উদ্দীপকের তথ্যছকটি হলো উদ্ভিদের কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়ার। উদ্দীপকের A, B, C, D, E পর্যন্ত ধাপগুলো যথাক্রমে মাতৃউদ্ভিদের ইমাস্কুলেশন (A), ব্যাগিং (B), ক্রসিং (C), লেভেলিং (D), বীজ সংগ্রহ (E) ইত্যাদি। নিচে ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো-
প্যারেন্ট নির্বাচন : কাদের মধ্যে হাইব্রিডাইজেশন করতে হবে তা নির্বাচন করাই হলো প্যারেন্ট নির্বাচন।
প্যারেন্টের কৃত্রিম স্বপরাগায়ন : প্যারেন্ট স্বপরাগী না হলে এদেরকে কৃত্রিম স্বপরাগায়নের মাধ্যমে হোমোজাইগাস করা হয়।
প্যারেন্ট উদ্ভিদের ইমাস্কুলেশন : যে পুষ্পকে মাতৃপুষ্প হিসেবে ধরা হবে তা যদি উভয় লিঙ্গ হয় তাহলে ইমাস্কুলেশন করা হয়। পরিপক্ক হওয়ার আগেই পুষ্প থেকে পুংকেশর মেরে ফেলা বা সরিয়ে ফেলাকে বলা হয় ইমাস্কুলেশন। এতে করে স্বপরাগায়ন ঘটতে পারে না।
ব্যাগিং : পলিথিন ব্যাগের সাহায্যে ক্রসে ব্যবহারের জন্য নির্বাচিত উদ্ভিদের পুষ্পিত অংশকে ঢেকে দেওয়া হয়।
ক্রসিং : ব্যাগিং করা পুং উদ্ভিদ হতে পুং রেণু সংগ্রহ করে ব্যাগিং করা স্ত্রী উদ্ভিদের ইমাস্কুলেটেড পুষ্পের গর্ভমুণ্ডে ফেলা হয় ।
লেভেলিং : ইমাস্কুলেশনের তারিখ, ক্রসিং এর তারিখ, মাতৃ ও পিতৃ উদ্ভিদ পরিচিতি সংবলিত একটি লেবেল স্ত্রী উদ্ভিদে লাগিয়ে দেওয়া হয়।
বীজ সংগ্রহ : কৃত্রিম পরাগায়নের ফলে সৃষ্ট ফলটি পাকলে তা থেকে বীজ সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহিত বীজ পরবর্তী মৌসুমে বপণ করলে নতুন প্রকরণের জন্ম হয়।