দৃশ্যকল্প-২ এ সুমিত ও শাহেদের বেলায় একই শ্রেণি অর্থাৎ সামাজিক প্রেষণার খ্যাতি ও ক্ষমতার লিঙ্গার প্রকাশ ঘটেছে, অপরদিকে সুমিতের বোন শিখার বেলায় সাধারণ প্রেষণার প্রকাশ ঘটেছে।
সমাজ জীবন থেকে মানুষের মধ্যে যে সকল প্রেরণার উদ্ভব হয় তাদেরকে সামজিক প্রেষণা বলা হয়। সামাজিক প্রেষণার খ্যাতি জীবনে চায়না এরকম লোকের সংখ্যা পৃথিবীতে খুবই কম। প্রত্যেক মানুষই চায় তার কাজে স্বীকৃতি। কাজের স্বীকৃতি ব্যক্তিকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায়। মানুষ তার ভালো কাজের জন্য খ্যাতি লাভ করে। আবার ক্ষমতার লিন্সা হলো আরেকটি সামাজিক প্রেষণা। ক্ষমতা লাভকরার ইচ্ছা অনেকের মধ্যে বর্তমান। এই ইচ্ছা যাদের মধ্যে একবার জন্মে ইচ্ছাটি তাদের মধ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। অপরদিকে কিছু কিছু প্রেষণা আছে যা জীবন ধারণের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় আবার এগুলো শিক্ষালব্ধ বা অর্জিত নয় কিন্তু প্রায় প্রতিটি প্রাণীর ভিতরে এগুলো দেখা যায়। যেমন ঔৎসক্যু, কর্মস্পৃহা, জানার ইচ্ছা ইত্যাদি। এ ধরনের প্রেষণা হচ্ছে সাধারণ প্রেষণা। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ সুমিত কবিতা লিখে পরিচিতি পেতে চায় এবং সকলের প্রিয় হতে চায় তার ক্ষেত্রে খ্যাতি। অন্যদিকে সাহেদ মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন এক্ষেত্রে ক্ষমতার লিঙ্গা এবং সুমিতের বোন শিখা ভ্রমণ করা, নৌকা বাইচ, পর্বত আরোহণ, মজার গল্প বা এগুলোতে পারদর্শী হওয়ায় তার মধ্যে সাধারণ প্রেষণা পরিলক্ষিত হয়।