উদ্দীপকে উল্লেখিত সবজি অর্থাৎ মাশরুম একটি সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন উৎকৃষ্ট মানের সবজি। মাশরুমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিচে এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-
মাশরুম চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। মাশরুম উৎপাদনে পুঁজি কম লাগে এবং অতি দ্রুত পুঁজি ফেরত আসে। এক কেজি মাশরুম উৎপাদন করতে খরচ হয় মাত্র ৪০ টাকা। যা ২০০ টাকায় বিক্রি করা যায় । অর্থাৎ প্রতি কেজিতে লাভ হয় ১৬০ টাকা। দেখা গেছে যে, ১০ বর্গফুট জায়গায় একসাথে ৫০০ স্পন চাষ করে ১৫ দিনে ৩০ কেজি মাশরুম উৎপাদন করা যায়। অর্থাৎ ৩০০০ টাকার বীজ বা স্পন প্যাকেট কিনে ১৫ – ২০ দিনে ৬০০০ টাকা পাওয়া যায়। এ প্যাকেট থেকেই আরো ২ – ৩ বার মাশরুম উৎপাদন করে ২/৩ মাসে ১৭ – ১৮ হাজার টাকা উপার্জন করা যায়। এক হেক্টরে ২০০ টন মাশরুম চাষ হয় যা ১০ গুণ পরিমাণ বেশি আমিষ সরবরাহ করে। মাশরুম কুটির শিল্পের মতো ঘরে বসেই উৎপাদন করা যায়। মাশরুম চাষে শ্রমিক কম লাগে। এছাড়াও, মাশরুম চাষে ঝুঁকি কম কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগবালাই দ্বারা ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। আবার, চাষ শেষে প্যাকেট জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার ও বিক্রি করা যায়।
অর্থাৎ মাশরুম চাষের মাধ্যমে পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও সহজেই স্বাবলম্বী হওয়া যায়। এ কারণেই দিন দিন মাশরুমের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।