উদ্দীপকের হাবিব সাহেব অ্যাজোলা অণুজীব সার প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে হাবিব সাহেব লাভবান হবেন নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- অ্যাজোলা অতি দ্রুত বর্ধনশীল, প্রতি ৫ দিনে এর দৈহিক ওজন প্রায় দ্বিগুণ হয়। অ্যাজোলা মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বাড়ায়। প্রতি হেক্টর জমিতে ২৫০- ৫০০ কেজি নাইট্রোজেন মাটিতে যোগ করতে পারে যা ৫৫০ ১১০০ কেজি ইউরিয়ার সমান। এছাড়াও প্রতি -হেক্টরে মাত্র ৮- ১০ দিনে ১ ৩ টন অ্যাজোলা হতে ৭- ১৫ টন জৈব সার উৎপন্ন হয়। এসব জৈব পদার্থের শুষ্ক ওজনে ৪ - ৬% নাইট্রোজেন, ০.৫ ১.০% ফসফরাস, ২৬% পটাশ, ০.৫% -ম্যাগনেসিয়াম, ০.৪ -১.০% ক্যালসিয়াম, ০.১১ ০.১৩% ম্যাঙ্গানিজ ও ০.০৬ - ০.১৬% লৌহ থাকে। অ্যাজোলা অধিক ঘন করে চাষ করলে জমিতে নাইট্রোজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে জমিতে রাসায়নিক সার বিশেষ করে ইউরিয়া প্রয়োগের প্রয়োজন কমে যায়। পরিবেশ দূষণ রোধ করে মাটির বুনটের অবস্থার উন্নয়ন সাধন করে। রাসায়নিক সার প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা কমে যাওয়ায় উৎপদন খরচ কমে যায় এবং কম খরচে অধিক ফলন পাওয়া যায়। ফসলের জমিতে অ্যাজোলা জন্মানোর কারণে অন্যান্য ক্ষতিকর আগাছা জন্মাতে পারে না বলে উদ্ভিদ পুষ্টির অপচয় কম হয়। - সুতরাং উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় অ্যাজোলা অণুজীব সার ব্যবহারের মাধ্যমে হাবিব সাহেব লাভবান হবেন।