উদ্দীপকের চিত্র A হলো পাটের রিবন রেটিং পদ্ধতি। নিচে পাট পচানোর জন্যে রিবন রেটিং পদ্ধতির উপযোগিতা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশের পাট চাষিরা সাধারণত পানিতে পাট পচিয়ে থাকেন। কিন্তু যে সমস্ত এলাকায় পাট কাটার পর পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায় না সে সমস্ত এলাকার জন্য বাংলাদেশ পাটের গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত রিবন রেটিং প্রযুক্তিটি খুবই উপযোগী। কেননা অপর্যাপ্ত পানিতে সঠিকভাবে পাট না পচলে পাটের আঁশের রং কালো হয়ে যায়, আঁশের শক্তি কমে যায় এবং আঁশের গুণাগুণ নষ্ট হয়। সর্বোপরি বাজার মূল্য কম হয়। কিন্তু রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচনের জায়গা সময় ও পানি কম লাগে। পাটের আঁশের মান উন্নত হয়, কাটিংস থাকে না। এ পদ্ধতিতে ছাল ছাড়ালে পাটকাঠি মজবুত ও শক্ত হয়, এতে জ্বালানির সাশ্রয় হয়। এছাড়াও পাট পচন গর্তের পানি জমিতে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সর্বোপরি এ পদ্ধতিতে চাষি দ্রুত লাভবান হতে পারে।
সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় যে, পাটের আঁশের গুণগত মান সংরক্ষণে রিবন রেটিং পদ্ধতি, একটি লাভজনক পদ্ধতি এবং এটি একটি টেকসই প্রযুক্তি।