আয়শা বেগমের উদ্যোগটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব মূল্যায়ন কর ৷
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত আয়শা বেগম মাশরুম চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে । নিচে মাশরুম চাষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব মূল্যায়ন করা হলো- মাশরুম চাষে আবাদি জমির প্রয়োজন পড়ে না। তাকে তাকে সাজিয়ে একটি ঘরকে কয়েকটি ঘরের সমান ব্যবহার করা যায়। চাষ শুরুর মাত্র ৭-১০ দিনের মধ্যে মাশরুম পাওয়া যায়। মাশরুমের চাষে কম পুঁজির দরকার হয় এবং অল্প শ্রমের মাধ্যমে হয় । বিনিয়োগকৃত অর্থ অল্প সময়ের 1 মধ্যে তুলে আনা সম্ভব হয়। মাশরুম চাষে কর্মহীন লোকদের নিয়োগ দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়। মাশরুম চাষ করে মহিলারা আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার সাথে সঙ্গতি রেখে অর্থ উপার্জন করতে পারে। মাশরুম চাষে সার বা কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। অন্যান্য উদ্যান ও মাঠ ফসলের তুলনায় মাশরুম চাষে লাভও বেশি হয় । উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় আয়শা বেগমের মাশরুম চাষের উদ্যোগটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।
HSC কৃষিশিক্ষা ১ম পত্র Chapter 3 : বিশেষ উৎপাদন সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষিশিক্ষা ১ম পত্র · Chapter 3 : বিশেষ উৎপাদন সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি · সৃজনশীল
আয়শা বেগমের উদ্যোগটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব মূল্যায়ন কর ৷
উদ্দীপক
Rajshahi · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর