগড়া আইন সেখানে স্থান পাবে না। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একমাত্র আল্লাহর বিধান চালু থাকবে।

উত্তর

বাক স্বাধীনতা বলতে আমরা বুঝি প্রত্যেক নাগরিকই স্বীয় চিন্তা ও বিশ্বাস অনুসারে যেকোনো কথা বিনা সংকোচে, অবাধে ও কোনো প্রতিবন্ধকতা ব্যতীত বলতে ও করতে পারবে। তবে ইসলামের মৌলিক 'আদর্শ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার পরিপন্থি কোনো কিছুই করা যাবে না।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্র দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সাথে সাথে সবরকম জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। নাগরিকদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, চরিত্র সংশোধন এক কথায় সার্বিক সমস্যার সমাধান করা ইসলামি রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। অক্ষম, বেকার, বিকলাঙ্গ, ঋণগ্রস্ত এবং যারা সহায় সম্বলহীন তাদের ভরণ-পোষণের গুরুদায়িত্ব ইসলামি রাষ্ট্রের, তাই বলা হয়, “ইসলামি রাষ্ট্র কল্যাণ রাষ্ট্র।”

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের আদর্শিক ও নৈতিক ভিত্তি আছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত রাষ্ট্রটিও ইসলামি রাষ্ট্র হওয়ায়, এটি নীতিভিত্তিক। কুরআন সুন্নাহর আলোকে আদর্শ নীতিভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হচ্ছে- ১. আল্লাহ ও রাসুল (সা.)-এর আনুগত্যের স্থান সকল আনুগত্যের ঊর্ধ্বে থাকবে। ২. বিশেষ দায়িত্বপূর্ণ পদে শাসককে মুসলিম, খোদাভীরু, কুরআন-হাদিসের জ্ঞানে প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী হতে হবে। ৩. শাসক জনগণের প্রভু নয়; সেবক হবে। ৪. যতক্ষণ সরকার ইসলামের পথে পরিচালিত হবে ততক্ষণ সরকারের আনুগত্য সকলের কর্তব্য। ৫. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার সকল নাগরিকের থাকবে। ৬. রাষ্ট্রের আইনকানুন ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক হতে হবে। ৭. কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সকল বিরোধ মীমাংসা করতে হবে। উপরিউক্ত মূলনীতিগুলো ইসলামি রাষ্ট্রে বিদ্যমান বলে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রকে নীতিভিত্তিক রাষ্ট্র বলা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্র সংসদীয় ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে সমর্থন করে। ইসলামি রাষ্ট্র কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রাষ্ট্র। ইসলামি রাষ্ট্রে স্বৈরতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্রের স্থান নেই এবং প্রচলিত গণতন্ত্রও এর সাথে সাংঘর্ষিক। তবে ইসলামি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরামর্শ ও সমঝোতার মাধ্যমে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। আল্লাহ বলেন-- وَشَأْ وِرُهُمْ فِي الْأَمْرِ অর্থ : “আর নীতি নির্ধারণে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করুন।” (সূরা আলে-ইমরান : ১৫৯) ইসলামি রাষ্ট্রে সকল মানুষ সমান। বর্ণ, ভাষা বা গোত্রের ভিত্তিতে কারও শ্রেষ্ঠত্ব নেই । শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হলো জ্ঞান, বুদ্ধি, যোগ্যতা এবং সর্বোপরি তাকওয়া ও বিশ্বস্ততা। আল্লাহ বলেন- إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقُكُمْ অর্থ : “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যার মধ্যে তাকওয়া বেশি আছে।” (সূরা আল-হুজুরাত : ১৩) ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। যোগ্য ও বিশ্বস্ত লোকদেরই মজলিসে শুরার সদস্য নিয়োগ করা হয়। মহানবি (সা.) জনগণের মতামত নিয়ে মজলিসে শুরার সদস্য নিয়োগ করতেন । আর গভর্নর ও কালেক্টরদেরও মজলিসে শুরার সদস্য ও জনগণের মতামত নিয়ে নির্বাচন করতেন। সুতরাং ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান, মজলিসে শুরার সদস্যগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ পদের কর্মকর্তাগণও জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জনগণের ইচ্ছা ও আল্লাহর বিধানমতো তাদের কাজ করতে হয়। জনগণের কাছে তাদের কাজকর্মের জবাবদিহি করতে হয়। তারা বিশ্বস্ততা হারালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আর থাকতে পারেন না। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, ইসলামি রাষ্ট্রে মানুষের কোনো মনগড়া আইন স্থান পাবে না। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একমাত্র আল্লাহর বিধান চালু থাকবে। সুতরাং এর দ্বারা বোঝা যায়, উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্র সংসদীয় ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সমর্থক।
HSCIslamic Studies 1st PaperChapter 6 : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।
ক
খেলাফত কী?
খ
খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।
গ
খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

খেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.খেলাফত কী?

খেলাফত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মতিন সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের স্বাভাবিক দাবি। তাই ইসলামি শরিয়তে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জোর তাগিদ দেয়। এজন্যই মহানবি (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।
ক
ইসলামি রাষ্ট্র কী?
খ
ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।
গ
ইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাপারে তোমার মতামত পাঠ্যবইয়ের আলোকে উপস্থাপন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ইসলামি রাষ্ট্র কী?

ইসলামি রাষ্ট্র কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হলেও এদেশে নানা ধর্ম বর্ণের লোক বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক। সম্প্রীতি রয়েছে। অনেকের মনে প্রথম প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল যে, অমুসলিম নাগরিকেরা কী এদেশে তাদের অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে? সকল ধর্মের লোকেরা কী করে একত্রে বসবাস করবে? মূলত সে বিষয়টির দিকনির্দেশনা রয়েছে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান।
ক
মদিনা সনদ কী?
খ
মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মদিনা সনদ কী?

মদিনা সনদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ইসলামি রাষ্ট্রে খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার অভিমতসহ পর্যালোচখুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যখেলাফতের বৈশিষ্ট্যসমূহ বুঝিয়ে লেখ।খেলাফত কী?মতিন সাহেবের মতে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ইসলামি শরিয়তের। স্বাভাবিক গঠন। এ ব্যাইসলামি রাষ্ট্রের গঠনপ্রণালি ব্যাখ্যা কর।ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বুঝিয়ে লেখ।ইসলামি রাষ্ট্র কী?মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।মদিনার সনদের ৫টি ধারা উল্লেখ কর।মদিনা সনদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।