উদ্দীপকে উল্লেখিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এর প্রধান কাজ হলো ধানের উন্নত নতুন জাত উদ্ভাবন করা। খাদ্য চাহিদা মেটাতে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-
আমাদের দেশের জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার আমাদের প্রধান খাদ্য হলো ভাত যা আমরা ধান থেকে পাই। তাই ধানের চাহিদা দেশে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আমাদের দেশের আবাদি জমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। ফলে উন্নত জাতের উচ্চফলনশীল ধানের প্রয়োজন যা অল্প জমিতে বেশি ফলন দিবে। ব্রি এ পর্যন্ত ১০৬টি জাতের ধান উদ্ভাবন করেছে। ব্রি উদ্ভাবিত নতুন ধানের জাতের ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ৫ টন। এসব জাত তিন মৌসুমেই চাষ করা যায়। ফলে এ সকল ব্রি উদ্ভাবিত উন্নত উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে কৃষকরা অল্প জমিতে অল্প সময়ে অধিক ধান উৎপাদন করতে পারবে এছাড়াও ব্রি উদ্ভাবিত এসব জাত সুগন্ধময়, প্রোটিন ও জিঙ্কসমৃদ্ধ, লবণাক্ত ও খরাসহিষ্ণু। এসব ধান চাষ করে বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করাও সম্ভব হবে ।
পরিশেষে উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে একথা বলা যায় যে, ব্রি অর্থাৎ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নতুন, উন্নত ও উচ্চফলনশীল এবং খাদ্য উপাদান সমৃদ্ধ ধানের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বা প্রভাব ফেলবে।