শ্রীবাস ঐতিহাসিক তীর্থস্থান ভ্রমণের ফলে তার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়।'-এই মর্মে তীর্থ দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধর।
উত্তর: 'শ্রীবাস ঐতিহাসিক তীর্থস্থান ভ্রমণের ফলে তার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়।'- মন্তব্যটি যথার্থ। তীর্থস্থান ভ্রমণ করলে মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। স্বয়ং ভগবান কিংবা তাঁর অবতারের আবির্ভাব স্থানকে পুণ্যস্থান বলা হয়। কোনো দেবালয়ের স্থান পুণ্যস্থান আর সে পুণ্যস্থানকে বলা হয় তীর্থস্থান। তীর্থস্থান ভ্রমণে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। তীর্থভ্রমণ মানুষের মনের প্রসারতা বাড়ায়। তীর্থভ্রমণে গেলে মানুষের মধ্যকার সংকীর্ণতা দূর হয়। তীর্থভ্রমণে মনের উদারতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে মনে আসে স্বস্তি। এছাড়া তীর্থস্থানে মহাপুরুষদের জীবনাচরণের নিদর্শন মানুষের মনকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করে। উদ্দীপকে শ্রীবাসের ঐতিহাসিক তীর্থস্থান ভ্রমণে বেশ আগ্রহ। সে চট্টগামের সীতাকুণ্ড, মহেশখালীর আদিনাথের মন্দিরসহ দেশ-বিদেশের অনেক তীর্থস্থান দর্শন করেছে। এসব স্থান দর্মন করলে মন পবিত্র হয়। ধর্ম পালনে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। সমাজের সকলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে তার দ্বারা সমাজ ও দেশের উন্নয়ন সাধিত হয়।
SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
শ্রীবাস ঐতিহাসিক তীর্থস্থান ভ্রমণের ফলে তার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পা…
উদ্দীপক
Jessore · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর