শেয়ারFacebookWhatsApp

যে মহাপুরুষের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের সাথে রঞ্জন বাবুর সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে তার মুখ্য উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: স্বামী স্বরূপানন্দের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের সাথে রঞ্জন বাবুর সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে। তার মুখ্য উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করা হলো - অযাচক আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী স্বরূপানন্দ। অযাচক অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ না চাওয়া। এটাই এই সংগঠনের আদর্শ। এর মাধ্যমে চরিত্র গঠন হয়। কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেই নিজের দায়িত্বভার নেয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠার ওপর জোর দেয়া হয়। যা উদ্দীপকের রনির ক্ষেত্রেও দেখা যায়। এইভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজের জন্য কাজ করাই এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে চরিত্র গঠন, সমাজসংস্কার, ব্রহ্মচর্য, স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা ও জগতের কল্যাণকর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই হচ্ছে-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এর সারকথা হলো নিজে ভালো মানুষ হওয়া এবং অপরকে ভালো মানুষ হতে সহায়তা করা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটা সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে এর মাধ্যমে। মানুষের প্রধান লক্ষ্য মোক্ষলাভ। মোক্ষলাভের জন্য নিজের পাশাপাশি জগতের কল্যাণ সাধন করা দরকার। সবার ভালো ও সহায়তায় একটা ভালো সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। অযাচক আশ্রম তথা স্বরূপানন্দের মতাদর্শ এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ববহ। তাঁর এই সংগঠনে যোগদানের মধ্য দিয়ে চারিত্রিক দৃঢ়তা ও স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে চরিত্র গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে ব্রহ্মচর্য, সমাজসংস্কার ও জগতের কল্যাণ সম্ভব। অযাচক আশ্রমের আদর্শ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের উন্নয়ন ও সংস্কারে ভূমিকা রাখতে পারে, তাই সঠিক উন্নয়নের জন্য তাঁর মতাদর্শ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

SSC হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল

যে মহাপুরুষের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের সাথে রঞ্জন বাবুর সংগঠনের সাদৃশ্য র…

উদ্দীপক

রঞ্জন বাবু একজন ধর্মপরায়ণ ব্যক্তি। তিনি একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি সবাইকে চরিত্রবান ও স্বাবলম্বী হয়ে সমাজের মঙ্গলজনক কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেন। অন্যদিকে বলাই বাবুও একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তার সংগঠনের সদস্যরা ধর্ম ও বিজ্ঞানের সমন্বয়ে জীবন পরিচালনা করেন। তারা আদর্শ সংসারি হওয়ার চেষ্টা করেন।

Rajshahi · 2024

উত্তর

ভগবানে ঐকান্তিক প্রেম বা ভালোবাসাকে ভক্তি বলে।

উত্তর

ব্রহ্ম যখন জীব জগতের উপর প্রভুত্ব করেন তখন তাঁকে ঈশ্বর বলে। ঈশ্বর জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। এই জন্য তাঁকে পরমেশ্বর বলা হয়। ঈশ্বরের রূপের শেষ নেই। তিনি অনন্তরূপী; জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে পরামাত্মা এবং ভক্তের কাছে তিনি ভগবান। বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে ঈশ্বর অনন্ত অসীম। তাঁর কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি শাশ্বত, তিনি নিত্য, শুদ্ধ ও পরম পবিত্র। তিনি সকল কর্মের ফলদাতা। যে যে রকম কর্ম করে তিনি তাকে সে রকম ফল দিয়ে থাকেন।

উত্তর

বলাই বাবু ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে অনুরণ করেন। আত্মিক উন্নয়নে ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের অবদান অপরিসীম। মানুষ যাতে সৎ পথে থাকে ও সৎ চিন্তা করে সেজন্য ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র পাবনার হিমাইতপুরে প্রতিষ্ঠা করেন 'সৎসঙ্গ' আশ্রম। এর মাধ্যমে তিনি তার অনুসারীদের আত্মিক উন্নতির জন্য ব্রহ্মজ্ঞান লাভে সহায়তা করতেন। দলে দলে লোক তাকে গুরু মেনে এই সঙ্ঘে যোগ দিতে লাগল। তিনি এই সঙ্ঘের মাধ্যমে ধর্মের সাথে কর্মের সংযোগ ঘটান। সৎসঙ্গের আদর্শ হচ্ছে- ধর্ম কোনো অলৌকিক ব্যাপার নয় বরং বিজ্ঞানসিদ্ধ জীবনসূত্র। ভালোবাসাই মহামূল্য যা দিয়ে শান্তি কেনা যায়। এই সঙ্গের পাঁচটি মূলনীতি হচ্ছে যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি, স্বস্ত্যয়নী ও সদাচার। আর এ সঙ্ঘের মূল স্তম্ভ হিসেবে শিক্ষা, কৃষি, শিল্প ও সুবিবাহ নীতিগুলো অনুশীলিত হচ্ছে। এমনিভাবে ধর্ম ও বিজ্ঞানকে একত্রিত করে জীবন গঠনই সৎসঙ্গীদের আদর্শ। তার ছড়া, কবিতা, প্রার্থনা, গীত, সংকীর্তন গান এগুলো বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছে। সৎসঙ্গ চায় আদর্শ মানুষ, আদর্শ গৃহী, আদর্শ ধর্মযাজক। তার দৃষ্টিভঙ্গি বিভিন্ন ধর্মের ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নন্দিত হচ্ছে। উদ্দীপকে বলাই বাবু একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিা করেন। তার সংগঠনের সদস্যরা ধর্ম ও বিজ্ঞানের সমন্বয়ে জীবন পরিচালনা করেন। তারা আদর্শ সংসারী হওয়ার চেষ্টা করেন। যা ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, বলাই বাবু ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে অনুসরণ করেন।

উত্তর

স্বামী স্বরূপানন্দের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের সাথে রঞ্জন বাবুর সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে। তার মুখ্য উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করা হলো - অযাচক আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী স্বরূপানন্দ। অযাচক অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ না চাওয়া। এটাই এই সংগঠনের আদর্শ। এর মাধ্যমে চরিত্র গঠন হয়। কারো মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেই নিজের দায়িত্বভার নেয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠার ওপর জোর দেয়া হয়। যা উদ্দীপকের রনির ক্ষেত্রেও দেখা যায়। এইভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজের জন্য কাজ করাই এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে চরিত্র গঠন, সমাজসংস্কার, ব্রহ্মচর্য, স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা ও জগতের কল্যাণকর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই হচ্ছে-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এর সারকথা হলো নিজে ভালো মানুষ হওয়া এবং অপরকে ভালো মানুষ হতে সহায়তা করা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটা সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে এর মাধ্যমে। মানুষের প্রধান লক্ষ্য মোক্ষলাভ। মোক্ষলাভের জন্য নিজের পাশাপাশি জগতের কল্যাণ সাধন করা দরকার। সবার ভালো ও সহায়তায় একটা ভালো সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। অযাচক আশ্রম তথা স্বরূপানন্দের মতাদর্শ এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ববহ। তাঁর এই সংগঠনে যোগদানের মধ্য দিয়ে চারিত্রিক দৃঢ়তা ও স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে চরিত্র গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে ব্রহ্মচর্য, সমাজসংস্কার ও জগতের কল্যাণ সম্ভব। অযাচক আশ্রমের আদর্শ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের উন্নয়ন ও সংস্কারে ভূমিকা রাখতে পারে, তাই সঠিক উন্নয়নের জন্য তাঁর মতাদর্শ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
SSCহিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাপাঠ্যসূচি বহির্ভূত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সেঁজুতি সূর্য ও বায়ুদেবের পূজা করে। তবে সে প্রচলিত পদ্ধতিতে পূজা না করে যজ্ঞকর্মের মাধ্যমে এদের পূজার আয়োজন করে। অনেকেই তার এই পদ্ধতি পছন্দ করে না। তবে সে এতে কিছু মনে করে না। সে মনে করে এঁদের প্রতি সবারই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। অন্যদিকে তীর্থদের বাড়িতে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট তিথিতে ঈশ্বরের এক বিশেষ শক্তির পূজা করা হয়। তারা বিশ্বাস করে এই শক্তির পূজা করলে সাপ এবং শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

Mymensingh · 2023

ক
যিনি প্রকাশ পান, যিনি ভাস্বর তাকে কী বলা হয়?
খ
সর্বজনীন পূজা বলতে কী বোঝায়?
গ
সেঁজুতি কোন শ্রেণির দেবতার পূজা করে? বর্ণনা কর।
ঘ
সেঁজুতি ও তীর্থ কি একই শ্রেণির দেবতার পূজা করে? পাঠ্যের আলোকে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সেঁজুতি সূর্য ও বায়ুদেবের পূজা করে। তবে সে প্রচলিত পদ্ধতিতে পূজা না করে যজ্ঞকর্মের মাধ্যমে এদের পূজার আয়োজন করে। অনেকেই তার এই পদ্ধতি পছন্দ করে না। তবে সে এতে কিছু মনে করে না। সে মনে করে এঁদের প্রতি সবারই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। অন্যদিকে তীর্থদের বাড়িতে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট তিথিতে ঈশ্বরের এক বিশেষ শক্তির পূজা করা হয়। তারা বিশ্বাস করে এই শক্তির পূজা করলে সাপ এবং শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

Mymensingh · 2023

ক
যিনি প্রকাশ পান, যিনি ভাস্বর তাকে কী বলা হয়?
খ
সর্বজনীন পূজা বলতে কী বোঝায়?
গ
সেঁজুতি কোন শ্রেণির দেবতার পূজা করে? বর্ণনা কর।
ঘ
সেঁজুতি ও তীর্থ কি একই শ্রেণির দেবতার পূজা করে? পাঠ্যের আলোকে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সর্বজনীন পূজা বলতে কী বোঝায়?

সর্বজনীন পূজা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যিনি প্রকাশ পান, যিনি ভাস্বর তাকে কী বলা হয়?

যিনি প্রকাশ পান, যিনি ভাস্বর তাকে কী বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বসন্ত রোগের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষে রূপা দেবী এক বিশেষ শক্তির পূজা করেন। এ পূজায় বিভিন্ন রকমের ঠান্ডাজাতীয় ফলের প্রয়োজন হয়। এছাড়া তিনি পূজার অন্যান্য নিয়ম-কানুনও সঠিকভাবে অনুসরণ করেন। অন্যদিকে, তার বান্ধবী শিখা দেবী সন্তান লাভের প্রত্যাশায় হেমন্তকালে ঈশ্বরের এক বিশেষ শক্তির পূজার আয়োজন করেন। শুধু তাই নয় এই পূজার মাধ্যমে তিনি একদিকে বিনয়ী অন্যদিকে অন্যায় অবিচারের প্রতি সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা পান।

Mymensingh · 2023

ক
দুর্গ কাকে বলে?
খ
দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয় কেন?
গ
রূপা দেবী যে বিশেষ শক্তির পূজা করেন তাঁর পরিচয় বর্ণনা কর।
ঘ
শিখা দেবীর আয়োজিত পূজার গুরুত্ব ও প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বসন্ত রোগের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষে রূপা দেবী এক বিশেষ শক্তির পূজা করেন। এ পূজায় বিভিন্ন রকমের ঠান্ডাজাতীয় ফলের প্রয়োজন হয়। এছাড়া তিনি পূজার অন্যান্য নিয়ম-কানুনও সঠিকভাবে অনুসরণ করেন। অন্যদিকে, তার বান্ধবী শিখা দেবী সন্তান লাভের প্রত্যাশায় হেমন্তকালে ঈশ্বরের এক বিশেষ শক্তির পূজার আয়োজন করেন। শুধু তাই নয় এই পূজার মাধ্যমে তিনি একদিকে বিনয়ী অন্যদিকে অন্যায় অবিচারের প্রতি সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা পান।

Mymensingh · 2023

ক
দুর্গ কাকে বলে?
খ
দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয় কেন?
গ
রূপা দেবী যে বিশেষ শক্তির পূজা করেন তাঁর পরিচয় বর্ণনা কর।
ঘ
শিখা দেবীর আয়োজিত পূজার গুরুত্ব ও প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয় কেন?

দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দুর্গ কাকে বলে?

দুর্গ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর বসন্ত ঋতুতে একটি ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন রাধা-কৃষ্ণের পূজা করা হয়। পরস্পর-পরস্পরকে আবির দিয়ে রাঙিয়ে দেওয়া হয়। এতে নারী-পুরুষসহ সকল বর্ণের মানুষ অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় গান-বাজনা, মেলা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

Mymensingh · 2023

ক
বাংলাদেশের বিখ্যাত রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় কোন জেলায়?
খ
রথযাত্রা কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দেয়?
গ
প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর কোন ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর যে ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তার কোনো প্রভাব আছে কী? পাঠ্যের আলোকে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর বসন্ত ঋতুতে একটি ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন রাধা-কৃষ্ণের পূজা করা হয়। পরস্পর-পরস্পরকে আবির দিয়ে রাঙিয়ে দেওয়া হয়। এতে নারী-পুরুষসহ সকল বর্ণের মানুষ অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় গান-বাজনা, মেলা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

Mymensingh · 2023

ক
বাংলাদেশের বিখ্যাত রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় কোন জেলায়?
খ
রথযাত্রা কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দেয়?
গ
প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর কোন ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর যে ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তার কোনো প্রভাব আছে কী? পাঠ্যের আলোকে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রথযাত্রা কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দেয়?

রথযাত্রা কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের বিখ্যাত রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় কোন জেলায়?

বাংলাদেশের বিখ্যাত রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় কোন জেলায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সেঁজুতি ও তীর্থ কি একই শ্রেণির দেবতার পূজা করে? পাঠ্যের আলোকে যুক্তি দাও।সেঁজুতি কোন শ্রেণির দেবতার পূজা করে? বর্ণনা কর।সর্বজনীন পূজা বলতে কী বোঝায়?যিনি প্রকাশ পান, যিনি ভাস্বর তাকে কী বলা হয়?শিখা দেবীর আয়োজিত পূজার গুরুত্ব ও প্রভাব বিশ্লেষণ কর।রূপা দেবী যে বিশেষ শক্তির পূজা করেন তাঁর পরিচয় বর্ণনা কর।দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয় কেন?দুর্গ কাকে বলে?প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর যে ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তার কোনো প্রভাব আছে কী?প্রীতিদের গ্রামে প্রতিবছর কোন ধর্মানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।রথযাত্রা কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দেয়?বাংলাদেশের বিখ্যাত রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় কোন জেলায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।