দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত শেষের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ না থাকার সাথে সম্পর্কিত প্রেষণাটি বৈজ্ঞানিক ভিত্তিসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত শেষের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের মনোযোগ না থাকার সাথে সম্পর্কিত প্রেষণাটি জৈবিক প্রেষণা ক্ষুধাকে নির্দেশ করে। নিচে এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তিসহ ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষের জৈবিক প্রয়োজনের অন্যতম হলো ক্ষুধা। দীর্ঘ সময় ধরে যদি প্রাণীকে খাদ্য থেকে বঞ্চিত রাখা হয় তাহলে তার পাকস্থলীর সংকোচনের জন্য সে ক্ষুধার তাড়না অনুভব করে। পাকস্থলীর সংকোচনের সাথে ক্ষুধার অনুভূতির যে সম্পর্ক আছে তা পরীক্ষণের সাহায্যে প্রমাণিত হয়েছে। অবশ্য পাকস্থলী কেটে বাদ দিয়েও দেখা গেছে, পাকস্থলীবিহীন মানুষও ক্ষুধার তাড়না অনুভব করতে পারে। শরীরে শর্করাজাতীয় উপাদানের ঘাটতি হলে মস্তিষ্কের feeding region নামের একটি বিশেষ স্থানে স্নায়বিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা প্রাণীকে ক্ষুধার অনুভূতি দেয়। ক্ষুধার অনুভূতিসূচক লক্ষণ হলো শারীরিক দুর্বলতা, অবসাদ ও অস্থিরতা। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ আমরা দেখতে পাই কলেজ ছুটি হয় দুপুর ১টায়। শেষের ক্লাসে অর্থাৎ সপ্তম পিরিয়ডে অনেক শিক্ষার্থীর মনোযোগ থাকে না। কেননা অনেকক্ষণ তারা না খেয়ে থাকে। তারা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে তাদের মধ্যে জৈবিক প্রেষণা ক্ষুধা কাজ করে, জৈবিক প্রেষণা ক্ষুধার কারণেই তাদের মনোযোগ বিপর্যন্ত হয়।
HSC Psychology 1st Paper Chapter 4 : প্রেষণা ও আবেগ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 1st Paper · Chapter 4 : প্রেষণা ও আবেগ · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত শেষের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ না থাকার সাথ…
উদ্দীপক
শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
৪. উদ্দেশ্য সাধন: প্রেষণাচক্রের সর্বশেষ পর্যায় হলো উদ্দেশ্য সাধন বা কাম্যবস্তু লাভ করা। কাম্যবস্তু লাভ হলেই প্রেষণার অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা দূরীভূত হয়ে যায় এবং প্রাণী পরিতৃপ্তি লাভ করে ও বিশ্রাম নেয়।
প্রাণীর অভীষ্ট লাভের আগ পর্যন্ত নির্দিষ্ট প্রেষণাকে কেন্দ্র করে প্রাণীর আচরণ চলতে থাকে, তাই মানব আচরণে এ প্রেষণাচক্রের গুরুত্ব অনেক।