উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ সুরুজ মিয়া ও নেহালের অনুভূত প্রেষণা দুটি হলো যথাক্রমে মৌলিক জৈবিক প্রেষণা এবং সামাজিক প্রেষণাভুক্ত কৃতি প্রেষণা ৷
প্রাণী মাত্রই ক্ষুধা একটি মৌলিক জৈবিক প্রেষণা। প্রাণী যখন শরীরে খাদ্যের চাহিদা অনুভব করে তখন তাকে ক্ষুধা বলা হয়। জন্মের পর থেকেই প্রাণী ক্ষুধার তাড়না অনুভব করে এবং মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিনিয়ত এই প্রেষণাটি আবর্তিত হতে থাকে। প্রাণী খাদ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে দৈহিক পুষ্টি, দেহ শক্তি ও কর্ম শক্তি যোগায়। খাদ্যের অভাববোধ থেকে ক্ষুধার অনুভূতি জাগে। উদ্দীপকের সুরুজ মিঞার উক্ত জৈবিক প্রেষণার তাড়নায় কঠোর পরিশ্রম করছে।
অন্যদিকে, নেহাল পড়াশোনায় ভালো । সে কঠোর পরিশ্রম করে ক্লাসে প্রথম হওয়ার জন্য । তার মধ্যে সামাজিক প্রেষণার 'কৃতি প্রেষণা' লক্ষ করা যায় । কারণ কৃতি প্রেষণা মানুষকে প্রতিযোগী করে তোলে । ফলে মানুষ তার লক্ষ্য অর্জন করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।
তাই বলা যায় যে, সুরুজ ও নেহালের অনুভূত প্রেষণা দুটি ভিন্ন শ্রেণিভুক্ত।