রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে মিস ম্যাচিং চাকমার শিল্পের অবদান মূল্যায়ন কর।
উত্তর: রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে মিস ম্যাচিং চাকমার কুটির শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ছোট জায়গা, স্বল্প মূলধন, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও সৃজনশীলতা, কারিগরি জ্ঞান এবং পারিবারিক সহযোগিতায় ওপর যে শিল্প গড়ে ওঠে, তাকে কুটির শল্প বলে। নানা রকমের কুটিরশিল্প আমাদের দেশকে সমৃদ্ধ করেছে। বাঁশ ও বেতশিল্প, মৃৎশিল্প, তাত ও বস্ত্রশিল্প, হস্তশিল্প প্রভৃতি কুটিরশিল্পের উদাহরণ। উদ্দীপকের মিস ম্যাচিং চাকমা স্থানীয় NGO থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গৃহস্থালি ও সৌখিন পণ্য তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। কাঁচামালের সহজলভ্যতার কথা চিন্তা করে বেতের ঝুড়ি, খেলনা, চেয়ার ও বাঁশের চাটাই এবং গৃহস্থালির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি পাইকারি বাজারেও বিক্রি করে উপার্জন শুরু করেন। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তাকে সাহায্য করছেন। এসব কাজের মাধ্যমে মিস ম্যাচিং চাকমার মতো অসংখ্য পরিবার আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। কুটিরশিল্প স্থানীয় কাঁচামালের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। তাই দেখা যায়, যেসব এলাকায় যে ধরনের কাঁচামাল বা শিল্পসামগ্রী পাওয়া যায় সেসব এলাকায় ঐ ধরনের শিল্প গড়ে ওঠে। এতে স্থানীয় শিল্পের ওপর নির্ভর করে অসংখ্য পরিবার নিজেদের আর্থিক সংস্থান করতে পারে এবং স্বাবলম্বী হয়। এভাবে উদ্দীপকের রাঙামাটির মতো দেশের বিভিন্ন জেলায় স্ব স্ব কাঁচামাল বা ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে এধরনের কুটিরশিল্প গড়ে ওঠে যা দেশের আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
SSC ব্যবসায় উদ্যোগ অধ্যায়-৭ : বাংলাদেশের শিল্প (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ব্যবসায় উদ্যোগ · অধ্যায়-৭ : বাংলাদেশের শিল্প (Full Syllabus) · সৃজনশীল
রাঙামাটির মতো জেলার আর্থিক উন্নয়নে মিস ম্যাচিং চাকমার শিল্পের অবদান…
উদ্দীপক
Sylhet · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর