সোমার ঘটনাটি জৈবিক প্রেষণা ক্ষুধাকে নির্দেশ করে। এটি সবার জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য ।
মানুষের জৈবিক প্রয়োজনের অন্যতম হলো ক্ষুধা। দীর্ঘ সময় ধরে যদি প্রাণীকে খাদ্য থেকে বঞ্চিত রাখা হয় তাহলে তার পাকস্থলীর সংকোচনের জন্য ' সে ক্ষুধার তাড়না অনুভব করে। পাকস্থলীর সংকোচনের সাথে ক্ষুধার অনুভূতির যে সম্পর্ক আছে তা পরীক্ষণের সাহায্যে প্রমাণিত হয়েছে। অবশ্য পাকস্থলী কেটে বাদ দিয়েও দেখা গেছে, পাকস্থলীবিহীন মানুষও ক্ষুধার তাড়না অনুভব করতে পারে । শরীরে শর্করাজাতীয় উপাদানের ঘাটতি হলে মস্তিষ্কের feeding region নামের একটি বিশেষ স্থানে স্নায়বিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা প্রাণীকে ক্ষুধার অনুভূতি দেয়। ক্ষুধার অনুভূতিসূচক লক্ষণ হলো শারীরিক দুর্বলতা, অবসাদ ও অস্থিরতা।
উদ্দীপকে দেখা যায় সোমা স্কুল থেকে বাসায় ফিরে জানতে পারল যে, তার মা জরুরী কাজে বাইরে গেছেন। সে জন্য তিনি রান্নাও করতে পারেননি। সে মায়ের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই রান্না করে খেয়ে নিল । সোমার এ ঘটনার জৈবিক প্রেষণা ক্ষুধাকে নির্দেশ করে।
পরিশেষে বলা যায় ক্ষুধা একটি জৈবিক প্রেষণা। সকল প্রাণীর মধ্যে তা দেখা যায় এবং সবার জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য ।