দ্বিতীয় পর্যায়ে গঠিত ব্যবসায়ের ধরন উল্লেখপূর্বক দেশের আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যবসায়টি হলো যৌথমূলধনি কোম্পানি, যা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোম্পানি আইনের অধীনে গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত সংগঠনকে যৌথমূলধনি কোম্পানি বলে। কোম্পানি সংগঠন আইনের অধীনে গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় বিধায় এ ব্যবসায় সহজে ভাঙ্গে না এবং চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী। সদস্যসংখ্যা বেশি হওয়ায় এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত মূলধন সংগ্রহ ও বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সহজ হয়। উদ্দীপকে মি. রহিম তার দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে চুক্তির ভিত্তিতে একটি ব্যবসায় শুরু করেন। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারছেন না। তাই তারা ব্যবসায়ের ধরন পরিবর্তন করে ১৯৯৪ সালের আইন অনুযায়ী বড়ো পরিসরে একটি ব্যবসায় গঠন করেন। সেখানে ৬০ জন নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা বিদেশে পণ্য রপ্তানি করছে। উদ্দীপকের পরবর্তী প্রতিষ্ঠানটি যৌথমূলধনি কোম্পানি। উক্ত কোম্পানিটি একটি বৃহদায়তন ব্যবসায় সংগঠন। এতে দেশের অনেক বেকার লোকেরই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান হয় এবং দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে যায়। আর মাথাপিছু আয় বেড়ে যায় বলে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও বৃহদায়তন ব্যবসায়ের মাধ্যমে দেশে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমি মনে করি, যৌথমূলধনি কোম্পানি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
SSC ব্যবসায় উদ্যোগ অধ্যায়-৪ : মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসায় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ব্যবসায় উদ্যোগ · অধ্যায়-৪ : মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসায় · সৃজনশীল
দ্বিতীয় পর্যায়ে গঠিত ব্যবসায়ের ধরন উল্লেখপূর্বক দেশের আর্থ- সামাজিক…
উদ্দীপক
Chittagong · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর