উদ্দীপকের জামাল ধান চাষ করেন যা একটি মাঠ ফসল। এবং কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী 'বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাতে মাঠফসলের গুরুত্ব অনেক'। নিচে বক্তব্যটির যোক্তিকতা বিশেস্নষণ করা হলো-
দেশের মোট আবাদি জমির প্রায় ৭০ ৮০ শতাংশে মাঠ ফসল চাষ হয়, যা মানুষের প্রধান খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহের মূল ভিত্তি। ধান, গম ও ভুট্টার মতো শস্য থেকে চাল, আটা, বিস্কুট ও পাউরম্নটির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরি হয়, যা দেশের মানুষের শর্করা ও শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস। প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডাল জাতীয় ফসল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা সাধারণ মানুষের খাদ্য তালিকায় অপরিহার্য উপাদান হিসেবে যুক্ত রয়েছে। এছাড়া আঁশ জাতীয় ফসল যেমন পাট, তুলা ব্যাবহার করে বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল। এছাড়া, মাঠ ফসলের উপজাত যেমন খড় ও গোখাদ্য, পশুপালনে সহায়ক। হাঁস-মুরগির খাদ্য ও জ্বালানির উৎস হিসেবেও এসব ফসল ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি, তুলসী, বাসক, কালোমেঘের মতো ঔষধি ফসল বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, দেশীয় চাহিদার পাশাপাশি মাঠফসল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্যটি যোক্তিক এবং যথার্থ।